নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, যখন সময় আসবে তিনি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করবেন। ডিসেম্বর থেকে জুন মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে নির্বাচন হবে। জুলাই মাসের এক তারিখ যাবে না। রোববার (২৫ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠকের সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস এসব কথা বলেন। বৈঠক শেষে রোববার রাতে যমুনার সামনে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শফিকুল আলম বলেন, ‘দ্বিতীয় দিনের মতো রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক হয়েছে। পার্টির নেতারা স্যারকে (ড. মুহাম্মদ ইউনূস) সমর্থন জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের পাশে থাকবেন। এটা ছিল মূল ম্যাসেজ।’
শফিকুল আলম বলেন, ‘স্যার তাঁর ভাষণে বলেছেন, আমরা বড় যুদ্ধাবস্থার ভেতরে আছি। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পরে অস্থিতিশীলতা তৈরির জন্য যত রকমভাবে পারে চেষ্টা করছে। এটা থেকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। তারা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না। বিভাজন থেকে আমাদের উদ্ধার পেতে হবে। ঐকমত্য থাকতে হবে। আত্মমর্যাদাপূর্ণ জাতি হিসেবে আমরা যতটুকু দাঁড়াতে পেরেছি, এটা যেন সামনের দিকে যায়। সবাই একসঙ্গে বসাতে আমি মনে সাহস পেলাম। সুষ্ঠু নির্বাচন করতে না পারলে, আমি অপরাধী অনুভব করব।’
তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, অভ্যুত্থানের কারণে ধ্বংস হয়ে যাওয়া দেশকে টেনে আনার মহা সুযোগ পেয়েছি। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার সঙ্গে সঙ্গে দেশের ভেতরে ও বাইরে আরেকটি যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে, যাতে আমরা এগোতে না পারি। যাতে সবকিছু কলাপস হয়ে যায়। আবার যাতে গোলামিতে ফেরত যাই। আমি যত দিন আছি, দেশের অনিষ্ট হবে এমন কোনো কাজ আমাকে দিয়ে হবে না, নিশ্চিত থাকেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আরও অনেকগুলো বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে কথা হয়েছে। সংস্কারের অগ্রগতি নিয়ে কথা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা আবারও জানিয়েছেন, নির্বাচন ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে করবেন। নির্বাচন ৩০ জুনের পরে যাবে না। এতে সবাই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।’
বিএনপির দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘উনি (প্রধান উপদেষ্টা) এক কথার মানুষ। আমি কালকেও বলেছি, আজকেও বলছি, উনি এক কথার মানুষ। উনি বারবার বলেছেন, ডিসেম্বর থেকে জুন মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে নির্বাচন হবে। জুলাই মাসের এক তারিখ যাবে না। তিনি আরও বলেন, ‘যখন সময় আসবে উনি রোডম্যাপ বা শিডিউল ঘোষণা করবেন।’

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, যখন সময় আসবে তিনি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করবেন। ডিসেম্বর থেকে জুন মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে নির্বাচন হবে। জুলাই মাসের এক তারিখ যাবে না। রোববার (২৫ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠকের সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস এসব কথা বলেন। বৈঠক শেষে রোববার রাতে যমুনার সামনে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শফিকুল আলম বলেন, ‘দ্বিতীয় দিনের মতো রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক হয়েছে। পার্টির নেতারা স্যারকে (ড. মুহাম্মদ ইউনূস) সমর্থন জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের পাশে থাকবেন। এটা ছিল মূল ম্যাসেজ।’
শফিকুল আলম বলেন, ‘স্যার তাঁর ভাষণে বলেছেন, আমরা বড় যুদ্ধাবস্থার ভেতরে আছি। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পরে অস্থিতিশীলতা তৈরির জন্য যত রকমভাবে পারে চেষ্টা করছে। এটা থেকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। তারা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না। বিভাজন থেকে আমাদের উদ্ধার পেতে হবে। ঐকমত্য থাকতে হবে। আত্মমর্যাদাপূর্ণ জাতি হিসেবে আমরা যতটুকু দাঁড়াতে পেরেছি, এটা যেন সামনের দিকে যায়। সবাই একসঙ্গে বসাতে আমি মনে সাহস পেলাম। সুষ্ঠু নির্বাচন করতে না পারলে, আমি অপরাধী অনুভব করব।’
তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, অভ্যুত্থানের কারণে ধ্বংস হয়ে যাওয়া দেশকে টেনে আনার মহা সুযোগ পেয়েছি। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার সঙ্গে সঙ্গে দেশের ভেতরে ও বাইরে আরেকটি যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে, যাতে আমরা এগোতে না পারি। যাতে সবকিছু কলাপস হয়ে যায়। আবার যাতে গোলামিতে ফেরত যাই। আমি যত দিন আছি, দেশের অনিষ্ট হবে এমন কোনো কাজ আমাকে দিয়ে হবে না, নিশ্চিত থাকেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আরও অনেকগুলো বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে কথা হয়েছে। সংস্কারের অগ্রগতি নিয়ে কথা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা আবারও জানিয়েছেন, নির্বাচন ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে করবেন। নির্বাচন ৩০ জুনের পরে যাবে না। এতে সবাই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।’
বিএনপির দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘উনি (প্রধান উপদেষ্টা) এক কথার মানুষ। আমি কালকেও বলেছি, আজকেও বলছি, উনি এক কথার মানুষ। উনি বারবার বলেছেন, ডিসেম্বর থেকে জুন মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে নির্বাচন হবে। জুলাই মাসের এক তারিখ যাবে না। তিনি আরও বলেন, ‘যখন সময় আসবে উনি রোডম্যাপ বা শিডিউল ঘোষণা করবেন।’

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাওয়া বৈধ প্রার্থীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই বয়সে তরুণ ও যুবক। মোট প্রার্থীর ৩১ দশমিক ৩১ শতাংশের বয়স ২৫ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শতাংশের হিসাবে তরুণ প্রার্থী সবচেয়ে বেশি জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮২ জন। তাঁদের প্রায় অর্ধেক প্রবাসী বাংলাদেশি। প্রবাসীরা এবারই প্রথম ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন বলেছে, পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার নিবন্ধনে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সাড়া পাওয়া গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
সারা দেশের জেলা আদালত ও উচ্চ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিয়োগে স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস করার সুপারিশ বাস্তবায়ন হয়নি এক বছরেও। বিলুপ্ত বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় হলেও স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস হয়নি।
৪ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর স্ত্রী রহিমা আক্তারের নামে থাকা একটি ১০ তলা ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ গজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
৭ ঘণ্টা আগে