নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন শেষে আজ বুধবার বেলা আড়াইটায় সন্জীদা খাতুনের কফিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয়। অশ্রু, গান, কবিতা ও ফুলে তাঁকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানো শেষে বিএসএমএমইউতে হিমঘরে নিয়ে রাখা হয়।
পরিবার সূত্র জানিয়েছে, তাঁর অনেক পরিবার-পরিজন দেশের বাইরে আছেন। তাঁরা ফিরলে দাফন নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
কিংবদন্তি সংস্কৃতিকর্মী সন্জীদা খাতুনকে শেষবারের মতো দেখতে শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়েছিলেন অনেকে। সংস্কৃতিকর্মী, সাংবাদিক, শিল্পী, ঢাবির শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষ জড়ো হয়েছিলেন সেখানে। ফুল হাতে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে তাঁরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
এ সময় ‘আমার প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে’সহ বেশ কয়েকটি গান পরিবেশন করেছেন শিল্পীরা। শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে ছায়ানটের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসা অশ্রুসিক্ত হয়ে সন্জীদা খাতুনের জন্য প্রার্থনা কামনা করেন। এ সময় তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা মৃত্যুর গান ‘আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে’ পরিবেশন করেন।
সন্জীদা খাতুনের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), মণি সিংহ-ফরহাদ স্মৃতি ট্রাস্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, উদীচী, বাংলাদেশ নজরুল সংগীত সংস্থা, কণ্ঠশীলনসহ আরও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন।
সন্জীদা খাতুনকে শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে গিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। তিনি বলেন, ‘তিনি (সন্জীদা খাতুন) সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যে অবদান রেখেছেন, তা অত্যন্ত কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি। তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্য দিয়ে তাঁর ঐতিহ্য রেখে যাবেন।’

শ্রদ্ধা জানাতে আরও এসেছিলেন অভিনেতা–নির্দেশক তারিক আনাম খান, নৃত্যশিল্পী শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেতা ঝুনা চৌধুরী, অভিনেত্রী আফসানা মিমি, সংগীতশিল্পী ফারহিন খান জয়িতাসহ অনেকে।
এর আগে বুধবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তাঁর প্রাণের ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনে নেওয়া হয় নিথর দেহ। বেলা সাড়ে ১১টার দিকেই তাঁকে শেষবিদায় জানাতে ছায়ানটে হাজির হতে থাকেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। সেখানে অশ্রুসিক্ত হয়ে তাঁকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান তাঁরা।
সন্জীদা খাতুনকে শেষবারের মতো দেখতে সকাল থেকে ছায়ানট ভবনে আসতে শুরু করেন সঙ্গীতপ্রেমীসহ নানা অঙ্গনের মানুষ। এ সময় রবীন্দ্রসংগীত ‘আমার মুক্তি আলোয় আলোয়’ পরিবেশন করেন শিক্ষার্থীরা। ফুলেল শ্রদ্ধায় ভরে ওঠে সন্জীদা খাতুনের মরদেহ রাখার বেদি। একে একে প্রত্যেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, পাশাপাশি চলতে থাকে সংগীত পরিবেশন।

ছায়ানটের সহসভাপতি খায়রুল আনাম শাকিল বলেন, বাঙালি সংস্কৃতি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করেছেন সন্জীদা খাতুন। এই সমাজে যা ঘটছে, যে অরাজকতা চলছে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতেন। সব সময় বলতেন, আমরা যে বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছি, তা কি পারছি। দেশের অরাজকতা নিয়ে তিনি সব সময় দুশ্চিন্তা করতেন। এ কথা সত্যি, একটা যুগের অবসান হলো।
নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের সময়ে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে উজ্জ্বল মানুষ ছিলেন সন্জীদা খাতুন। তিনি সব সময় তাঁর আদর্শে অটুট ছিলেন। বিন্দুমাত্র আপস তিনি করেননি।’
প্রাবন্ধিক মফিদুল হক বলেন, গানের মধ্যেই তিনি জীবনের অর্থ খুঁজে পেয়েছেন। তিনি বাঙালি সংস্কৃতির মূর্ত প্রতীক। বাঙালি জাতির গর্ব। তিনি এটা অর্জন করেছেন। তিনি নিজের দিকে তাকাননি। বাঙালি সংস্কৃতির জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। বাংলা সংস্কৃতিতে একজন প্রধান ব্যক্তি হয়ে উঠেছিলেন।

শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে আরও শ্রদ্ধা জানান লাইসা আহমদ লিসা, শিবলী মহম্মদ, শামীম আরা নীপা, মিনু হক, চন্দনা মজুমদার, ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, নায়লা আজাদ নুপুর, ম হামিদ; অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম; মফিদুল হক, চিত্রশিল্পী মনিরুল ইসলাম; অদিতি মহসিন, ঝুনা চৌধুরী, প্রমুখ।
জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, কত্থক নৃত্য সম্প্রদায়, কহন বাচিক, সুরের ধারা, বাংলাদেশ রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা, বাংলা একাডেমিসহ নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন করে। ‘আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে’ এবং জাতীয় সংগীত সবাই মিলে গাওয়ার মাধ্যমে শেষ হয় ছায়ানটে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠান।
উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার বেলা ৩টা ১০ মিনিটের দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন ছায়ানটের সভাপতি সন্জীদা খাতুন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর।
সন্জীদা খাতুনের বাবা ড. কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন বিখ্যাত পরিসংখ্যানবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক। সন্জীদা খাতুন বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও সংগীতজ্ঞ। তিনি কাজী আনোয়ার হোসেনের বোন এবং রবীন্দ্রসংগীত বিশেষজ্ঞ ওয়াহিদুল হকের স্ত্রী।

ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন শেষে আজ বুধবার বেলা আড়াইটায় সন্জীদা খাতুনের কফিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয়। অশ্রু, গান, কবিতা ও ফুলে তাঁকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানো শেষে বিএসএমএমইউতে হিমঘরে নিয়ে রাখা হয়।
পরিবার সূত্র জানিয়েছে, তাঁর অনেক পরিবার-পরিজন দেশের বাইরে আছেন। তাঁরা ফিরলে দাফন নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
কিংবদন্তি সংস্কৃতিকর্মী সন্জীদা খাতুনকে শেষবারের মতো দেখতে শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়েছিলেন অনেকে। সংস্কৃতিকর্মী, সাংবাদিক, শিল্পী, ঢাবির শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষ জড়ো হয়েছিলেন সেখানে। ফুল হাতে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে তাঁরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
এ সময় ‘আমার প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে’সহ বেশ কয়েকটি গান পরিবেশন করেছেন শিল্পীরা। শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে ছায়ানটের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসা অশ্রুসিক্ত হয়ে সন্জীদা খাতুনের জন্য প্রার্থনা কামনা করেন। এ সময় তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা মৃত্যুর গান ‘আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে’ পরিবেশন করেন।
সন্জীদা খাতুনের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), মণি সিংহ-ফরহাদ স্মৃতি ট্রাস্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, উদীচী, বাংলাদেশ নজরুল সংগীত সংস্থা, কণ্ঠশীলনসহ আরও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন।
সন্জীদা খাতুনকে শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে গিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। তিনি বলেন, ‘তিনি (সন্জীদা খাতুন) সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যে অবদান রেখেছেন, তা অত্যন্ত কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি। তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্য দিয়ে তাঁর ঐতিহ্য রেখে যাবেন।’

শ্রদ্ধা জানাতে আরও এসেছিলেন অভিনেতা–নির্দেশক তারিক আনাম খান, নৃত্যশিল্পী শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেতা ঝুনা চৌধুরী, অভিনেত্রী আফসানা মিমি, সংগীতশিল্পী ফারহিন খান জয়িতাসহ অনেকে।
এর আগে বুধবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তাঁর প্রাণের ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনে নেওয়া হয় নিথর দেহ। বেলা সাড়ে ১১টার দিকেই তাঁকে শেষবিদায় জানাতে ছায়ানটে হাজির হতে থাকেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। সেখানে অশ্রুসিক্ত হয়ে তাঁকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান তাঁরা।
সন্জীদা খাতুনকে শেষবারের মতো দেখতে সকাল থেকে ছায়ানট ভবনে আসতে শুরু করেন সঙ্গীতপ্রেমীসহ নানা অঙ্গনের মানুষ। এ সময় রবীন্দ্রসংগীত ‘আমার মুক্তি আলোয় আলোয়’ পরিবেশন করেন শিক্ষার্থীরা। ফুলেল শ্রদ্ধায় ভরে ওঠে সন্জীদা খাতুনের মরদেহ রাখার বেদি। একে একে প্রত্যেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, পাশাপাশি চলতে থাকে সংগীত পরিবেশন।

ছায়ানটের সহসভাপতি খায়রুল আনাম শাকিল বলেন, বাঙালি সংস্কৃতি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করেছেন সন্জীদা খাতুন। এই সমাজে যা ঘটছে, যে অরাজকতা চলছে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতেন। সব সময় বলতেন, আমরা যে বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছি, তা কি পারছি। দেশের অরাজকতা নিয়ে তিনি সব সময় দুশ্চিন্তা করতেন। এ কথা সত্যি, একটা যুগের অবসান হলো।
নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের সময়ে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে উজ্জ্বল মানুষ ছিলেন সন্জীদা খাতুন। তিনি সব সময় তাঁর আদর্শে অটুট ছিলেন। বিন্দুমাত্র আপস তিনি করেননি।’
প্রাবন্ধিক মফিদুল হক বলেন, গানের মধ্যেই তিনি জীবনের অর্থ খুঁজে পেয়েছেন। তিনি বাঙালি সংস্কৃতির মূর্ত প্রতীক। বাঙালি জাতির গর্ব। তিনি এটা অর্জন করেছেন। তিনি নিজের দিকে তাকাননি। বাঙালি সংস্কৃতির জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। বাংলা সংস্কৃতিতে একজন প্রধান ব্যক্তি হয়ে উঠেছিলেন।

শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে আরও শ্রদ্ধা জানান লাইসা আহমদ লিসা, শিবলী মহম্মদ, শামীম আরা নীপা, মিনু হক, চন্দনা মজুমদার, ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, নায়লা আজাদ নুপুর, ম হামিদ; অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম; মফিদুল হক, চিত্রশিল্পী মনিরুল ইসলাম; অদিতি মহসিন, ঝুনা চৌধুরী, প্রমুখ।
জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, কত্থক নৃত্য সম্প্রদায়, কহন বাচিক, সুরের ধারা, বাংলাদেশ রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা, বাংলা একাডেমিসহ নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন করে। ‘আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে’ এবং জাতীয় সংগীত সবাই মিলে গাওয়ার মাধ্যমে শেষ হয় ছায়ানটে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠান।
উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার বেলা ৩টা ১০ মিনিটের দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন ছায়ানটের সভাপতি সন্জীদা খাতুন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর।
সন্জীদা খাতুনের বাবা ড. কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন বিখ্যাত পরিসংখ্যানবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক। সন্জীদা খাতুন বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও সংগীতজ্ঞ। তিনি কাজী আনোয়ার হোসেনের বোন এবং রবীন্দ্রসংগীত বিশেষজ্ঞ ওয়াহিদুল হকের স্ত্রী।

সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
‘বিটিআরসির এনইআইআর সিস্টেমে আমার এনআইডির বিপরীতে ৫২টা ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। এতগুলো ফোন কীভাবে আমার নামে নিবন্ধিত হয়! আমার ও পরিবারের সদস্যদের ধরলে মোট ৫-৭টা হতে পারে। তাই বলে ৫২টা?
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪টি আসনে ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে