নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকারদের হাতে নির্যাতিত আরও ১৬ জন বীরাঙ্গনাকে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এদের এ স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গুলবাহার বেগম, মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার অফুজা বেগম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আনোয়ারা বেগম ও রুমিয়া খাতুন, পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার শেফালী সিকদার এবং চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর হোসনে আরা বেগমকে বীরাঙ্গনার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া নরসিংদীর রায়পুরার জাহেরা খাতুন, মৌলভীবাজার সদরের মইরন নেছা, হাজেরা বেগম ও প্রীতি রানী দত্ত, রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার মোছা. ফাতেমা বেগম, মোছা. বেগনা বেগম ও মোছা. মালেকা বেগম, নোয়াখালী সদরের শোভা পারভীন এবং বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সেতারা বেগম বীরঙ্গনা হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন।
এ নিয়ে ৪১৬ জন বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিল সরকার। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনারা মাসে ভাতাসহ সরকারি অন্যান্য সুবিধা পাবেন। ৪০০ থেকে ৫০০ জন বীরঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিতে সরকার কাজ করছে বলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক আগেই জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতিত নারীদের বীরাঙ্গনা স্বীকৃতি দিয়ে তাঁদের সম্মান জানান। তাঁর নির্দেশনায় বীরাঙ্গনাদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনে উদ্যোগ নেওয়া হলেও ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তা থেমে যায়। ২০১৪ সালের ১০ অক্টোবর বীরাঙ্গনাদের বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল।

ঢাকা: একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকারদের হাতে নির্যাতিত আরও ১৬ জন বীরাঙ্গনাকে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এদের এ স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গুলবাহার বেগম, মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার অফুজা বেগম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আনোয়ারা বেগম ও রুমিয়া খাতুন, পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার শেফালী সিকদার এবং চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর হোসনে আরা বেগমকে বীরাঙ্গনার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া নরসিংদীর রায়পুরার জাহেরা খাতুন, মৌলভীবাজার সদরের মইরন নেছা, হাজেরা বেগম ও প্রীতি রানী দত্ত, রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার মোছা. ফাতেমা বেগম, মোছা. বেগনা বেগম ও মোছা. মালেকা বেগম, নোয়াখালী সদরের শোভা পারভীন এবং বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সেতারা বেগম বীরঙ্গনা হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন।
এ নিয়ে ৪১৬ জন বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিল সরকার। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনারা মাসে ভাতাসহ সরকারি অন্যান্য সুবিধা পাবেন। ৪০০ থেকে ৫০০ জন বীরঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিতে সরকার কাজ করছে বলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক আগেই জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতিত নারীদের বীরাঙ্গনা স্বীকৃতি দিয়ে তাঁদের সম্মান জানান। তাঁর নির্দেশনায় বীরাঙ্গনাদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনে উদ্যোগ নেওয়া হলেও ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তা থেমে যায়। ২০১৪ সালের ১০ অক্টোবর বীরাঙ্গনাদের বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আজ রোববার এ নির্দেশ দেন বলে নিশ্চিত করেছেন দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ।
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির আজ রোববার এ নির্দেশ দেন বলে নিশ্চিত করেছেন দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ।
২ ঘণ্টা আগে
আগামী জাতীয় নির্বাচনে সব দলের জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত রয়েছে। সরকার কোনো বিশেষ দলকে অতিরিক্ত সুবিধা দিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
২ ঘণ্টা আগে
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের স্ত্রী আকি আবে আজ সকালে প্রধান উপদেষ্টা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তাঁর প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস নিজের নির্বাচনপরবর্তী কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।
২ ঘণ্টা আগে