কূটনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশের ওপর কিছু দেশের অসন্তোষের কারণ খুঁজে বের করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন। আজ সোমবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় এ কথা বলেন তিনি। এ সময় ২০২২ সালের কূটনীতিতে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার ও প্রতিবন্ধকতা নিয়ে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
বাংলাদেশের উদ্দেশ্য সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা-এ কথা উল্লেখ করে আবদুল মোমেন বলেন, ‘কোনো কোনো দেশ আমাদের ওপর একটু অসন্তুষ্ট। সেই অসন্তুষ্টির কারণ আমরা খুঁজে বের করব। সেই অসন্তুষ্টি দূর করার চেষ্টা করব।’ এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নিরপেক্ষতা পালনের কথা বলেন মন্ত্রী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আর আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে গণতন্ত্রে। খুব কম দেশ বাংলাদেশের মতো গণতন্ত্রের জন্য রক্ত দিয়েছে। আমাদের দেশে গণতন্ত্র মোটামুটি ভালো। তবে কোনো গণতন্ত্র পরিপক্ব নয়। এটি বিবর্তনমূলক প্রক্রিয়া। আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে গণতন্ত্র আরও যাতে পরিপক্ব হয়।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের অনেক শত্রু রয়েছে। যারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে অনেকের কান ভারী করে। সেখানে আমরা সত্য বিষয়গুলো তুলে ধরতে চাই।’
যে দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ যাচ্ছে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নতিতে পদক্ষেপগুলো কী-এ প্রশ্নে একে আবদুল মোমেন বলেন, ‘আমরা দেখব, কী কারণে তারা অসন্তুষ্ট। সেগুলো ঠিক করার চেষ্টা করব। আর যদি মিথ্যা তথ্যের ওপর তারা অসন্তুষ্ট হয়, তবে সঠিক তথ্যটি তাদের দেব। আর আমাদের যদি কোনো দুর্বলতা থাকে, তা ঠিক করার চেষ্টা করব।’
র্যাবের বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ওয়াশিংটন এত দিন বন্ধ ছিল। চিঠি পাঠিয়েছি, কবে তার উত্তর আসবে জানা নাই। আমরা আমাদের কথা বলেছি। দেখি কী উত্তর দেয়। আমরা সব সময়ে আশাবাদী।’
র্যাবের ইস্যুতে আইনজীবী নিয়োগ করা নিয়ে প্রশ্ন করলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যেখানে আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে হবে, বাংলাদেশ সেখানে আইনি প্রক্রিয়ায় যাবে।’
যুক্তরাষ্ট্রে সফরের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় বিনিয়োগ নিয়ে আবারও আলোচনা করতে চাচ্ছে। আমরা এটিকে স্বাগত জানিয়েছি। ইউএসএআইডির প্রধানের বাংলাদেশ সফরের কথা রয়েছে। আমরা তাঁকেও স্বাগত জানিয়েছি।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অগ্রাধিকার হচ্ছে বিনিয়োগ বাড়ানো, বাণিজ্যের পরিধি বাড়ানো, বিদেশে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থান বাড়ানো।’ আঞ্চলিক ও কিছু দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, সমস্যা উত্তরণে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

বাংলাদেশের ওপর কিছু দেশের অসন্তোষের কারণ খুঁজে বের করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন। আজ সোমবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় এ কথা বলেন তিনি। এ সময় ২০২২ সালের কূটনীতিতে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার ও প্রতিবন্ধকতা নিয়ে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
বাংলাদেশের উদ্দেশ্য সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা-এ কথা উল্লেখ করে আবদুল মোমেন বলেন, ‘কোনো কোনো দেশ আমাদের ওপর একটু অসন্তুষ্ট। সেই অসন্তুষ্টির কারণ আমরা খুঁজে বের করব। সেই অসন্তুষ্টি দূর করার চেষ্টা করব।’ এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নিরপেক্ষতা পালনের কথা বলেন মন্ত্রী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আর আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে গণতন্ত্রে। খুব কম দেশ বাংলাদেশের মতো গণতন্ত্রের জন্য রক্ত দিয়েছে। আমাদের দেশে গণতন্ত্র মোটামুটি ভালো। তবে কোনো গণতন্ত্র পরিপক্ব নয়। এটি বিবর্তনমূলক প্রক্রিয়া। আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে গণতন্ত্র আরও যাতে পরিপক্ব হয়।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের অনেক শত্রু রয়েছে। যারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে অনেকের কান ভারী করে। সেখানে আমরা সত্য বিষয়গুলো তুলে ধরতে চাই।’
যে দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ যাচ্ছে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নতিতে পদক্ষেপগুলো কী-এ প্রশ্নে একে আবদুল মোমেন বলেন, ‘আমরা দেখব, কী কারণে তারা অসন্তুষ্ট। সেগুলো ঠিক করার চেষ্টা করব। আর যদি মিথ্যা তথ্যের ওপর তারা অসন্তুষ্ট হয়, তবে সঠিক তথ্যটি তাদের দেব। আর আমাদের যদি কোনো দুর্বলতা থাকে, তা ঠিক করার চেষ্টা করব।’
র্যাবের বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ওয়াশিংটন এত দিন বন্ধ ছিল। চিঠি পাঠিয়েছি, কবে তার উত্তর আসবে জানা নাই। আমরা আমাদের কথা বলেছি। দেখি কী উত্তর দেয়। আমরা সব সময়ে আশাবাদী।’
র্যাবের ইস্যুতে আইনজীবী নিয়োগ করা নিয়ে প্রশ্ন করলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যেখানে আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে হবে, বাংলাদেশ সেখানে আইনি প্রক্রিয়ায় যাবে।’
যুক্তরাষ্ট্রে সফরের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় বিনিয়োগ নিয়ে আবারও আলোচনা করতে চাচ্ছে। আমরা এটিকে স্বাগত জানিয়েছি। ইউএসএআইডির প্রধানের বাংলাদেশ সফরের কথা রয়েছে। আমরা তাঁকেও স্বাগত জানিয়েছি।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অগ্রাধিকার হচ্ছে বিনিয়োগ বাড়ানো, বাণিজ্যের পরিধি বাড়ানো, বিদেশে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থান বাড়ানো।’ আঞ্চলিক ও কিছু দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, সমস্যা উত্তরণে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

‘ক্যারিয়ার রাজনীতিকদের’ অনেকটা কোণঠাসা করে জাতীয় সংসদে ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি বেশ কিছুদিন ধরেই বেড়ে চলেছে। একাধিক চরম বিতর্কিত ভোটের পর হতে যাওয়া বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরও এ চিত্র বহাল থাকতে পারে। কারণ এবারের প্রার্থী তালিকায়ও পেশাজীবীদের মধ্যে ব্যবসায়ীদের জয়জয়কার।
১১ ঘণ্টা আগে
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, ২০২৫ সালে দেশে ৭ হাজার ৫৮৪টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া একই বছর ১৩২টি নৌ দুর্ঘটনায় ১৪৯ জন নিহত, ১২৩ জন আহত এবং ৩৪ জন নিখোঁজ হয়। রেলপথে ৫১৯টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় ৪৭৮ জন এবং আহত হয় ১৫২ জন।
১৫ ঘণ্টা আগে
ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বিনিয়োগ না বাড়লে বৈষম্য ও অস্থিরতা বাড়বে। সমাজে যদি ন্যায়সংগত সুযোগ না থাকে, তাহলে একদিকে বৈষম্য তৈরি হয়, অন্যদিকে অস্থিরতা দেখা দেয়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যে আন্দোলন হয়, তার পেছনেও এই বাস্তবতা কাজ করেছে। বাজারে চাকরি নেই, সরকারি চাকরিই একমাত্র ভরসা, সেখানেও কোটা-সংকট।
১৮ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মুক্তির দাবিতে মার্কিন দূতাবাস অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বামপন্থী দলগুলোর জোট গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট। তবে শাহজাদপুরেই ব্যারিকেড দিয়ে মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ।
১৯ ঘণ্টা আগে