নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাষ্ট্র সংস্কারের মধ্য দিয়ে একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের দাবি জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। একই সঙ্গে ‘না ভোট’–এর বিধান পুনঃপ্রবর্তনের আহ্বান জানিয়েছে নাগরিক সংগঠনটি।
আজ শনিবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সুজন আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এমন দাবি জানানো হয়। এতে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা সংহতি প্রকাশ করেন।
মানববন্ধনে সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। কিন্তু আমরা তা থেকে যোজন যোজন দূরে চলে গিয়েছিলাম। নব্বইয়ে তিন জোটের রূপরেখার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের আরেকটি সুযোগ তৈরি হলেও আমরা সেই সুযোগ হারিয়েছি। তাই ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এখন যে সুযোগ তৈরি হয়েছে তাকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।’
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে একই সঙ্গে দুটো কাজ করতে হবে। প্রথমত, বিগত সময়ে যারাই দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়ন, হত্যা ও বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিল তাদের বিচার করা। দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া।
স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বহুমুখী সমস্যা মোকাবিলা করতে হচ্ছে। প্রশাসনের বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা পালিয়ে গেছেন। এটা নজিরবিহীন। এখন দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে বিপুলসংখ্যক ঘরবাড়ি ধসে গেছে, ফসলের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। বিত্তবানদের উচিত হবে ঘরবাড়ি নির্মাণে সহায়তা ও চারা দিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করা এবং প্রধান উপদেষ্টার তহবিলেও দান করা।
বিদেশি গণমাধ্যমে বাংলাদেশ সম্পর্কে যে অপপ্রচার চলছে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, ‘যে দেশে মানুষকে তিন–চার মাইল দূরে হেঁটে গিয়ে বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতা তুলতে হয়, সেই দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হওয়া কোনোভাবেই মেনে যায় না। তাই দ্রুত পাচারকৃত টাকা ফেরত আনতে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। ভবিষ্যতে এক দলের পরিবর্তে আরেক ক্ষমতা এসে লুটপাট করবে, আমরা তা দেখতে চাই না। আমরা দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের মধ্য দিয়ে একটি মানবিক, অসাম্প্রদায়িক, জবাবদিহিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।’
মানববন্ধন থেকে সুজনের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে কিছু আহ্বান জানানো হয়। সেগুলো হলো: হত্যা, সহিংসতা, লুটপাট ইত্যাদিতে জড়িতদের চিহ্নিত করার জন্য জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করা; হত্যা ও সহিংসতায় জড়িতদের দ্রুততার সঙ্গে বিচারের আওতায় আনা; আন্দোলনে নিহতদের তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোকে সহায়তা করা ও ক্ষতিপূরণ দেওয়া; আহতদের সুচিকিৎসাসহ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা; সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা; রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা; সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করা; সংবিধানের গণতান্ত্রিক চেতনা পরিপন্থী ৭০ অনুচ্ছেদের সংস্কার করা এবং প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ নির্ধারণ করা; জনপ্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সকল সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণমুক্ত করা; আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বভিত্তিক নির্বাচনের ব্যবস্থা করা; ‘না-ভোটে’র বিধান পুনঃপ্রবর্তন করা; নির্দলীয় ভিত্তিতে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আয়োজন করা; স্থানীয় সরকারের কর্মকাণ্ডে সংসদ সদস্যদের হস্তক্ষেপ নিষিদ্ধ করো; সংরক্ষিত নারী আসন এক-তৃতীয়াংশে উন্নীত করা এবং প্রত্যক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা; ঋণখেলাপিদের তালিকা প্রকাশ করা; ‘সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট’-এর নিবর্তনমূলক ধারাসমূহ বাতিলসহ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা; সৎ, যোগ্য ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করা; দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির যথাযথ বাস্তবায়ন এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দুর্নীতিবাজদের বিচার করা; তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিতভাবে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের উদ্যোগ গ্রহণ করা; গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা; একটি শোষণহীন মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা ইত্যাদি।
সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকারের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন সুজনের সহসম্পাদক জাকির হোসেন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত, হেলফ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি খন্দকার শহীদুল ইসলাম, ওয়াইডব্লিউসির প্রতিনিধি পূরবী তালুকদার, সিরাজুল আলম খান ফাউন্ডেশনের সদস্যসচিব ব্যারিস্টার ফারাহ খান, সুজনের ঢাকা জেলা কমিটির সম্পাদক মাহবুল হক, ঢাকা মহানগর কমিটির সম্পাদক জুবাইরুল হক নাহিদ প্রমুখ।

রাষ্ট্র সংস্কারের মধ্য দিয়ে একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের দাবি জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। একই সঙ্গে ‘না ভোট’–এর বিধান পুনঃপ্রবর্তনের আহ্বান জানিয়েছে নাগরিক সংগঠনটি।
আজ শনিবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সুজন আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এমন দাবি জানানো হয়। এতে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা সংহতি প্রকাশ করেন।
