নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর পূর্বাচলে রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক ও ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন পরোয়ানা জারির এই পৃথক পৃথক নির্দেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আদালতের প্রসিকিউশন কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিন মামলায় শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। ২৭ এপ্রিল গ্রেপ্তারি পরোয়ানার পরবর্তী প্রতিবেদনের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।
নিজের এবং স্বজনদের নামে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ১২ , ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি দুদক এই মামলাগুলো দায়ের করে। এর মধ্যে চারটিতে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলো।
মামলার প্রত্যেকটিতে শেখ হাসিনাকে আসামি করা হয়েছে। অন্যান্য মামলায় বিভিন্নজনকে আসামি করা হয়। তবে ১৩ জন সরকারি কর্মকর্তা প্রত্যেকেই শেখ হাসিনার সঙ্গে ছয় মামলার আসামি।
এর আগে ২৫ মার্চ, দুদক তিন মামলায় হাসিনা, রেহানা, টিউলিপ, রাদওয়ান, আজমিনা এবং ১৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। হাসিনা, রেহানা, টিউলিপ এবং আরও ১৪ জনকে একটি অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং শেখ হাসিনা, রাদওয়ান, টিউলিপ এবং আরও ১৫ জনকে দ্বিতীয় অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অন্য একটি অভিযোগপত্রে হাসিনা, আজমিনা, টিউলিপ এবং আরও ১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
আরেক অভিযোগপত্রে তিন মামলায় শেখ হাসিনাসহ ২৩ জনকে পলাতক দেখানো হয়েছে।
দুদকের নথি অনুসারে, শেখ হাসিনা রাজউক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে নিজের জন্য, বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং শেখ রেহানার ছেলেমেয়েদের জন্য তথ্য গোপন করে প্লট বরাদ্দ নিয়েছিলেন।
আরও যাঁদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে—রাজউকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার; সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার ও কাজী ওয়ানি উদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মো. অলিউল্লাহ, আবাসন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের একান্ত সহকারী শাহিদ উল্লাহ খন্দকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী আনিসুর রহমান মিয়া, রাজউকের সদস্য মো. খুরশিদ আলম, তন্ময় দাস, মো. নাসির উদ্দিন, সাবেক সদস্য মেজর (অব.) শামসুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মো. মাজহারুল ইসলাম; সহকারী পরিচালক ফারিয়া সুলতানা, নায়েব আলী শরীফ; উপপরিচালক কামরুল ইসলাম, পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলাম এবং মো. নুরুল ইসলাম, সদস্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব মোহাম্মদ এবং সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

রাজধানীর পূর্বাচলে রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক ও ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন পরোয়ানা জারির এই পৃথক পৃথক নির্দেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আদালতের প্রসিকিউশন কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিন মামলায় শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। ২৭ এপ্রিল গ্রেপ্তারি পরোয়ানার পরবর্তী প্রতিবেদনের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।
নিজের এবং স্বজনদের নামে প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ১২ , ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি দুদক এই মামলাগুলো দায়ের করে। এর মধ্যে চারটিতে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলো।
মামলার প্রত্যেকটিতে শেখ হাসিনাকে আসামি করা হয়েছে। অন্যান্য মামলায় বিভিন্নজনকে আসামি করা হয়। তবে ১৩ জন সরকারি কর্মকর্তা প্রত্যেকেই শেখ হাসিনার সঙ্গে ছয় মামলার আসামি।
এর আগে ২৫ মার্চ, দুদক তিন মামলায় হাসিনা, রেহানা, টিউলিপ, রাদওয়ান, আজমিনা এবং ১৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। হাসিনা, রেহানা, টিউলিপ এবং আরও ১৪ জনকে একটি অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং শেখ হাসিনা, রাদওয়ান, টিউলিপ এবং আরও ১৫ জনকে দ্বিতীয় অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অন্য একটি অভিযোগপত্রে হাসিনা, আজমিনা, টিউলিপ এবং আরও ১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
আরেক অভিযোগপত্রে তিন মামলায় শেখ হাসিনাসহ ২৩ জনকে পলাতক দেখানো হয়েছে।
দুদকের নথি অনুসারে, শেখ হাসিনা রাজউক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে নিজের জন্য, বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং শেখ রেহানার ছেলেমেয়েদের জন্য তথ্য গোপন করে প্লট বরাদ্দ নিয়েছিলেন।
আরও যাঁদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে—রাজউকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার; সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার ও কাজী ওয়ানি উদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মো. অলিউল্লাহ, আবাসন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের একান্ত সহকারী শাহিদ উল্লাহ খন্দকার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী আনিসুর রহমান মিয়া, রাজউকের সদস্য মো. খুরশিদ আলম, তন্ময় দাস, মো. নাসির উদ্দিন, সাবেক সদস্য মেজর (অব.) শামসুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মো. মাজহারুল ইসলাম; সহকারী পরিচালক ফারিয়া সুলতানা, নায়েব আলী শরীফ; উপপরিচালক কামরুল ইসলাম, পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলাম এবং মো. নুরুল ইসলাম, সদস্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব মোহাম্মদ এবং সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোটের বিষয়ে সারা দেশে প্রচার চালানো হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু এই প্রচার যেন নামকাওয়াস্তে। প্রচারকাজে অংশ নেওয়া ভোটের গাড়ি সুপার ক্যারাভান শুধু শহর এলাকাতেই ঘুরছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এসব গাড়ি না যাওয়ায় বেশির ভাগ ভোটার এই প্রচারণার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল সংক্রান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ১২২টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। মঙ্গলবার ইসির আইন শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মাইনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
৮ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা ও সামাজিক বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বক্তারা। তাঁদের মতে, এই ঝুঁকি মোকাবিলায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ, সক্ষমতা—এমনকি সদিচ্ছারও ঘাটতি স্পষ্ট।
৯ ঘণ্টা আগে
শুনানি শেষে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হককে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে আবেদন করেন তাঁদের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। অন্যদিকে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
১০ ঘণ্টা আগে