
বৈশ্বিক শান্তি সূচক–২০২১ এ ৭ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বের ১৬৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান ৯১তম। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক থিংকট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের প্রকাশিত বিশ্ব শান্তি বিষয়ক এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
এই তালিকায় আগের বছরের অবস্থান ধরে রেখে শীর্ষস্থানে রয়েছে আইসল্যান্ড। তবে এক ধাপ এগিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে নিউজিল্যান্ড। পাশাপাশি দুই ধাপ এগিয়ে এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ডেনমার্ক। তবে অবনমন হয়েছে পর্তুগালের। দেশটি ২ ধাপ নেমে এসেছে চতুর্থ স্থানে।
এদিকে, তালিকার সর্বনিম্ন স্থান অর্থাৎ ১৬৩তম স্থানে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ আফগানিস্তান। এর আগের সূচকেও দেশটির অবস্থান ছিল সর্বনিম্ন। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে নেপাল। দুই ধাপ পিছিয়ে দেশটির অবস্থান ৮৫ তম। এরপরই আছে বাংলাদেশ। অবাক করার বিষয় হলো, ঋণ এবং সংকট জর্জরিত শ্রীলঙ্কা ১৯ ধাপ পিছিয়েও বর্তমানে অবস্থান করছে ৯৫তম স্থানে। এ ছাড়া, এই সূচকে ভারতের অবস্থান ১৩৫তম। দেশটি দুই ধাপ এগিয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার অপর দেশ পাকিস্তান বর্তমান সূচকে রয়েছে ১৫০তম স্থানে। দেশটি দুই ধাপ পিছিয়েছে।
এদিকে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সহিংসতার ভয়ে সবচেয়ে কম ভীত হয় ভারত ও বাংলাদেশের জনগণ। ভারতের প্রায় ২৩ শতাংশ মানুষ সহিংসতার ভয়ে থাকেন এবং বাংলাদেশে এই হার শতকরা ২৫।
বৈশ্বিক শান্তি সূচকে শীর্ষ ১০টি দেশ হলো—আইসল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, ডেনমার্ক, পর্তুগাল, স্লোভেনিয়া, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, চেক রিপাবলিক এবং কানাডা।
মূল ৩ টি ক্ষেত্রের আওতায় সর্বমোট ২৩ টি নির্দেশকের ভিত্তিতে এই সূচক তৈরি করা হয়েছে। মূল ক্ষেত্র ৩টি হলো—সামাজিক সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক সংঘাত এবং সামরিকীরণের মাত্রা। এছাড়া সূচক ২৩ টির মধ্যে রয়েছে—অস্ত্র আমদানি, সহিংস বিক্ষোভ, সামরিক ব্যায় বৃদ্ধি, শরণার্থী এবং অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত জনসংখ্যা, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অর্থায়ন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক, পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনীর সংখ্যার অনুপাত, পারমাণবিক এবং ভারি অস্ত্র, রাজনৈতিক সন্ত্রাসবাদের পরিমাণ, আগ্নেয়াস্ত্রের সহজলভ্যতা, সহিংস অপরাধ, বাহ্যিক সংঘাত থেকে মৃত্যুর পরিমাণ, অপরাধ বিষয়ে ধারণা, অভ্যন্তরীণ সংঘাতের গভীরতা, খুনের হার, কারাদণ্ড প্রদানের হার, বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীন যুদ্ধ–সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার হার এবং এসব দ্বন্দ্ব–সংঘাত থেকে মৃত্যুর পরিমাণ। এছাড়া, সন্ত্রাসবাদের পরিণামও এই ২৩ টি সূচকের অন্তর্ভুক্ত।

বৈশ্বিক শান্তি সূচক–২০২১ এ ৭ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বের ১৬৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান ৯১তম। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক থিংকট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের প্রকাশিত বিশ্ব শান্তি বিষয়ক এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
এই তালিকায় আগের বছরের অবস্থান ধরে রেখে শীর্ষস্থানে রয়েছে আইসল্যান্ড। তবে এক ধাপ এগিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে নিউজিল্যান্ড। পাশাপাশি দুই ধাপ এগিয়ে এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ডেনমার্ক। তবে অবনমন হয়েছে পর্তুগালের। দেশটি ২ ধাপ নেমে এসেছে চতুর্থ স্থানে।
এদিকে, তালিকার সর্বনিম্ন স্থান অর্থাৎ ১৬৩তম স্থানে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ আফগানিস্তান। এর আগের সূচকেও দেশটির অবস্থান ছিল সর্বনিম্ন। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে নেপাল। দুই ধাপ পিছিয়ে দেশটির অবস্থান ৮৫ তম। এরপরই আছে বাংলাদেশ। অবাক করার বিষয় হলো, ঋণ এবং সংকট জর্জরিত শ্রীলঙ্কা ১৯ ধাপ পিছিয়েও বর্তমানে অবস্থান করছে ৯৫তম স্থানে। এ ছাড়া, এই সূচকে ভারতের অবস্থান ১৩৫তম। দেশটি দুই ধাপ এগিয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার অপর দেশ পাকিস্তান বর্তমান সূচকে রয়েছে ১৫০তম স্থানে। দেশটি দুই ধাপ পিছিয়েছে।
এদিকে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সহিংসতার ভয়ে সবচেয়ে কম ভীত হয় ভারত ও বাংলাদেশের জনগণ। ভারতের প্রায় ২৩ শতাংশ মানুষ সহিংসতার ভয়ে থাকেন এবং বাংলাদেশে এই হার শতকরা ২৫।
বৈশ্বিক শান্তি সূচকে শীর্ষ ১০টি দেশ হলো—আইসল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, ডেনমার্ক, পর্তুগাল, স্লোভেনিয়া, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, চেক রিপাবলিক এবং কানাডা।
মূল ৩ টি ক্ষেত্রের আওতায় সর্বমোট ২৩ টি নির্দেশকের ভিত্তিতে এই সূচক তৈরি করা হয়েছে। মূল ক্ষেত্র ৩টি হলো—সামাজিক সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক সংঘাত এবং সামরিকীরণের মাত্রা। এছাড়া সূচক ২৩ টির মধ্যে রয়েছে—অস্ত্র আমদানি, সহিংস বিক্ষোভ, সামরিক ব্যায় বৃদ্ধি, শরণার্থী এবং অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত জনসংখ্যা, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অর্থায়ন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক, পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনীর সংখ্যার অনুপাত, পারমাণবিক এবং ভারি অস্ত্র, রাজনৈতিক সন্ত্রাসবাদের পরিমাণ, আগ্নেয়াস্ত্রের সহজলভ্যতা, সহিংস অপরাধ, বাহ্যিক সংঘাত থেকে মৃত্যুর পরিমাণ, অপরাধ বিষয়ে ধারণা, অভ্যন্তরীণ সংঘাতের গভীরতা, খুনের হার, কারাদণ্ড প্রদানের হার, বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীন যুদ্ধ–সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার হার এবং এসব দ্বন্দ্ব–সংঘাত থেকে মৃত্যুর পরিমাণ। এছাড়া, সন্ত্রাসবাদের পরিণামও এই ২৩ টি সূচকের অন্তর্ভুক্ত।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে অতীতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে চায় পুলিশ। কিন্তু ভোটের দিন স্বাধীন ও চাপমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি না, তা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের ভীতি-শঙ্কা।
৭ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল সোমবার জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৮ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি কয়েকটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে