
সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. সাহাবুদ্দিন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন।
এরপর সেনাবাহিনীপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীপ্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীপ্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
প্রতিবারের মতো এবারও যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্যাপন করা হচ্ছে। দেশের সব সেনানিবাস, নৌঘাঁটি ও স্থাপনা এবং বিমানবাহিনী ঘাঁটির মসজিদে ফজরের নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।
সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. সাহাবুদ্দিন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক বাণী দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বাণীতে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সকল সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসহ সকল বীর শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাই প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধে এগিয়ে আসেন এবং দীর্ঘ লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন। সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর অকুতোভয় সদস্যরা ২১ নভেম্বর সম্মিলিতভাবে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণের সূচনা করেন। মুক্তিবাহিনী, বিভিন্ন আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যগণ ও দেশপ্রেমিক জনতা এই সমন্বিত আক্রমণে অংশ নেন। হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে ১৬ ডিসেম্বর আমরা চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করি। মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের অগ্রযাত্রা ও বিজয়ের স্মারক হিসেবে প্রতিবছর ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন করা হয়।’
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বাণীতে বলেন, ‘ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, শিল্পকারখানায় নিরাপত্তা দেওয়াসহ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ, অস্ত্র উদ্ধারসহ সকল কার্যক্রমে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের জন্য আমি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানাই। গত ১৫ মাসে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে দেশের সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়নসহ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।’
এদিকে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের কর্মসূচি নিয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ঢাকা সেনানিবাসে আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে নির্বাচিত খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা ১০১ জন নির্বাচিত খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উত্তরাধিকারীদের মধ্যে শুভেচ্ছা স্মারক বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
দিবসটি উদ্যাপন উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে আজ বিকেল ৪টায় ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এ সংবর্ধনায় প্রধান বিচারপতি, সাবেক রাষ্ট্রপতিগণ, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি রাষ্ট্রদূতগণ, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, মুখ্য সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা, মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল বীরশ্রেষ্ঠের উত্তরাধিকারীরাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন। ঢাকা ছাড়াও বরিশাল, কক্সবাজার, বগুড়া, সিলেট, ঘাটাইল, চট্টগ্রাম, যশোর, রংপুর ও খুলনা সেনানিবাস/ঘাঁটিতে সংশ্লিষ্ট এরিয়া সদর দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি ঢাকার বাইরে দেশের অন্যান্য সেনা গ্যারিসন, নৌ জাহাজ ও স্থাপনা এবং বিমানবাহিনী ঘাঁটিতেও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।

সরবরাহে ঘাটতি খুব সামান্য। মজুত নিয়েও আপাতত বড় দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। এরপরও সারা দেশের তেলের পাম্পগুলোতে এক মাস ধরে যেন ‘হাহাকার’ পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহল ও বিশ্লেষকেরা বলছেন, মূলত দুর্বল পরিকল্পনা, তথ্যের ঘাটতি, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাপর্যায়ে কিছু মজুতদারিতে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
কিছুক্ষণ পর ২৫-৩০ জন পুলিশ ওই চায়ের দোকানের সামনে আসে। কিছু পুলিশ সদস্য উচ্চস্বরে বলছিলেন—‘সবাইকে ক্রসফায়ার করে দে’। চায়ের দোকানের শাটার খুলে পুলিশ তাঁদের টেনেহিঁচড়ে বের করে হাতের অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক পেটায়...
২ ঘণ্টা আগে
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, সরকার চাইলে সেগুলো সংশোধন করে, সংযোজন করে নতুন আইন করতে পারে। আজ রোববার সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয় নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন...
৪ ঘণ্টা আগে
২৮ মার্চ গভীর রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক অভিযানে যমুনা অয়েল কোম্পানির মোংলা ডিপোতে জ্বালানি তেলের (ডিজেল) মজুতসংক্রান্ত একটি বিশেষ অসংগতি ধরা পড়ে। অফিস রেকর্ড বা স্টক রেজিস্টারের তুলনায় বাস্তবে মজুতের পরিমাণ সাড়ে ১২ হাজার লিটারের বেশি হওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ..
৪ ঘণ্টা আগে