মানববন্ধনে সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। কিন্তু আমরা তা থেকে যোজন যোজন দূরে চলে গিয়েছিলাম। নব্বইয়ে তিন জোটের রূপরেখার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের আরেকটি সুযোগ তৈরি হলেও আমরা সেই সুযোগ হারিয়েছি। তাই ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এখন যে সুযোগ তৈরি হয়েছে তাকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।’
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে একই সঙ্গে দুটো কাজ করতে হবে। প্রথমত, বিগত সময়ে যারাই দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়ন, হত্যা ও বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিল তাদের বিচার করা। দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া।
স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বহুমুখী সমস্যা মোকাবিলা করতে হচ্ছে। প্রশাসনের বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা পালিয়ে গেছেন। এটা নজিরবিহীন। এখন দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে বিপুলসংখ্যক ঘরবাড়ি ধসে গেছে, ফসলের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। বিত্তবানদের উচিত হবে ঘরবাড়ি নির্মাণে সহায়তা ও চারা দিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করা এবং প্রধান উপদেষ্টার তহবিলেও দান করা।
বিদেশি গণমাধ্যমে বাংলাদেশ সম্পর্কে যে অপপ্রচার চলছে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, ‘যে দেশে মানুষকে তিন–চার মাইল দূরে হেঁটে গিয়ে বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতা তুলতে হয়, সেই দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হওয়া কোনোভাবেই মেনে যায় না। তাই দ্রুত পাচারকৃত টাকা ফেরত আনতে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। ভবিষ্যতে এক দলের পরিবর্তে আরেক ক্ষমতা এসে লুটপাট করবে, আমরা তা দেখতে চাই না। আমরা দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের মধ্য দিয়ে একটি মানবিক, অসাম্প্রদায়িক, জবাবদিহিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।’
মানববন্ধন থেকে সুজনের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে কিছু আহ্বান জানানো হয়। সেগুলো হলো: হত্যা, সহিংসতা, লুটপাট ইত্যাদিতে জড়িতদের চিহ্নিত করার জন্য জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করা; হত্যা ও সহিংসতায় জড়িতদের দ্রুততার সঙ্গে বিচারের আওতায় আনা; আন্দোলনে নিহতদের তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোকে সহায়তা করা ও ক্ষতিপূরণ দেওয়া; আহতদের সুচিকিৎসাসহ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা; সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা; রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা; সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করা; সংবিধানের গণতান্ত্রিক চেতনা পরিপন্থী ৭০ অনুচ্ছেদের সংস্কার করা এবং প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ নির্ধারণ করা; জনপ্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সকল সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণমুক্ত করা; আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বভিত্তিক নির্বাচনের ব্যবস্থা করা; ‘না-ভোটে’র বিধান পুনঃপ্রবর্তন করা; নির্দলীয় ভিত্তিতে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আয়োজন করা; স্থানীয় সরকারের কর্মকাণ্ডে সংসদ সদস্যদের হস্তক্ষেপ নিষিদ্ধ করো; সংরক্ষিত নারী আসন এক-তৃতীয়াংশে উন্নীত করা এবং প্রত্যক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা; ঋণখেলাপিদের তালিকা প্রকাশ করা; ‘সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট’-এর নিবর্তনমূলক ধারাসমূহ বাতিলসহ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা; সৎ, যোগ্য ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করা; দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির যথাযথ বাস্তবায়ন এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালে দুর্নীতিবাজদের বিচার করা; তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিতভাবে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের উদ্যোগ গ্রহণ করা; গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা; একটি শোষণহীন মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা ইত্যাদি।
সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকারের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন সুজনের সহসম্পাদক জাকির হোসেন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত, হেলফ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি খন্দকার শহীদুল ইসলাম, ওয়াইডব্লিউসির প্রতিনিধি পূরবী তালুকদার, সিরাজুল আলম খান ফাউন্ডেশনের সদস্যসচিব ব্যারিস্টার ফারাহ খান, সুজনের ঢাকা জেলা কমিটির সম্পাদক মাহবুল হক, ঢাকা মহানগর কমিটির সম্পাদক জুবাইরুল হক নাহিদ প্রমুখ।

তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
১০ ঘণ্টা আগে
পোস্টে প্রেস সচিব লিখেছেন, ‘শহীদ বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর থেকে আমার মনে হচ্ছে তিনি (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) ভীষণ একা হয়ে পড়েছেন। একত্রে এই দুই নেতা আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম এক সম্মানিত ও নির্ভরযোগ্য অংশীদারিত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। সহমর্মিতা এবং নীরবে ধৈর্য ধরার ক্ষমতার...
১১ ঘণ্টা আগে
জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু জানান, রাজধানীতে নিজ বাসায় বর্ষীয়ান এ রাজনীতিকের মৃত্যু হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাদ জোহর টাঙ্গাইল শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালে সারা দেশে অন্তত ৪২৮টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। ২০২৪ সালে গণপিটুনির ১৬৯টি ঘটনায় নিহত হয়েছিল ১৪৬ জন এবং আহত ছিল ১২৬ জন। আর ২০২৫ সালে গণপিটুনিতে ১৬৬ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ৪৬০ জন। ২২০ জনকে আহতাবস্থায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। গণপিটুনির ঘটনায় আহত
১৩ ঘণ্টা আগে