আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ক্ষমতাসীনদের বিদেশে চিকিৎসা নেওয়াসহ নানা বিষয় নিয়ে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের একটি পুরোনো ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ পোস্টটি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন—‘আচ্ছা’, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ২০২০ সালে লেখা আসিফ নজরুলের সেই পোস্ট আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টা ৫৪ মিনিটে হাসনাত আবদুল্লাহনিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন।
ড. আসিফ নজরুল তাঁর পুরোনো পোস্টে ক্ষমতাসীনদের বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার ওপর কড়া বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, ‘যদি ক্ষমতা থাকতো আইন করতাম—বর্তমান বা সাবেক প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা চিকিৎসা নিতে বিদেশে যেতে পারবেন না। ক্ষমতা, চাকরি বা ব্যবসা কোনোভাবেই তাদের সন্তানরা সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারবেন না। সপ্তাহে অন্তত একদিন তাদের গণপরিবহনে চড়তে হবে। রাস্তায় চলাকালে তারা অন্য একটি যানবাহনও থামিয়ে রাখতে পারবেন না। বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে তারা অতিজরুরি ছাড়া কোনও সফরসঙ্গী নিতে পারবেন না, এ বিষয়ে সংসদকে জানাতে হবে।’
আসিফ নজরুল আরও লিখেছেন, ‘জনগণের টাকায় কোনও কিছু উদ্বোধন বা জনগণকে সাহায্য করার ক্ষেত্রে তাদের নিজেদের নাম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হবে। তাদেরকে মহামান্য ও মাননীয় বলা নিষিদ্ধ হবে। তাদের ও তাদের পরিবারের দেশে বিদেশে সব সম্পত্তি ও আয়ের বিবরণ জনগণকে জানাতে হবে। দুদকের একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ইউনিট শুধুমাত্র তাদের বিষয়ে নজর রাখবে। অন্যান্য ক্ষেত্রেও আরও বহু কিছু করতাম। যারা লুটেরা, চোর আর সন্ত্রাসী—তাদের জীবন নরক বানিয়ে ছাড়তাম।’

এদিকে চিকিৎসার জন্য গতকাল সোমবার রাতে সিঙ্গাপুরে গেছেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। আগামীকাল বুধবার তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। এ নিয়ে আজ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘ক্যানসারে আক্রান্ত’ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়ার বিষয়টি ‘মানবিক জায়গা’ থেকে দেখা উচিত।
এর মধ্যে আজ হাসনাত আবদুল্লাহর পোস্টটি শেয়ার করার পর সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পোস্টটি ভাইরাল হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়ে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

ক্ষমতাসীনদের বিদেশে চিকিৎসা নেওয়াসহ নানা বিষয় নিয়ে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের একটি পুরোনো ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ পোস্টটি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন—‘আচ্ছা’, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ২০২০ সালে লেখা আসিফ নজরুলের সেই পোস্ট আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টা ৫৪ মিনিটে হাসনাত আবদুল্লাহনিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন।
ড. আসিফ নজরুল তাঁর পুরোনো পোস্টে ক্ষমতাসীনদের বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার ওপর কড়া বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, ‘যদি ক্ষমতা থাকতো আইন করতাম—বর্তমান বা সাবেক প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা চিকিৎসা নিতে বিদেশে যেতে পারবেন না। ক্ষমতা, চাকরি বা ব্যবসা কোনোভাবেই তাদের সন্তানরা সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারবেন না। সপ্তাহে অন্তত একদিন তাদের গণপরিবহনে চড়তে হবে। রাস্তায় চলাকালে তারা অন্য একটি যানবাহনও থামিয়ে রাখতে পারবেন না। বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে তারা অতিজরুরি ছাড়া কোনও সফরসঙ্গী নিতে পারবেন না, এ বিষয়ে সংসদকে জানাতে হবে।’
আসিফ নজরুল আরও লিখেছেন, ‘জনগণের টাকায় কোনও কিছু উদ্বোধন বা জনগণকে সাহায্য করার ক্ষেত্রে তাদের নিজেদের নাম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হবে। তাদেরকে মহামান্য ও মাননীয় বলা নিষিদ্ধ হবে। তাদের ও তাদের পরিবারের দেশে বিদেশে সব সম্পত্তি ও আয়ের বিবরণ জনগণকে জানাতে হবে। দুদকের একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ইউনিট শুধুমাত্র তাদের বিষয়ে নজর রাখবে। অন্যান্য ক্ষেত্রেও আরও বহু কিছু করতাম। যারা লুটেরা, চোর আর সন্ত্রাসী—তাদের জীবন নরক বানিয়ে ছাড়তাম।’

এদিকে চিকিৎসার জন্য গতকাল সোমবার রাতে সিঙ্গাপুরে গেছেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। আগামীকাল বুধবার তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। এ নিয়ে আজ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘ক্যানসারে আক্রান্ত’ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়ার বিষয়টি ‘মানবিক জায়গা’ থেকে দেখা উচিত।
এর মধ্যে আজ হাসনাত আবদুল্লাহর পোস্টটি শেয়ার করার পর সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পোস্টটি ভাইরাল হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়ে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

সস্ত্রীক বাংলাদেশে ফিরে আসতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রী ডিয়ান ডাওকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছেন।
৯ মিনিট আগে
২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
২ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
৩ ঘণ্টা আগে