আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বাংলাদেশে ৩৩ হাজার ৬৪৮ জন বিদেশি নাগরিক অবৈধভাবে বসবাস করছেন বলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন। আজ সোমবার (২২ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য দেন।
উপদেষ্টা জানান, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে অবৈধ বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা ছিল ৪৯ হাজার ২৬৬ জন। তবে পরবর্তী আড়াই মাসে ১৫ হাজার ৬১৮ জন বিদেশি বাংলাদেশ ছেড়েছেন, যার ফলে বর্তমানে এ সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৬৪৮ জন।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও জানান, অবৈধভাবে বসবাসরত বিদেশি নাগরিকদের থেকে এখন পর্যন্ত ১০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। গত ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত এই অর্থ আদায় করা হয়।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, ‘নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পর যারা এখনও দেশ ছাড়েনি, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে যারা অবৈধ বিদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অবৈধ বিদেশি নাগরিকরা দেশে বসবাস করে বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিচ্ছে, যা বাংলাদেশের স্থানীয় শ্রমবাজার ও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে পোশাক খাত, নির্মাণ শিল্প এবং সেবাখাতসহ বেশ কিছু জায়গায় এই সমস্যা প্রকট।
সরকার অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের কার্যক্রম নজরদারিতে আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তাদের জন্য কঠোর নিয়ম আরোপ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এসব নিয়ম আরও কঠোর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশে বিদেশি নাগরিকদের বৈধভাবে কাজ করার জন্য অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে অনেক বিদেশি এই নিয়ম না মেনে কাজ করছেন। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান অবৈধ বিদেশিদের কাজ করার সুযোগ দিচ্ছে, সেগুলোকেও নজরদারিতে রাখা হচ্ছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশে ৩৩ হাজার ৬৪৮ জন বিদেশি নাগরিক অবৈধভাবে বসবাস করছেন বলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন। আজ সোমবার (২২ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য দেন।
উপদেষ্টা জানান, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে অবৈধ বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা ছিল ৪৯ হাজার ২৬৬ জন। তবে পরবর্তী আড়াই মাসে ১৫ হাজার ৬১৮ জন বিদেশি বাংলাদেশ ছেড়েছেন, যার ফলে বর্তমানে এ সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৬৪৮ জন।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও জানান, অবৈধভাবে বসবাসরত বিদেশি নাগরিকদের থেকে এখন পর্যন্ত ১০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। গত ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত এই অর্থ আদায় করা হয়।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, ‘নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পর যারা এখনও দেশ ছাড়েনি, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে যারা অবৈধ বিদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অবৈধ বিদেশি নাগরিকরা দেশে বসবাস করে বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিচ্ছে, যা বাংলাদেশের স্থানীয় শ্রমবাজার ও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে পোশাক খাত, নির্মাণ শিল্প এবং সেবাখাতসহ বেশ কিছু জায়গায় এই সমস্যা প্রকট।
সরকার অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের কার্যক্রম নজরদারিতে আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তাদের জন্য কঠোর নিয়ম আরোপ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এসব নিয়ম আরও কঠোর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশে বিদেশি নাগরিকদের বৈধভাবে কাজ করার জন্য অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে অনেক বিদেশি এই নিয়ম না মেনে কাজ করছেন। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান অবৈধ বিদেশিদের কাজ করার সুযোগ দিচ্ছে, সেগুলোকেও নজরদারিতে রাখা হচ্ছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর স্ত্রী রহিমা আক্তারের নামে থাকা একটি ১০ তলা ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ গজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
২ ঘণ্টা আগে
দুদক জানিয়েছে, সাতজন নিম্ন আয়ের মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে কাগুজে প্রতিষ্ঠান খুলে মোট ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে একটি চক্র। সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও রুকমিলা জামান ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব ঋণ জালিয়াতিতে সহায়তা করেন। এ ঘটনায় সাইফুজ্জামানের ভাই ও ইউসিবির সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান
৩ ঘণ্টা আগে
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কমিশন থেকে সমন্বয় সেল, ভিজিল্যান্স টিম, মনিটরিং টিমসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার সমন্বয়ে অনেকগুলো কমিটি রয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ নানা ধরনের নির্দেশনা আগের আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় দেওয়া হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে
সিআইডির অনুসন্ধান অনুযায়ী, চক্রটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, গুলশান শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। অভিযোগসংশ্লিষ্ট মো. কামরুজ্জামান ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগদান করেন।
৪ ঘণ্টা আগে