নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

এ বছর শারদীয় দুর্গাপূজায় মণ্ডপের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় এক হাজার বেড়েছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসংখ্যা বেড়েছে।
আজ রোববার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এ বছর সারা দেশে পূজামণ্ডপের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৩৫৫; যা গত বছরের চেয়ে প্রায় এক হাজার বেশি। দুর্গাপূজার মণ্ডপের নিরাপত্তায় ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিটি পূজামণ্ডপে আনসার সদস্যরা নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। আগামী ২ অক্টোবর দশমী (প্রতিমা বিসর্জনের দিন) পর্যন্ত মোট ৯ দিন সারা দেশে ২ লাখ ৩ হাজার ৫৬৪ জন আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এ ছাড়া দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারা দেশে প্রায় এক লাখ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য কাজ করছেন। অপর দিকে সারা দেশে ৭০ হাজার পুলিশ ও ৪৩০ প্লাটুন বিজিবি পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করছে।
উপদেষ্টা বলেন, প্রতিটি পূজামণ্ডপে মণ্ডপ কমিটির সাতজন সদস্য পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন। দুর্গাপূজা উপলক্ষে মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবীদের সহজে শনাক্তকরণের জন্য পুলিশ, আনসারসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতিটি পূজামণ্ডপের কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য স্বেচ্ছাসেবীদের এনটিএমসির অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ছাত্র ও জনগণকে অন্তর্ভুক্ত করে মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুলিশসহ অন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল পরিচালনা করছেন। তা ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ মন্দির ও পূজামণ্ডপের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার জন্য দুষ্কৃতকারী ও গুজব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধ করে জনসমক্ষে সঠিক ও স্পষ্ট বার্তা প্রচারের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, ‘কিছুসংখ্যক ফ্যাসিস্টের দোসর পূজায় শঙ্কার কথা বলছে। আমি ইতিমধ্যে অনেকগুলো পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছি।’
তিনি এবার দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে, নিরাপদে ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে সংঘটিত ঘটনা, রাকসু ও চাকসু নির্বাচন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন, মিয়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা বিশেষ করে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সভায় আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বছর শারদীয় দুর্গাপূজায় মণ্ডপের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় এক হাজার বেড়েছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসংখ্যা বেড়েছে।
আজ রোববার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এ বছর সারা দেশে পূজামণ্ডপের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৩৫৫; যা গত বছরের চেয়ে প্রায় এক হাজার বেশি। দুর্গাপূজার মণ্ডপের নিরাপত্তায় ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিটি পূজামণ্ডপে আনসার সদস্যরা নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। আগামী ২ অক্টোবর দশমী (প্রতিমা বিসর্জনের দিন) পর্যন্ত মোট ৯ দিন সারা দেশে ২ লাখ ৩ হাজার ৫৬৪ জন আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এ ছাড়া দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারা দেশে প্রায় এক লাখ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য কাজ করছেন। অপর দিকে সারা দেশে ৭০ হাজার পুলিশ ও ৪৩০ প্লাটুন বিজিবি পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করছে।
উপদেষ্টা বলেন, প্রতিটি পূজামণ্ডপে মণ্ডপ কমিটির সাতজন সদস্য পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন। দুর্গাপূজা উপলক্ষে মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবীদের সহজে শনাক্তকরণের জন্য পুলিশ, আনসারসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতিটি পূজামণ্ডপের কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য স্বেচ্ছাসেবীদের এনটিএমসির অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ছাত্র ও জনগণকে অন্তর্ভুক্ত করে মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুলিশসহ অন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল পরিচালনা করছেন। তা ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ মন্দির ও পূজামণ্ডপের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার জন্য দুষ্কৃতকারী ও গুজব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধ করে জনসমক্ষে সঠিক ও স্পষ্ট বার্তা প্রচারের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, ‘কিছুসংখ্যক ফ্যাসিস্টের দোসর পূজায় শঙ্কার কথা বলছে। আমি ইতিমধ্যে অনেকগুলো পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছি।’
তিনি এবার দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে, নিরাপদে ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে সংঘটিত ঘটনা, রাকসু ও চাকসু নির্বাচন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন, মিয়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা বিশেষ করে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সভায় আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদির ভাই ওমর বিন হাদিকে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে অবস্থিত বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
৩৪ মিনিট আগে
আদিলুর রহমান খান বলেন, এত দিন যে অন্যায় হয়েছে, সেই অন্যায় আর হতে দেওয়া হবে না। গণ-অভ্যুত্থানের সরকারের উদ্যোগে জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে। সেই সনদের বিষয়ে সবার সম্মতি নিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, ‘যাঁরা বাংলাদেশকে বদলাতে চান, বাংলাদেশকে সমৃদ্ধিশালী করতে চান...
১ ঘণ্টা আগে
গণভোট নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘যাঁরা গণভোট নিয়ে সমালোচনা করছেন, তাঁদের জানার পরিধি কম। কারণ, পৃথিবীর যে সমস্ত দেশে গণভোট হয়েছে, সেখানে সরকার গণভোটে হ্যাঁ অথবা না-এর পক্ষ নিয়ে থাকে। যেহেতু এই সরকার সংস্কারের পক্ষে, তাই হ্যাঁ ভোটের পক্ষে কথা বলছে।
১ ঘণ্টা আগে
হিজরি সালের রজব মাসের ২৬ তারিখ রাতে আল্লাহর প্রিয় হাবিব নবী ও রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহ রব্বুল আলামিনের দিদার লাভ করেছিলেন। মহান আল্লাহর মেহমান হিসেবে আরশে আজিমে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নিয়ে তিনি দুনিয়াতে ফিরে এসেছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে