নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রেলে দুর্নীতির বিষয়ে রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম বলেন, ‘কোনো সংস্থাই চায় না সেই সংস্থার মধ্যে দুর্নীতি থাকুক। আমরাও চাই না দুর্নীতি রেলের মধ্যে থাকুক। কেনাকাটায় সব জায়গাতেই কিছু না কিছু...অনেক বড় বড় জায়গায়ও হয়ে থাকে। সেই ক্ষেত্রে রেল অনেক ছোট জায়গা।’ আজ বুধবার ঢাকা রেলস্টেশনে ট্রেনে ঈদযাত্রা পরিদর্শন করতে এসে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
জিল্লুল হাকিম বলেন, ‘অনেক নামীদামি জায়গাতেও ক্রয়ের ক্ষেত্রে কিছুটা দুর্নীতি থাকে। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি যেন আমাদের রেলে কোনো ধরনের এ রকম কিছু না থাকে। আমরা চেষ্টা করব সব রকম দুর্নীতি বন্ধ করতে।’
জিল্লুল হাকিম বলেন, ‘রেলের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কোচ আমদানি করা হচ্ছে। লোকোমোটিভ আমদানির ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা ২০০ বগি আমদানির জন্য অনুমোদন পেয়েছি। আমরা আশা করি এক বছরের মধ্যে ৭০০ থেকে ৮০০ কোচ এবং ইঞ্জিন আমদানি করে ট্রেনে যাত্রী পরিবহনের ক্ষমতা এবং মাল পরিবহনের সক্ষমতা বাড়াতে পারব।’
রেলমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন এবার যাত্রীরা যেন ঈদে নিরাপদে বাড়িতে গিয়ে ঈদ করতে পারে, সে জন্য আমাদের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। এখানে আমরা ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা করেছি। বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছি। যারা আসন পাবেন না তারা যেন অন্তত দাঁড়িয়ে যেতে পারেন, সে জন্য আলাদা টিকিটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদে যত লোক বাড়িতে যাবে, তাদের সবাইকে তো আমাদের পক্ষে পাঠানো সম্ভব নয়।’
টিকিট কালোবাজারি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এবার ঈদে কালোবাজারিরা যেন টিকিট নিতে না পারে, সে জন্য আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। এসব ব্যবস্থা কিন্তু যাত্রীদের কল্যাণের জন্য। নিরাপত্তা রক্ষার জন্য আমাদের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী আছে, র্যাব, পুলিশসহ সরকারি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের সহযোগিতা করছে। আমরা আমাদের চেষ্টার ত্রুটি রাখি নাই। সাধ্যমতো আমরা আমাদের প্রস্তুতি নিয়েছি।’

রেলে দুর্নীতির বিষয়ে রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম বলেন, ‘কোনো সংস্থাই চায় না সেই সংস্থার মধ্যে দুর্নীতি থাকুক। আমরাও চাই না দুর্নীতি রেলের মধ্যে থাকুক। কেনাকাটায় সব জায়গাতেই কিছু না কিছু...অনেক বড় বড় জায়গায়ও হয়ে থাকে। সেই ক্ষেত্রে রেল অনেক ছোট জায়গা।’ আজ বুধবার ঢাকা রেলস্টেশনে ট্রেনে ঈদযাত্রা পরিদর্শন করতে এসে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
জিল্লুল হাকিম বলেন, ‘অনেক নামীদামি জায়গাতেও ক্রয়ের ক্ষেত্রে কিছুটা দুর্নীতি থাকে। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি যেন আমাদের রেলে কোনো ধরনের এ রকম কিছু না থাকে। আমরা চেষ্টা করব সব রকম দুর্নীতি বন্ধ করতে।’
জিল্লুল হাকিম বলেন, ‘রেলের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কোচ আমদানি করা হচ্ছে। লোকোমোটিভ আমদানির ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা ২০০ বগি আমদানির জন্য অনুমোদন পেয়েছি। আমরা আশা করি এক বছরের মধ্যে ৭০০ থেকে ৮০০ কোচ এবং ইঞ্জিন আমদানি করে ট্রেনে যাত্রী পরিবহনের ক্ষমতা এবং মাল পরিবহনের সক্ষমতা বাড়াতে পারব।’
রেলমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন এবার যাত্রীরা যেন ঈদে নিরাপদে বাড়িতে গিয়ে ঈদ করতে পারে, সে জন্য আমাদের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। এখানে আমরা ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা করেছি। বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছি। যারা আসন পাবেন না তারা যেন অন্তত দাঁড়িয়ে যেতে পারেন, সে জন্য আলাদা টিকিটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদে যত লোক বাড়িতে যাবে, তাদের সবাইকে তো আমাদের পক্ষে পাঠানো সম্ভব নয়।’
টিকিট কালোবাজারি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এবার ঈদে কালোবাজারিরা যেন টিকিট নিতে না পারে, সে জন্য আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। এসব ব্যবস্থা কিন্তু যাত্রীদের কল্যাণের জন্য। নিরাপত্তা রক্ষার জন্য আমাদের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী আছে, র্যাব, পুলিশসহ সরকারি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের সহযোগিতা করছে। আমরা আমাদের চেষ্টার ত্রুটি রাখি নাই। সাধ্যমতো আমরা আমাদের প্রস্তুতি নিয়েছি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাওয়া প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তাঁদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করা যাবে।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়া পর পোস্টাল ব্যালটে ছবি বা ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করতে অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ছবি বা ভিডিও শেয়ার করলে সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভোটারের এনআইডি ব্লক করাসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে ইসি।
৪ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ঢাকা জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম এই ঘোষণা দেন। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন তাসনিম জারা।
৯ ঘণ্টা আগে
সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে