অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা ‘দেশের গর্বিত সন্তান’ এবং তাঁরা সবাই দেশেই আছেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, ‘এখনো তাঁরা দেশেই আছেন এবং নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানেও তাঁরা অংশ নেবেন।’
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ে গতকাল উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন প্রেস সচিব। ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এই ব্রিফিং হয়।
সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, ‘উপদেষ্টারা যাঁরা, তাঁরা শপথের দিন থাকবেন। তাঁরা জয়েন করবেন এবং শপথের দিন তাঁরা ফ্ল্যাগবাহী গাড়িতে যাবেন। ফেরার সময় ওই গাড়ি তাঁদেরকে বাসায় পৌঁছে দেবে, কিন্তু গাড়িতে আর ফ্ল্যাগ থাকবে না।’
প্রেস সচিব জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ প্রস্তাব গ্রহণ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘আমরা ভাগ্যবান যে এই জাতিকে সেবা করার সুযোগ পেয়েছি।’
বৈঠক শেষে প্রেস সচিব জানান, প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে ধন্যবাদ জানান। উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরাও বিশেষ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।
শফিকুল আলম জানান, বৈঠকে উপদেষ্টারা এবারের নির্বাচন আয়োজনকে ‘মহা সাফল্য’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তাঁরা বলেছেন, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল নির্বাচন হয়েছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। পুলিশ, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, আনসার ও সশস্ত্র বাহিনী অত্যন্ত পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও প্রকৃত অর্থে নির্বাচন-সম্পর্কিত সহিংসতায় নিহত হয়েছেন একজন।
এক প্রশ্নের জবাবে অন্তর্বর্তী সরকার তাদের দায়িত্ব পালনে ৯০ শতাংশ সফল হয়েছে বলে মনে জানান প্রেস সচিব। তিনি বলেন, ‘সংস্কার ও স্থিতিশীলতার মাধ্যমে দেশকে সঠিক পথে ফেরানোই ছিল আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য অর্জনে আমরা ৯০ শতাংশ সফল হয়েছি বলে মনে করি।’
এ সময় সরকারের বিভিন্ন অর্জন ও চ্যালেঞ্জের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে প্রেস সচিব বলেন, ভঙ্গুর অর্থনীতি ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে দায়িত্ব নিয়েছিল সরকার। ৫ আগস্ট দেশের অবস্থা ছিল যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মতো। খুব সহজেই দেশ বিশৃঙ্খলার দিকে নেমে যেতে পারত। কিন্তু সেই অবস্থা প্রতিহত করে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশে প্রথমবারের মতো সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে চার হাজার উপপরিদর্শক (এসআই-নিরস্ত্র) পদ পূরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোতে ৫০০টি সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদ সৃষ্টির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
সরকার দুই মাসের জ্বালানি তেলের মজুত থাকার আশ্বাস দিয়েছে। মজুত নিয়ে ভরসার কথা মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রথম থেকেই বলা হচ্ছে। কিন্তু মাঠের চিত্রের পরিবর্তন নেই। বরং তা দৃশ্যত দিন দিন কঠিন হচ্ছে। রাজধানীতে বহু মানুষ ভোর থেকে তেলের পাম্পের লাইনে দাঁড়ালেও অধিকাংশ পাম্পে দুপুরের আগে ডিপো থেকে তেল আসছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
২০৩০ সালের মধ্যে শুধু সোলার পাওয়ার দিয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ জন্য একটি নীতিমালা এবং বিনিয়োগ সহযোগীকরণ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রতিবছর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে