বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

ভিন্ন প্রকৃতির তিনটি গ্রুপকে একীভূত করে বাংলাদেশ তথ্য সার্ভিস গঠনে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবে উদ্বেগ জানিয়েছে বিসিএস তথ্য-সাধারণ ক্যাডাররা। এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হলে তথ্য সার্ভিস একটি অকার্যকর সার্ভিসে পরিণত হতে পারে বলেও ধারণা করছেন তাঁরা।
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রস্তাবিত একীভূত তথ্য সার্ভিস গঠনের বিষয়ে আজ বুধবার বিসিএস ইনফরমেশন অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কমিশনের প্রতিবেদনে ভিন্ন প্রকৃতির সাধারণ, অনুষ্ঠান ও বার্তা গ্রুপকে একীভূত করে বাংলাদেশ তথ্য সার্ভিস নামে যে সার্ভিস গঠনের কথা বলা হয়েছে, তাতে এ ক্যাডারের সদস্যদের উদ্বেগের কারণ রয়েছে। গ্রুপ তিনটির কর্মপ্রকৃতি এতটাই ভিন্ন যে এগুলোকে কোনো একক সার্ভিসে একীভূত করা হলে তা একটি অকার্যকর সার্ভিসে পরিণত হতে পারে।
তথ্য-সাধারণ ক্যাডার কী কী কাজ করে সে বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা নিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিসিএস (তথ্য-সাধারণ) এবং বাংলাদেশ বেতারের অনুষ্ঠান ও বার্তা তিনটি গ্রুপের কম্পোজিশন, ক্যাডার রুলস্, রিক্রুটমেন্ট রুলস্, ক্যাডার তফসিল, পদ নাম ও পদসোপান, কার্যবণ্টন এবং পদোন্নতির যোগ্যতা, শর্তাবলি ও প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ আলাদা।
কমিশনের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ বেতারের অনুষ্ঠান ও বার্তা গ্রুপকে বিসিএস (সাধারণ তথ্য) ক্যাডারের সাব-ক্যাডার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ক্যাডারের নাম বিসিএস (তথ্য) এবং বিসিএসের (তথ্য-সাধারণ) একটি সাব-ক্যাডার।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিসিএস (তথ্য-সাধারণ) ক্যাডারের সঙ্গে বাংলাদেশ বেতারের কোনো অংশকে একীভূত করা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কাজের মান বৃদ্ধি, কর্মকর্তাদের কল্যাণ কিংবা জনস্বার্থ কোনোটির জন্যই যৌক্তিক বলে প্রতীয়মান হয় না।
‘বিদ্যমান বাস্তবতায় শুধু বিসিএস (তথ্য-সাধারণ) গ্রুপকে নিয়ে বাংলাদেশ তথ্য সার্ভিস করা যায়। পাশাপাশি প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের নামের সঙ্গে সংগতি রেখে বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য একটি স্বতন্ত্র সম্প্রচার সার্ভিস গঠন করা যেতে পারে।’

ভিন্ন প্রকৃতির তিনটি গ্রুপকে একীভূত করে বাংলাদেশ তথ্য সার্ভিস গঠনে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবে উদ্বেগ জানিয়েছে বিসিএস তথ্য-সাধারণ ক্যাডাররা। এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হলে তথ্য সার্ভিস একটি অকার্যকর সার্ভিসে পরিণত হতে পারে বলেও ধারণা করছেন তাঁরা।
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রস্তাবিত একীভূত তথ্য সার্ভিস গঠনের বিষয়ে আজ বুধবার বিসিএস ইনফরমেশন অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কমিশনের প্রতিবেদনে ভিন্ন প্রকৃতির সাধারণ, অনুষ্ঠান ও বার্তা গ্রুপকে একীভূত করে বাংলাদেশ তথ্য সার্ভিস নামে যে সার্ভিস গঠনের কথা বলা হয়েছে, তাতে এ ক্যাডারের সদস্যদের উদ্বেগের কারণ রয়েছে। গ্রুপ তিনটির কর্মপ্রকৃতি এতটাই ভিন্ন যে এগুলোকে কোনো একক সার্ভিসে একীভূত করা হলে তা একটি অকার্যকর সার্ভিসে পরিণত হতে পারে।
তথ্য-সাধারণ ক্যাডার কী কী কাজ করে সে বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা নিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিসিএস (তথ্য-সাধারণ) এবং বাংলাদেশ বেতারের অনুষ্ঠান ও বার্তা তিনটি গ্রুপের কম্পোজিশন, ক্যাডার রুলস্, রিক্রুটমেন্ট রুলস্, ক্যাডার তফসিল, পদ নাম ও পদসোপান, কার্যবণ্টন এবং পদোন্নতির যোগ্যতা, শর্তাবলি ও প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ আলাদা।
কমিশনের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ বেতারের অনুষ্ঠান ও বার্তা গ্রুপকে বিসিএস (সাধারণ তথ্য) ক্যাডারের সাব-ক্যাডার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ক্যাডারের নাম বিসিএস (তথ্য) এবং বিসিএসের (তথ্য-সাধারণ) একটি সাব-ক্যাডার।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিসিএস (তথ্য-সাধারণ) ক্যাডারের সঙ্গে বাংলাদেশ বেতারের কোনো অংশকে একীভূত করা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কাজের মান বৃদ্ধি, কর্মকর্তাদের কল্যাণ কিংবা জনস্বার্থ কোনোটির জন্যই যৌক্তিক বলে প্রতীয়মান হয় না।
‘বিদ্যমান বাস্তবতায় শুধু বিসিএস (তথ্য-সাধারণ) গ্রুপকে নিয়ে বাংলাদেশ তথ্য সার্ভিস করা যায়। পাশাপাশি প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের নামের সঙ্গে সংগতি রেখে বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য একটি স্বতন্ত্র সম্প্রচার সার্ভিস গঠন করা যেতে পারে।’

বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পরিকল্পনায় গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি থেকে লোক এনে বিএনএম গঠনের চিন্তা করা হয়েছিল।
৫ ঘণ্টা আগে
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় সংযোজন প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট। কিন্তু এই ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়া শুরু আগেই এ নিয়ে বিতর্ক উঠে গেছে। দেশের বাইরে পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় জোর আপত্তি তুলেছে বিএনপি। একই সঙ্গে ব্যালটে প্রতীকের বিন্যাস নিয়েও বিএনপির আপত্তি আছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত মোট ১১৬ কোটি ২১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে ৮২৯টি জুলাই শহীদ পরিবার পেয়েছে ৪১ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ৪৭১ জন আহত জুলাই যোদ্ধা পেয়েছেন ৭৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
৯ ঘণ্টা আগে
রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে আরও ৬০ জন প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ষষ্ঠ দিনের আপিল শুনানিতে তাঁরা প্রার্থিতা ফিরে পান।
১০ ঘণ্টা আগে