রাহুল শর্মা, জাতিসংঘ সদরদপ্তর (নিউইয়র্ক), যুক্তরাষ্ট্র থেকে

সব বয়সী মানুষের জন্য সুস্থ ও কল্যাণকর জীবন নিশ্চিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও যৌথ প্রচেষ্টা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ৫৮ তম কমিশন অন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিপিডি ৫৮) সম্মেলনে শুক্রবার (নিউইয়র্ক সময় ১১ এপ্রিল) বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল এ আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিষয়ে বাংলাদেশের নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও অগ্রগতির তথ্য বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরেন তাঁরা।
প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু নিয়ে সিপিডি সম্মেলন আয়োজন করে জাতিসংঘ। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল: ‘সব বয়সের মানুষের জন্য সুস্থ এবং কল্যাণকর জীবন নিশ্চিত করা’। ৫ দিনব্যাপী এ সম্মেলন শুরু হয় গত ৭ এপ্রিল।
সিপিডি-৫৮ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ড. মো. সায়েদুর রহমান। আরও ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব ড. মো. সরোয়ার বারী এবং নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান শিরীন পারভিন হক।
তবে সম্মেলনের শেষ দিনে (১১ এপ্রিল) অংশগ্রহণকারী দেশগুলো সর্বসম্মত ঐক্যমতে না পৌঁছায় কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত ছাড়াই সিপিডি-৫৮ সম্মেলন শেষ হয়।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সম্মেলনে বক্তব্য উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ড. মো. সায়েদুর রহমান।
বক্তব্যে তিনি সুস্থ্য ও কল্যানকর জীবন নিশ্চিতে বাংলাদেশের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে মাতৃস্বাস্থ্য, প্রজনন অধিকার, জলবায়ু-সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
ড. মো. সায়েদুর রহমান তার বক্তব্যে সব বয়সী সব মানুষের জন্য সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা এবং কল্যাণে নিশ্চিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও যৌথ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সামাজিক ব্যবসার মডেলকে কাজে লাগিয়ে এমন উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে, যেখানে লাভের একটি অংশ পুনঃবিনিয়োগ করা হবে স্বাস্থ্যসেবার প্রসারে, সেবাদানে উদ্ভাবনে এবং কমিউনিটিকে ক্ষমতায়নে।
তিনি মাতৃস্বাস্থ্য, লিঙ্গ সমতা এবং জলবায়ু-সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থায় অভিজ্ঞতা বিনিময়ে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান।
এছাড়া অধ্যাপক সায়েদুর রহমান ইউএনএফপিএ আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টেও অংশ নেন, যার শিরোনাম ছিল-‘নারী ও নবজাতকদের স্বাস্থ্য ও কল্যাণ উন্নত করা’। সেখানে তিনি মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যোন্নয়নে মিডওয়াইফদের ভূমিকা তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশে মিডওয়াইফ শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং চাকরির সুযোগ বৃদ্ধির প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এই ইভেন্টে গাম্বিয়া, কেনিয়া ও মালাবির প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

সব বয়সী মানুষের জন্য সুস্থ ও কল্যাণকর জীবন নিশ্চিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও যৌথ প্রচেষ্টা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ৫৮ তম কমিশন অন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (সিপিডি ৫৮) সম্মেলনে শুক্রবার (নিউইয়র্ক সময় ১১ এপ্রিল) বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল এ আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিষয়ে বাংলাদেশের নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও অগ্রগতির তথ্য বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরেন তাঁরা।
প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু নিয়ে সিপিডি সম্মেলন আয়োজন করে জাতিসংঘ। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল: ‘সব বয়সের মানুষের জন্য সুস্থ এবং কল্যাণকর জীবন নিশ্চিত করা’। ৫ দিনব্যাপী এ সম্মেলন শুরু হয় গত ৭ এপ্রিল।
সিপিডি-৫৮ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ড. মো. সায়েদুর রহমান। আরও ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব ড. মো. সরোয়ার বারী এবং নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান শিরীন পারভিন হক।
তবে সম্মেলনের শেষ দিনে (১১ এপ্রিল) অংশগ্রহণকারী দেশগুলো সর্বসম্মত ঐক্যমতে না পৌঁছায় কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত ছাড়াই সিপিডি-৫৮ সম্মেলন শেষ হয়।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সম্মেলনে বক্তব্য উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ড. মো. সায়েদুর রহমান।
বক্তব্যে তিনি সুস্থ্য ও কল্যানকর জীবন নিশ্চিতে বাংলাদেশের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে মাতৃস্বাস্থ্য, প্রজনন অধিকার, জলবায়ু-সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
ড. মো. সায়েদুর রহমান তার বক্তব্যে সব বয়সী সব মানুষের জন্য সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা এবং কল্যাণে নিশ্চিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও যৌথ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সামাজিক ব্যবসার মডেলকে কাজে লাগিয়ে এমন উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে, যেখানে লাভের একটি অংশ পুনঃবিনিয়োগ করা হবে স্বাস্থ্যসেবার প্রসারে, সেবাদানে উদ্ভাবনে এবং কমিউনিটিকে ক্ষমতায়নে।
তিনি মাতৃস্বাস্থ্য, লিঙ্গ সমতা এবং জলবায়ু-সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থায় অভিজ্ঞতা বিনিময়ে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান।
এছাড়া অধ্যাপক সায়েদুর রহমান ইউএনএফপিএ আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টেও অংশ নেন, যার শিরোনাম ছিল-‘নারী ও নবজাতকদের স্বাস্থ্য ও কল্যাণ উন্নত করা’। সেখানে তিনি মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যোন্নয়নে মিডওয়াইফদের ভূমিকা তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশে মিডওয়াইফ শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং চাকরির সুযোগ বৃদ্ধির প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এই ইভেন্টে গাম্বিয়া, কেনিয়া ও মালাবির প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

সস্ত্রীক বাংলাদেশে ফিরে আসতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রী ডিয়ান ডাওকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছেন।
৯ মিনিট আগে
২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
২ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
৩ ঘণ্টা আগে