নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে রাজধানীর দুটি থানার পৃথক আরও তিন মামলায় সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যসহ আটজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান তাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, আমির হোসেন আমু, মো. আব্দুর রাজ্জাক, রাশেদ খান মেনন ও হাসানুল হক ইনু; সাবেক সংসদ সদস্য সায়েদুল হক সুমন ও কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এবং নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার।
মামলাগুলোর মধ্যে যাত্রাবাড়ী থানার রিয়াজ হত্যা মামলায় আনিসুল, আমু, আব্দুর রাজ্জাক, মেনন, ইনু, সুমন ও মনুকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এ ছাড়া একই থানার জুবাইদ ইসলাম হত্যা মামলায় মনুকে ও ভাটারা থানার নাঈম হাসান নিলয় হত্যাচেষ্টা মামলায় নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আজ এই আট আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে যাত্রাবাড়ী থানার শহীদ ফারুক রোডে আন্দোলনে অংশ নেন মো. রিয়াজ। সেদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় এ বছরের ২২ জুলাই যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন নিহতের বোন ফারজানা বেগম।
নজরুল ইসলামের মামলা সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই বিকেলে ভাটারার নতুন বাজারে ফরাজী হাসপাতালের সামনে মিছিলে অংশ নেন নাঈম হাসান নিলয় (১৯)। সে সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়ে গত বছরের ১৪ অক্টোবর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৭৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন নিলয়।
অন্যদিকে মনিরুল ইসলাম মনুর মামলার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২০ জুলাই যাত্রাবাড়ী থানাধীন শনির আখড়া এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেন জুবাইদ ইসলাম। সন্ধ্যা ৭টার দিকে আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি নিহত হন।
এ ঘটনায় এ বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে রাজধানীর দুটি থানার পৃথক আরও তিন মামলায় সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যসহ আটজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান তাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, আমির হোসেন আমু, মো. আব্দুর রাজ্জাক, রাশেদ খান মেনন ও হাসানুল হক ইনু; সাবেক সংসদ সদস্য সায়েদুল হক সুমন ও কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এবং নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার।
মামলাগুলোর মধ্যে যাত্রাবাড়ী থানার রিয়াজ হত্যা মামলায় আনিসুল, আমু, আব্দুর রাজ্জাক, মেনন, ইনু, সুমন ও মনুকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এ ছাড়া একই থানার জুবাইদ ইসলাম হত্যা মামলায় মনুকে ও ভাটারা থানার নাঈম হাসান নিলয় হত্যাচেষ্টা মামলায় নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আজ এই আট আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে যাত্রাবাড়ী থানার শহীদ ফারুক রোডে আন্দোলনে অংশ নেন মো. রিয়াজ। সেদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় এ বছরের ২২ জুলাই যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন নিহতের বোন ফারজানা বেগম।
নজরুল ইসলামের মামলা সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই বিকেলে ভাটারার নতুন বাজারে ফরাজী হাসপাতালের সামনে মিছিলে অংশ নেন নাঈম হাসান নিলয় (১৯)। সে সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়ে গত বছরের ১৪ অক্টোবর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৭৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন নিলয়।
অন্যদিকে মনিরুল ইসলাম মনুর মামলার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২০ জুলাই যাত্রাবাড়ী থানাধীন শনির আখড়া এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেন জুবাইদ ইসলাম। সন্ধ্যা ৭টার দিকে আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি নিহত হন।
এ ঘটনায় এ বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা হয়।

দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান বলেছেন, নির্বাচিত সরকার এলেই সাংবাদিকেরা সব পেয়ে যাবেন, এমন ভাবার কারণ নেই। আজ শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে গণমাধ্যম সম্মিলনে তিনি এসব কথা বলেন।
১ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে আক্রমণ বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভাপতি এবং ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর।
২ ঘণ্টা আগে
মতপ্রকাশ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর সংগঠিত হামলার প্রতিবাদে এবং সাংবাদিকতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান জানাতে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে শুরু হয়েছে গণমাধ্যম সম্মিলন-২০২৬।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আজ শনিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘গণমাধ্যম সম্মিলন ২০২৬’। নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এবং সম্পাদক পরিষদ আয়োজিত এই সম্মিলনটি কেবল সাংবাদিকদের একটি সমাবেশ নয়, বরং বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার বৃহত্তর লড়াই।
৩ ঘণ্টা আগে