Ajker Patrika

তৃতীয় টার্মিনাল চালু করতে আরও ৯০২ কোটি টাকা লাগবে: সংসদে বিমানমন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ৪৮
তৃতীয় টার্মিনাল চালু করতে আরও ৯০২ কোটি টাকা লাগবে: সংসদে বিমানমন্ত্রী
সংসদে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। ছবি: সংগৃহীত

হয়রত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর নামে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শুধু একটি ভবন উদ্বোধন করেছিল বলে দাবি করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেছেন, ২১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিমানের থার্ড টার্মিনাল নির্মাণের কাজ সমাপ্তির নামে ফ্যাসিস্ট সরকার একটা বিল্ডিং ওপেনিং করেছিল। এর অভ্যন্তরীণ অংশের কোনো কিছুই তারা করেনি। যন্ত্রপাতিগুলো যথাস্থানে স্থাপন করা হয়নি। এসিডির অন্যান্য কাজগুলিও হয়নি। এটাকে চালু করতে হলে এখনো ৯০২ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। নয়তো ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের সম্পত্তিটা পড়ে থাকবে।

আজ রোববার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে এনসিপির সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।

সরকার থার্ড টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে জানিয়ে বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের এ সম্পদ ব্যবহার না করে ফেলে রাখলে রাষ্ট্রের ক্ষতি হবে। এটাকে যত তাড়াতাড়ি শুরু করা যাবে তত তাড়াতাড়ি ঋণ পরিশোধ করা যাবে। এই লোন পরিশোধ করতে আমাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চালু করা প্রয়োজন। এটা পড়ে থাকলে আমাদের জনগণের জন্য, দেশের জন্য অনেক ক্ষতিকর হয়ে যাবে। আমরা দেখেছি এটাকে শুরু করার জন্য ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন। অর্থ মন্ত্রণালয় এই বরাদ্দের ব্যবস্থা করেছে। থার্ড টার্মিনাল চালু হলে দ্বিগুণ প্যাসেঞ্জার পাঠাতে পারব এবং সেখানে যে আয় হবে সে আয় দিয়ে আমরা জাইকার লোনটা পরিশোধ করব।’

আব্দুল হান্নান মাসউদ তাঁর প্রশ্নে বলেন, ২০১৭ সালে প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা। পরে কয়েক দফায় ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। তিনি মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের একটি নিরীক্ষার প্রসঙ্গও তোলেন এবং প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ করেন। তবে ওই অভিযোগের বিস্তারিত বা নিরীক্ষার অঙ্ক নিয়ে মন্ত্রী তাঁর জবাবে আলাদা ব্যাখ্যা দেননি।

সংরক্ষিত আসনের সুলতানা আহমেদের প্রশ্নের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জানান, নবনির্মিত তৃতীয় টার্মিনাল চালু করার লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৫৭ শতাংশ অপারেশনাল রেডিনেস অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফারের (ওআরএটি) কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পাদনের লক্ষ্যে প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত