নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বিভিন্ন পদে ৫ হাজার ৮৯৩টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৩ হাজার ৭২৯ জন। বর্তমানে শূন্য পদের সংখ্যা দুই হাজার ১৬৪ জন। সেই হিসাবে এক-তৃতীয়াংশ পদ শূন্য রয়েছে।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। এ বৈঠকে বিআরটিসির কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়—অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী বিআরটিসির অনুমোদিত পদ ছয় হাজার ৫১৭টি হলেও গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে ৬২৪টি পদ বিলুপ্ত হয়েছে। বিআরটিসিতে বর্তমানে প্রথম শ্রেণির ১২৪টি পদের মধ্যে কর্মরত ৮১ জন, শূন্য পদ ৪৩ টি; দ্বিতীয় শ্রেণির ৬৪টি পদের মধ্যে কর্মরত ৪৪ জন, শূন্য পদ ২০ টি; তৃতীয় শ্রেণির ৫ হাজার ১৫৯টি পদের মধ্যে কর্মরত তিন হাজার ৪৪৬ জন, শূন্য পদ এক হাজার ৭১৩টি এবং চতুর্থ শ্রেণির ৫৪৬টি পদের মধ্যে কর্মরত ১৫৮ জন, শূন্য পদ ৩৮৮ টি।
বিআরটিএর প্রতিবেদন অনুযায়ী—১৯৮৭ সালে নিবন্ধিত মোটরযানের সংখ্যা ছিল এক লাখ ৭৫ হাজার। বর্তমানে রেজিস্ট্রেশনকৃত মোটরযানের সংখ্যা ৫৯ লাখ ৯০ হাজার ৯০৪ টি। ২০২২-২৩ অর্থ বছরের তথ্য অনুযায়ী বিআরটিসির এক হাজার ২১৭টি সচল বাস রয়েছে। মেরামতে রয়েছে ১৭৪টি এবং নিলামে বিক্রি বাসের সংখ্যা ২৫২ টি। রাজনৈতিক সহিংসতায় ২০২১ ও ২০২২ সালে দুটি করে এবং ২০২৩ সালে বিআরটিসির ১০টি বাস পোড়ানো হয়। এ ছাড়া ২০২৩ সালে ৭টি বাস ভাঙচুর হয়। তিন বছরে রাজনৈতিক সহিংসতায় আর্থিক ক্ষতি হয় ২০ লাখ ১৫ হাজার ৭৬০ টাকা।
কমিটির সভাপতি রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিকের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন—কমিটির সদস্য ওবায়দুল কাদের, আবু জাহির, সেখ সালাহউদ্দিন, মুজিবুল হক, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল্লাহ-আল-কায়সার, মোহাম্মদ গোলাম ফারুক ও নাছিমা জামান ববি।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বিভিন্ন পদে ৫ হাজার ৮৯৩টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৩ হাজার ৭২৯ জন। বর্তমানে শূন্য পদের সংখ্যা দুই হাজার ১৬৪ জন। সেই হিসাবে এক-তৃতীয়াংশ পদ শূন্য রয়েছে।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। এ বৈঠকে বিআরটিসির কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়—অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী বিআরটিসির অনুমোদিত পদ ছয় হাজার ৫১৭টি হলেও গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে ৬২৪টি পদ বিলুপ্ত হয়েছে। বিআরটিসিতে বর্তমানে প্রথম শ্রেণির ১২৪টি পদের মধ্যে কর্মরত ৮১ জন, শূন্য পদ ৪৩ টি; দ্বিতীয় শ্রেণির ৬৪টি পদের মধ্যে কর্মরত ৪৪ জন, শূন্য পদ ২০ টি; তৃতীয় শ্রেণির ৫ হাজার ১৫৯টি পদের মধ্যে কর্মরত তিন হাজার ৪৪৬ জন, শূন্য পদ এক হাজার ৭১৩টি এবং চতুর্থ শ্রেণির ৫৪৬টি পদের মধ্যে কর্মরত ১৫৮ জন, শূন্য পদ ৩৮৮ টি।
বিআরটিএর প্রতিবেদন অনুযায়ী—১৯৮৭ সালে নিবন্ধিত মোটরযানের সংখ্যা ছিল এক লাখ ৭৫ হাজার। বর্তমানে রেজিস্ট্রেশনকৃত মোটরযানের সংখ্যা ৫৯ লাখ ৯০ হাজার ৯০৪ টি। ২০২২-২৩ অর্থ বছরের তথ্য অনুযায়ী বিআরটিসির এক হাজার ২১৭টি সচল বাস রয়েছে। মেরামতে রয়েছে ১৭৪টি এবং নিলামে বিক্রি বাসের সংখ্যা ২৫২ টি। রাজনৈতিক সহিংসতায় ২০২১ ও ২০২২ সালে দুটি করে এবং ২০২৩ সালে বিআরটিসির ১০টি বাস পোড়ানো হয়। এ ছাড়া ২০২৩ সালে ৭টি বাস ভাঙচুর হয়। তিন বছরে রাজনৈতিক সহিংসতায় আর্থিক ক্ষতি হয় ২০ লাখ ১৫ হাজার ৭৬০ টাকা।
কমিটির সভাপতি রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিকের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন—কমিটির সদস্য ওবায়দুল কাদের, আবু জাহির, সেখ সালাহউদ্দিন, মুজিবুল হক, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল্লাহ-আল-কায়সার, মোহাম্মদ গোলাম ফারুক ও নাছিমা জামান ববি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাছাইয়ের শেষ দিন গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশন বলেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে প্রমাণিত, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ। এসব ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহ
৭ ঘণ্টা আগে
আসন্ন গণভোটের বিষয়বস্তু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রচার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন রোববার (৪ জানুয়ারি) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—মূলত রাজনৈতিক কারণেই দেশে জোরপূর্বক গুমের ঘটনা ঘটেছে।
৯ ঘণ্টা আগে