
এরই মধ্যে উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা স্মার্ট কার্ড প্রিন্ট করা হয়ে গেছে। কিন্তু সেই ব্যক্তি আর জীবিত নেই। এমন অবিতরণকৃত স্মার্ট কার্ড ওই মৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের কাছে সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সম্প্রতি ইসির এক মাসিক সমন্বয় সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, সভায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ূন কবীর এ বিষয়ে বলেন, মাঠপর্যায়ে অবিতরণকৃত স্মার্ট কার্ড রি-বক্সিং করার জন্য এবং মৃত ব্যক্তিদের স্মার্ট কার্ড তাঁর ওয়ারিশদের কাছে দেওয়ার নির্দেশনা নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া গেছে। ওই নির্দেশনা এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ে দেওয়া হয়েছে। রি-বক্সিং করার জন্য যে বক্সের প্রয়োজন হবে, তার ব্যবস্থা আইডিয়া দ্বিতীয় পর্যায় প্রকল্পে পরিচালক গ্রহণ করবেন।
রি-বক্সিংয়ের কাজে জনবলসহ অন্য যেসব সহযোগিতার প্রয়োজন হবে, সে বিষয়ে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা তাঁদের মতামত বা পরামর্শ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে জানাবেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে রি-বক্সিংয়ের কাজ শেষ করতেও বলা হয়েছে।
এই সময় মৃত ব্যক্তি এবং স্থানান্তরকৃত ভোটারের কার্ড আলাদাভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে বলেও পরামর্শ দেন এনআইডি নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক।

কাগজ-কলমে ঢাকা থেকে রংপুরে যেতে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের সময় লাগে ৯ ঘণ্টা ৫০ মিনিট। কিন্তু বাস্তবে আরও অনেক রুটের মতো এই পথেও তা যেন সময়সূচির পাতায় সীমাবদ্ধ। ১ আগস্টের যাত্রায় পার্বতীপুরে ট্রেনটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। এতে ৪ ঘণ্টা ১০ মিনিট দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছায় ট্রেনটি।
৪ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে পাইপলাইনের গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট গতকাল বুধবার আবার বেড়েছে। ফলে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্যাসের চুলা দিনের বেশির ভাগ সময়ই জ্বলছে না। রাজধানীসহ সারা দেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং করা হচ্ছে। শহরের চেয়ে গ্রামে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ বেশি। গ্রামে ১০-১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) না থাকায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অনেক মানুষ সরকারি বিভিন্ন সেবা এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আর জন্মনিবন্ধন না থাকা, ঠিকানা ও পরিচয়সংক্রান্ত জটিলতাসহ নানা কারণে তাঁদের এনআইডি পেতে সমস্যা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আটটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জাতীয় সংসদে ভোটাভুটি হয়েছে। একক প্রার্থী থাকায় পরের সাতবার ভোটের প্রয়োজন হয়নি। এবার অবশ্য প্রেক্ষাপট কিছুটা ভিন্ন।
৭ ঘণ্টা আগে