
জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নামে জাতীয় সংসদ মূল ভবনের প্রবেশপথের নামকরণ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনের মূল ভবনের প্রবেশপথে ‘জেনারেল এম এ জি ওসমানী গেট’ নামফলকটি বসানো হয়েছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের শেরেবাংলা নগর বিভাগ ১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ পারভেজ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সংসদ সচিবালয় থেকে আদিষ্ট হয়ে বুধবার রাতে গেটে নামফলক বসানো হয়েছে।’
সংসদ ভবনের মূল ভবনে সদস্যদের যাতায়াতের এই প্রবেশপথের ওপর মেরুন রঙের বড় নামফলকে সাদা অক্ষরে লেখা হয়েছে, ‘জেনারেল এম এ জি ওসমানী গেট’।
সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, বুধবার রাতেই নামফলক বসানোর কাজ শেষ করা হয়েছে। এর ফলে সংসদ ভবনের এই মূল প্রবেশপথটি এখন থেকে ‘জেনারেল এম এ জি ওসমানী গেট’ নামে পরিচিত হবে।
গেটের সামনে নিরাপত্তা তল্লাশির ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে টার্ন স্টাইল, স্ক্যানিং পয়েন্ট এবং শুধু সংসদ সদস্যদের প্রবেশের নির্দেশনা সংবলিত সাইনবোর্ড দেখা গেছে। ভেতরে সভা ও অতিথি কার্ড প্রদর্শন সংক্রান্ত আরেকটি নির্দেশনাও টাঙানো রয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধে এম এ জি ওসমানী ছিলেন বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি। ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল গঠিত প্রবাসী সরকারের কাঠামোয় তিনি এই দায়িত্ব পান। স্বাধীনতার পর তিনি জেনারেল পদে উন্নীত হন।

গ্যাস-সংকট এবং লোডশেডিং বাড়ায় বিকল্প হিসেবে জ্বালানি তেলের ওপর চাপ বেড়েছে। জ্বালানি তেলের চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অন্তত ৩০ শতাংশ বেড়েছে। ডিজেল ও অকটেনের বিক্রি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৮ শতাংশের বেশি এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের বিক্রি বেড়েছে প্রায় তিন গুণ।
৫ ঘণ্টা আগে
আগের দুটি মাস্টারপ্ল্যান বা মহাপরিকল্পনার লক্ষ্য অধরা থেকে গেলেও নতুন ৩৫ বছর মেয়াদি তৃতীয় মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ২০২৬ থেকে ২০৬০ সাল পর্যন্ত মেয়াদের এই পরিকল্পনায় রয়েছে ৩২০টি প্রকল্প। লাইন মিটারগেজ থেকে ব্রডগেজে রূপান্তর, নতুন ও ডাবল লাইন স্থাপন, আধুনিক সিগন্যাল, নতুন রোলিং স্টক,
৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও বাংলাদেশ সংসদীয় প্রতিনিধিদলের নেতা ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে আয়োজিত ৬৯তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সের (সিপিসি) উদ্বোধনের প্রাক্কালে
৭ ঘণ্টা আগে
জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই এই মুহূর্তে জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার। এই অঙ্গীকার পূরণে ‘সবার আগে বাংলাদেশ-সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রত্যয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।
৭ ঘণ্টা আগে