নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পাকিস্তান, ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তান ও ইস্ট পাকিস্তান শব্দ যুক্ত আছে এমন আইনের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট। আর তালিকা করতে ৩০ দিনের মধ্যে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে কমিটিকে বলা হয়েছে ৬০ দিনের মধ্যে তালিকা জমা দিতে।
আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক সচিবকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৮ মে) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মুহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীর বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
এ ছাড়া আইন অনুসারে দেশের প্রচলিত আইন থেকে পাকিস্তান, ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তান ও ইস্ট পাকিস্তান শব্দ বাদ দিতে নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মাসুদ ও আইনজীবী কামরুল ইসলাম। এর আগে রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী মো. রবিউল আলম।
আইনজীবী কামরুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাধীনের পর পাকিস্তান আমলের প্রচলিত আইনগুলো অ্যাডাপ্ট করা হয়। তবে ১৯৭৩ সালে করা রিভিশন ও ডিক্লারেশন অ্যাক্টে পাকিস্তান, ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তান ও ইস্ট পাকিস্তান শব্দগুলো বাদ দিতে বলা হয়। তবে অনেক আইনে এখনো শব্দগুলো রয়ে গেছে।’
এর মধ্যে দ্য ক্যাটল (প্রিভেনশন অব ট্রেসপাস) অর্ডিন্যান্স, ১৯৫৯; দ্য ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১; দ্য এগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১; দ্য এগ্রিকালচারাল পেস্টস অর্ডিন্যান্স, ১৯৬২; দ্য ইনডিসেন্ট অ্যাডভার্টাইজমেন্টস প্রহিবিশন অ্যাক্ট, ১৯৬৩; দ্য সেন্সরশিপ অব ফিল্মস অ্যাক্ট, ১৯৬৩; দ্য পাইলটেজ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এবং দ্য গভর্নমেন্ট লোকাল অথরিটি ল্যান্ডস অ্যান্ড বিল্ডিংস (রিকভারি অব পজেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৭০ উল্লেখযোগ্য বলে জানান কামরুল ইসলাম।

পাকিস্তান, ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তান ও ইস্ট পাকিস্তান শব্দ যুক্ত আছে এমন আইনের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট। আর তালিকা করতে ৩০ দিনের মধ্যে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে কমিটিকে বলা হয়েছে ৬০ দিনের মধ্যে তালিকা জমা দিতে।
আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক সচিবকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৮ মে) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মুহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীর বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
এ ছাড়া আইন অনুসারে দেশের প্রচলিত আইন থেকে পাকিস্তান, ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তান ও ইস্ট পাকিস্তান শব্দ বাদ দিতে নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মাসুদ ও আইনজীবী কামরুল ইসলাম। এর আগে রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী মো. রবিউল আলম।
আইনজীবী কামরুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাধীনের পর পাকিস্তান আমলের প্রচলিত আইনগুলো অ্যাডাপ্ট করা হয়। তবে ১৯৭৩ সালে করা রিভিশন ও ডিক্লারেশন অ্যাক্টে পাকিস্তান, ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তান ও ইস্ট পাকিস্তান শব্দগুলো বাদ দিতে বলা হয়। তবে অনেক আইনে এখনো শব্দগুলো রয়ে গেছে।’
এর মধ্যে দ্য ক্যাটল (প্রিভেনশন অব ট্রেসপাস) অর্ডিন্যান্স, ১৯৫৯; দ্য ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১; দ্য এগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১; দ্য এগ্রিকালচারাল পেস্টস অর্ডিন্যান্স, ১৯৬২; দ্য ইনডিসেন্ট অ্যাডভার্টাইজমেন্টস প্রহিবিশন অ্যাক্ট, ১৯৬৩; দ্য সেন্সরশিপ অব ফিল্মস অ্যাক্ট, ১৯৬৩; দ্য পাইলটেজ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এবং দ্য গভর্নমেন্ট লোকাল অথরিটি ল্যান্ডস অ্যান্ড বিল্ডিংস (রিকভারি অব পজেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৭০ উল্লেখযোগ্য বলে জানান কামরুল ইসলাম।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে অতীতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে চায় পুলিশ। কিন্তু ভোটের দিন স্বাধীন ও চাপমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি না, তা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের ভীতি-শঙ্কা।
৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল সোমবার জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৬ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি কয়েকটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে