Ajker Patrika

৩১ চা-বাগান ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করা হয়েছে: সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২৩ জুন ২০২৬, ২০: ২৯
৩১ চা-বাগান ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করা হয়েছে: সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী
জাতীয় সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ফাইল ছবি

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর চা-বাগানে শ্রমিক-কর্মচারীদের বকেয়া মজুরিকে কেন্দ্র করে শ্রম অসন্তোষ-সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রতিবেদনে ৩১টি চা-বাগানকে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। জাতীয় সংসদে আজ মঙ্গলবার সংরক্ষিত নারী আসনের বিএনপিদলীয় সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।

বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, রুগ্ণ চা-বাগান চিহ্নিত করার বিষয়ে বর্তমানে কোনো নীতিমালা না থাকায় রুগ্ণ বাগান চিহ্নিত করা নেই। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কিছু চা-বাগানের মালিক বাগান রেখে পালিয়ে যান। এতে বাগান ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় এবং অনেক বাগানে শ্রমিকদের মজুরি সঠিকভাবে পরিশোধ না করায় শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেয়, যা জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের ২০২৫ সালের ১৮ মের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী ওই প্রতিবেদনে ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করা ৩১টি চা-বাগানের নাম জানান এবং বাগানগুলোর শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধসহ শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে বাংলাদেশ চা বোর্ডের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ন্যাশনাল টি কোম্পানির (এনটিসি) ১২টি বাগানের শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধের লক্ষ্যে বাগানে মজুত অবিক্রীত চা বিশেষ ব্যবস্থায় রপ্তানির ব্যবস্থা করা হয়। চা-বাগানের শ্রমিকদের মজুরি এবং শ্রমকল্যাণ বিষয়ে সরকার যথেষ্ট আন্তরিক রয়েছে। চা-বাগানের শ্রমিকদের ফ্যামিলি কার্ড দিতে সরকার কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রত্যেক চা-শ্রমিক পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছানো গেলে চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ও কল্যাণে তা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন মতে দেশের চা-বাগানগুলোর মধ্যে বর্তমান রুগ্ণ বা সিক গার্ডেন হিসেবে কোনো শ্রেণি নেই। তাই বাংলাদেশ চা বোর্ডের রুগ্ণ বাগান চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত