নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে দেশের সীমান্ত এলাকা দিয়ে কোনো ধরনের অস্ত্র ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। আজ শনিবার রাজধানীর গাবতলী বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন বিএডিসি বীজ ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এ সময় আরও বলেন, শুধু নির্বাচন ঘিরে নয়, অন্য সময়েও দেশে অস্ত্র ঢুকতে দেওয়া হবে না।
দেশের সীমান্ত কতটা নিরাপদ—এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আপনারা দেখছেন আমাদের সীমান্ত সম্পূর্ণ নিরাপদ। সীমান্ত নিরাপদ এবং সুরক্ষিত। আমাদের জনগণও কিন্তু সাংঘাতিক সচেতন। বর্ডার বেল্টে আমাদের যেসব জনগণ আছে, তারা কিন্তু খুবই সচেতন।
নির্বাচনের সময় বিভিন্ন দেশ থেকে অস্ত্র ঢোকার একটা প্রবণতা আগেও দেখা গেছে, আগামী নির্বাচন ঘিরেও এ ধরনের প্রবণতা ঠেকাতে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, অস্ত্র উদ্ধারে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শুধু নির্বাচনে না, অন্য সময়েও যেন দেশে কোনো অস্ত্র ঢুকতে না পারে সে জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নির্বাচনের আগে লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আজকেও কিন্তু অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার একটা চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিদিন অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। নির্বাচনের আগে সব অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি যেভাবে নেওয়া দরকার, আমরা সেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। আল্লাহ দিলে ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন করতে আমাদের কোনো ধরনের অসুবিধা হবে না। আমাদের চিফ অ্যাডভাইজার যে তারিখ বলে দিয়েছেন, আমরা ওইভাবে ইলেকশন করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং ওই সময় সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুতি থাকবে।
নির্বাচন ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের প্রোপাগান্ডা চলছে। আওয়ামী লীগ অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেবে না, সামাজিক মাধ্যমে এ রকম বক্তব্যও প্রচার করা হচ্ছে। এ বিষয়টি আপনারা কীভাবে দেখছেন—এর জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দেশে এখন বাক্স্বাধীনতা রয়েছে। আপনারা কিন্তু আগে অনেক কিছু প্রকাশ করতে পারেন নাই। এখন সবকিছু প্রকাশ করতে পারেন। এ জন্য যার যার মত সে প্রকাশ করতে পারে।
উপদেষ্টা বলেন, ‘জনগণ ডিসিশন নেবে। মানে জনগণ যে সময় নির্বাচনমুখী হয়ে যাবে। পলিটিক্যাল পার্টিগুলো যখন নির্বাচনমুখী হয়ে যাবে, সে সময় দেখবেন এসব কিছুতে কেউ কোনো বাধা দিতে পারবে না। জনগণ আমাদের মেইন ফ্যাক্টর। যেহেতু সবাই নির্বাচনমুখী হয়েছে, নির্বাচন করতে কোনো অসুবিধা হবে না।’

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে দেশের সীমান্ত এলাকা দিয়ে কোনো ধরনের অস্ত্র ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। আজ শনিবার রাজধানীর গাবতলী বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন বিএডিসি বীজ ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এ সময় আরও বলেন, শুধু নির্বাচন ঘিরে নয়, অন্য সময়েও দেশে অস্ত্র ঢুকতে দেওয়া হবে না।
দেশের সীমান্ত কতটা নিরাপদ—এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আপনারা দেখছেন আমাদের সীমান্ত সম্পূর্ণ নিরাপদ। সীমান্ত নিরাপদ এবং সুরক্ষিত। আমাদের জনগণও কিন্তু সাংঘাতিক সচেতন। বর্ডার বেল্টে আমাদের যেসব জনগণ আছে, তারা কিন্তু খুবই সচেতন।
নির্বাচনের সময় বিভিন্ন দেশ থেকে অস্ত্র ঢোকার একটা প্রবণতা আগেও দেখা গেছে, আগামী নির্বাচন ঘিরেও এ ধরনের প্রবণতা ঠেকাতে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, অস্ত্র উদ্ধারে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শুধু নির্বাচনে না, অন্য সময়েও যেন দেশে কোনো অস্ত্র ঢুকতে না পারে সে জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নির্বাচনের আগে লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আজকেও কিন্তু অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার একটা চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিদিন অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। নির্বাচনের আগে সব অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি যেভাবে নেওয়া দরকার, আমরা সেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। আল্লাহ দিলে ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন করতে আমাদের কোনো ধরনের অসুবিধা হবে না। আমাদের চিফ অ্যাডভাইজার যে তারিখ বলে দিয়েছেন, আমরা ওইভাবে ইলেকশন করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং ওই সময় সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুতি থাকবে।
নির্বাচন ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের প্রোপাগান্ডা চলছে। আওয়ামী লীগ অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেবে না, সামাজিক মাধ্যমে এ রকম বক্তব্যও প্রচার করা হচ্ছে। এ বিষয়টি আপনারা কীভাবে দেখছেন—এর জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দেশে এখন বাক্স্বাধীনতা রয়েছে। আপনারা কিন্তু আগে অনেক কিছু প্রকাশ করতে পারেন নাই। এখন সবকিছু প্রকাশ করতে পারেন। এ জন্য যার যার মত সে প্রকাশ করতে পারে।
উপদেষ্টা বলেন, ‘জনগণ ডিসিশন নেবে। মানে জনগণ যে সময় নির্বাচনমুখী হয়ে যাবে। পলিটিক্যাল পার্টিগুলো যখন নির্বাচনমুখী হয়ে যাবে, সে সময় দেখবেন এসব কিছুতে কেউ কোনো বাধা দিতে পারবে না। জনগণ আমাদের মেইন ফ্যাক্টর। যেহেতু সবাই নির্বাচনমুখী হয়েছে, নির্বাচন করতে কোনো অসুবিধা হবে না।’

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোটের বিষয়ে সারা দেশে প্রচার চালানো হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু এই প্রচার যেন নামকাওয়াস্তে। প্রচারকাজে অংশ নেওয়া ভোটের গাড়ি সুপার ক্যারাভান শুধু শহর এলাকাতেই ঘুরছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এসব গাড়ি না যাওয়ায় বেশির ভাগ ভোটার এই প্রচারণার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল সংক্রান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ১২২টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। মঙ্গলবার ইসির আইন শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মাইনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা ও সামাজিক বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বক্তারা। তাঁদের মতে, এই ঝুঁকি মোকাবিলায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ, সক্ষমতা—এমনকি সদিচ্ছারও ঘাটতি স্পষ্ট।
৮ ঘণ্টা আগে
শুনানি শেষে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হককে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে আবেদন করেন তাঁদের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। অন্যদিকে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
৯ ঘণ্টা আগে