
দেশেই টিকা উৎপাদনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ডায়াডেক এর সমঝোতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশে ১৩ রকমের টিকা উৎপাদনে রাষ্ট্রীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি ডায়াডিক ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সমঝোতা স্মারকের আওতায় মার্কিন এই প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে দেশে টিকা উৎপাদন, সংরক্ষণ এবং মান-নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, এবারের ভ্যাকসিন প্ল্যান্টটি গোপালগঞ্জে প্রায় নয় একর জায়গায় স্থাপিত হবে। ইতিমধ্যেই ভূমি অধিগ্রহণ হয়েছে। সেখানে করোনা টিকাসহ প্রায় ১৩ রকমের টিকা উৎপাদন হবে। বিশ্বের মাত্র ৫টি দেশ এই মানের টিকা উৎপাদন করতে পারে। উৎপাদনে যাওয়ার পর আমরা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে টিকা রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারব। পাশাপাশি দেশে বহুসংখ্যক কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে।
আমেরিকার ডায়াডেক সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, তারা আমাদের কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে, লোকবল ও প্রশিক্ষণ সহায়তা দেবে। এখানে তাদের কোনো অংশীদারত্ব থাকবে না। এখানে যে টিকা উৎপাদন হবে সেগুলো আন্তর্জাতিক মানের।
তিনি বলেন, আমরা আশা করছি আগামী চার বছরের মধ্যে উৎপাদনে যেতে পারব। এই প্ল্যান্টে প্রথমে করোনা টিকা এবং পর্যায়ক্রমে আমাদের প্রয়োজনীয় সকল টিকা উৎপাদন হবে। এই ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট নির্মাণে সাড়ে তিন শ মিলিয়ন ইউএস ডলারের আশ্বাস আছে। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যয় করতে হবে। আজ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। যখন সঙ্গে চুক্তি হবে, তখন বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।
এ সময় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মুহ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম, যুক্তরাষ্ট্রের ডায়ডিক ইন্টারন্যাশনালের সিইও মার্ক এমালফ্রেব, বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ এবং ইডিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এহসানুল কবীর উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডা. এহসানুল কবির এবং ডায়াডিক ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে সিইও মার্ক এমালফ্রেব সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

দেশেই টিকা উৎপাদনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ডায়াডেক এর সমঝোতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশে ১৩ রকমের টিকা উৎপাদনে রাষ্ট্রীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি ডায়াডিক ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সমঝোতা স্মারকের আওতায় মার্কিন এই প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে দেশে টিকা উৎপাদন, সংরক্ষণ এবং মান-নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, এবারের ভ্যাকসিন প্ল্যান্টটি গোপালগঞ্জে প্রায় নয় একর জায়গায় স্থাপিত হবে। ইতিমধ্যেই ভূমি অধিগ্রহণ হয়েছে। সেখানে করোনা টিকাসহ প্রায় ১৩ রকমের টিকা উৎপাদন হবে। বিশ্বের মাত্র ৫টি দেশ এই মানের টিকা উৎপাদন করতে পারে। উৎপাদনে যাওয়ার পর আমরা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে টিকা রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারব। পাশাপাশি দেশে বহুসংখ্যক কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে।
আমেরিকার ডায়াডেক সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, তারা আমাদের কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে, লোকবল ও প্রশিক্ষণ সহায়তা দেবে। এখানে তাদের কোনো অংশীদারত্ব থাকবে না। এখানে যে টিকা উৎপাদন হবে সেগুলো আন্তর্জাতিক মানের।
তিনি বলেন, আমরা আশা করছি আগামী চার বছরের মধ্যে উৎপাদনে যেতে পারব। এই প্ল্যান্টে প্রথমে করোনা টিকা এবং পর্যায়ক্রমে আমাদের প্রয়োজনীয় সকল টিকা উৎপাদন হবে। এই ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট নির্মাণে সাড়ে তিন শ মিলিয়ন ইউএস ডলারের আশ্বাস আছে। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যয় করতে হবে। আজ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। যখন সঙ্গে চুক্তি হবে, তখন বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।
এ সময় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মুহ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম, যুক্তরাষ্ট্রের ডায়ডিক ইন্টারন্যাশনালের সিইও মার্ক এমালফ্রেব, বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ এবং ইডিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এহসানুল কবীর উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডা. এহসানুল কবির এবং ডায়াডিক ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে সিইও মার্ক এমালফ্রেব সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
‘বিটিআরসির এনইআইআর সিস্টেমে আমার এনআইডির বিপরীতে ৫২টা ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। এতগুলো ফোন কীভাবে আমার নামে নিবন্ধিত হয়! আমার ও পরিবারের সদস্যদের ধরলে মোট ৫-৭টা হতে পারে। তাই বলে ৫২টা?
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪টি আসনে ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে