বাসস

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মবার্ষিকী পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আজ রোববার বিকেলে বঙ্গভবনের দরবার হলে এক দোয়া-মাহফিলের আয়োজন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
প্রাণঘাতী কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) মহামারির প্রাদুর্ভাবের কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত পরিসরে আসরের নামাজের পর মিলাদ ও দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন বঙ্গভবন জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল কবির।
দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি, জনগণের কল্যাণ এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর মধ্যে বৃহত্তর ঐক্য কামনা করে দোয়া করা হয়। মোনাজাতে বিভিন্ন দুর্যোগ, সমস্যা ও প্রাণঘাতী রোগ থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর রহমত ও সাহায্য প্রার্থনা করা হয়। দোয়ায় মহান আল্লাহর কাছে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করা হয়।
মোনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে নির্মমভাবে নিহত সকলের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
এছাড়া, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়।
এর আগে, মিলাদ মাহফিলের পূর্বে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) এর তাৎপর্য ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন-কর্ম সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন।
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপি, রাষ্ট্রপতির বড় ছেলে ইঞ্জিনিয়ার রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, এমপি, তিন বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত প্রধানগণ, রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহউদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন ও সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান, বঙ্গভবনের সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা দোয়া-মাহফিলে অংশ নেন।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মবার্ষিকী পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আজ রোববার বিকেলে বঙ্গভবনের দরবার হলে এক দোয়া-মাহফিলের আয়োজন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
প্রাণঘাতী কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) মহামারির প্রাদুর্ভাবের কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত পরিসরে আসরের নামাজের পর মিলাদ ও দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন বঙ্গভবন জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল কবির।
দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি, জনগণের কল্যাণ এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর মধ্যে বৃহত্তর ঐক্য কামনা করে দোয়া করা হয়। মোনাজাতে বিভিন্ন দুর্যোগ, সমস্যা ও প্রাণঘাতী রোগ থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর রহমত ও সাহায্য প্রার্থনা করা হয়। দোয়ায় মহান আল্লাহর কাছে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করা হয়।
মোনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে নির্মমভাবে নিহত সকলের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
এছাড়া, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়।
এর আগে, মিলাদ মাহফিলের পূর্বে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) এর তাৎপর্য ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন-কর্ম সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন।
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপি, রাষ্ট্রপতির বড় ছেলে ইঞ্জিনিয়ার রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, এমপি, তিন বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত প্রধানগণ, রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহউদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন ও সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান, বঙ্গভবনের সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা দোয়া-মাহফিলে অংশ নেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন আজ রোববার। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান সুযোগ নষ্ট করার অভিযোগ তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলো। দলগুলোর এই অভিযোগের কাঠগড়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন দল ইসির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন আগামীকাল রোববার। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৯ ঘণ্টা আগে
পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশে ইনতা লাসে বলেন, ‘আপনারাই মাঠে থাকবেন। বাস্তবতা দেখবেন। প্রতিটি জেলায় পরিস্থিতি কীভাবে এগোচ্ছে, তা ঢাকায় আমাদের জানাবেন। আপনার মাঠপর্যায়ের মূল্যায়ন ও প্রতিবেদন আমরা গুরুত্বের সঙ্গে প্রত্যাশা করছি। দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকেরা আমাদের মিশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁদের পর্যবেক্ষণ...
১০ ঘণ্টা আগে