
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তে গত ফেব্রুয়ারিতে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল অংশ নেয়নি। তদন্ত কমিটির এমন প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকে এ নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। এরই মধ্যে ‘টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: কেন ভারতে যাইনি?’ শিরোনামে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ব্যখ্যা দিয়ে পোস্ট করেছেন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
আজ মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে ফেসবুকে পোস্টটি করেন আসিফ নজরুল। পাঠকদের সুবিধার্থে সাবেক এ উপদেষ্টার পোস্টটি তুলে ধরা হলো—
‘ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলতে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি তখনকার ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে মূলত আমারই ছিল। আমি নিজেই এ কথা একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছি। তাই এতোদিন পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিষয়টি তদন্ত করে তা প্রকাশের কি এমন কারণ ঘটলো বুঝলাম না।’
‘ঘটনার সূত্রপাত উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের চাপের মুখে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে মুস্তাফিজকে আইপিএল থেকে অপমানজনকভাবে বাদ দেওয়া থেকে। এর পরপরই আমরা নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা এবং বাংলাদেশের প্রতি অবমাননার প্রতিবাদে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার বিষয়ে অনীহা জানাই।’
‘আমাদের আশঙ্কা যে অমূলক ছিল না, আইসিসির প্রথম রিপোর্টেই তার স্বীকৃতি ছিল। সেখানে ভারতে নিরাপত্তা-আশঙ্কার তিনটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছিল—বিশ্বকাপের দলে মুস্তাফিজ থাকলে, বাংলাদেশের সমর্থকরা মুক্তভাবে ঘোরাফেরা করলে এবং বাংলাদেশে নির্বাচন এগিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে। বিবিসি বাংলা ওই রিপোর্টের হুবহু বাংলা অনুবাদও প্রকাশ করেছিল।’
তৎকালীন ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এ উপদেষ্টা আরও লিখেছেন, ‘এই পরিস্থিতিতে আমরা ভারতে খেলতে যাব কেন?’

‘আমরা শেষ পর্যন্ত অন্য কোনো ভেন্যুতে বিশ্বকাপ খেলার জন্য বহু চেষ্টা করেছি। কোনো কোনো দেশ থেকে সমর্থনও পেয়েছিলাম। কিন্তু সম্ভবত আইসিসির নেতৃত্বে ভারতীয়দের আধিপত্যে থাকার কারণে শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমাদেরকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কোনো যোগাযোগ করা হয়নি।’
‘আমাদের সিদ্ধান্তের পেছনে তিনটি বিষয় ছিল অত্যন্ত পরিষ্কার—দেশের মর্যাদা, আমাদের ক্রিকেটার-সাংবাদিক-সমর্থকদের নিরাপত্তা এবং আগামী নির্বাচনের আগে দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা।’
‘সে সময় বলা হয়েছিল, বিশ্বকাপ না খেললে বিদেশি দলগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের খেলা বন্ধ হয়ে যাবে। আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের নানা উদ্যোগে সেই আশঙ্কাও শেষ পর্যন্ত দূর হয়েছিল।’
আসিফ নজরুল আরও লিখছেন, ‘আমি মনে করি, আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’
‘একটি ছোট দেশ বলে কেউ আমাদের ইচ্ছেমতো অপমান করবে, আর আমরা সবসময় তা মুখ বুঝে মেনে নিবো এমন প্রত্যাশা করা ঠিক নয়। আমি সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সাথে বন্ধুত্বে বিশ্বাসী। মাথা নত করে সব মেনে নেয়াতে না।’

দেশে পরিচালিত অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পেজগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
১ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে এসেছে। এখন গণতন্ত্রকে রক্ষা করা হবে আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ, সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। সরকারি ও বিরোধী দল উভয়েরই দায়িত্ব গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা এবং সংসদকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করা।
২ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনীতে আপত্তি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা। তাঁদের আশঙ্কা, এই আইন বিরোধী মতকে দমনের হাতিয়ার হতে পারে। দলটির পক্ষ থেকে অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের চেয়ারম্যান বরাবর জনস্বার্থে এই নোটিশ পাঠান।
২ ঘণ্টা আগে