নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন দাবি করেছেন, ভোটের দায়িত্বে ৯৫ শতাংশ সরকারের লোক আর ৫ শতাংশ ইসির। এই দাবির জবাবে সিইসি বলেছেন, ‘আমাদের ৯৫ শতাংশ জনগণের পক্ষে। এটা সৎ উদ্দেশ্যে। অতীতে এটা অপব্যবহার হয়েছে। আমি বলেছি, সরকারকে বাদ দিয়ে ভোট সম্ভব নয়।’
আজ সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে নিজ দপ্তরে সিইসি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ব্রিফিংয়ে বলেন, নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেই আমরা এমন ব্লেম নিতে রাজী নই।
সিইসি বলেন, ‘মার্কিন প্রতিনিধি দল প্রস্তুতি বুঝতে এসেছিলেন। এটা একটা বিশেষ পরিস্থিতি, বিশেষ ধরণের সরকার। প্রধান উপদেষ্টা ফেব্রুয়ারি কথা জানিয়ে আমাদেন চিঠি দিয়েছিলেন। রমজানের আগে ভোটের কথা বলেছেন। আমরা প্রস্তুতি জোরদার করেছি এটা ঠিক তবে প্রস্তুতি আগেই শুরু করেছি।’
নাসির উদ্দিন বলেন, ‘নানা ধরণের টানাপোড়েন আছে। সেজন্য হয়তো সময়টা ঠিক করতে একটু সময় লেগেছে। আমরা চেয়েছি আমাদের ওপর যেন প্রস্তুতি পর্যাপ্ত নয় এই ধরণের ব্লেম না আসে। আমরা কোনো ধরণের ব্লেম নিতে রাজী নই। সেই জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে শুরু করি।’
সিইসি বলেন, ‘আমাদের দলগুলো দেশের স্বার্থ সবার ওপরে। তারা দেশের স্বার্থে, দেশের জন্য কাজ করেন। শেষ পর্যন্ত একটা সমঝোতায় আসবে দেখবেন। গতকাল থেকে প্রধান উপদেষ্টা আবার শুরু করেছেন। এটাও জানিয়েছি। বিশ্বাস করি, একটা সমঝোতা হবে।’
সিইসি আরও বলেন, ‘মব কালচার যেটা উনি জানতে চেয়েছেন। আমি বলেছি, ভোটের এখনো দেরি আছে। যারা মব সৃষ্টি করে তারা ভোটের সময় নিজ নিজ এলাকায় চলে যাবে। ঢাকা শহরই তো ভোটের সময় খালি হয়ে যায়। তাদের আর পাওয়া যাবে না।’
মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স গুজব ও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে বলেছেন জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘আমি বলেছি এই দেশটা গুজবের দেশ। আমি গুজব কানে না নিতে বলেছি। আমরা পুরো নির্বাচন বাতিলের ক্ষমতা ফেরত আনার ব্যবস্থা করেছি।’
সিইসি জানান, বৈঠকে ট্রেসি দাবি করেন, ভোটের দায়িত্বে ৯৫ শতাংশ সরকারের লোক আর ৫ শতাংশ ইসির।
ট্রেসির এমন দাবির জবাবে সিইসি বলেন, ‘আমি বলেছি, সরকার ৯৫ শতাংশ যদি রেজাল্ট নিজের দিকে আনে এটা একটা। আরেকটা হলো আমাদের ৯৫ শতাংশ জনগণের পক্ষে। এটা সৎ উদ্দেশ্যে। অতীতে এটা অপব্যবহার হয়েছে। আমি বলেছি, সরকারকে বাদ দিয়ে ভোট সম্ভব নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাগবে, বাজেট লাগবে, উনাদের সহযোগিতা ছাড়া ভোট সম্ভব নয়। ৯৫ শতাংশ সরকারের লোকবল রেজাল্ট নিজেদের পক্ষে নিচ্ছেন না, কেননা সরকার প্রধান কোনো দলের না। তিনি স্বাধীনভাবে ইসি যেন কাজ করতে পারে, সেই সহযোগিতা করেছেন, সেটাও জানিয়েছি। আমরা সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ ছাড়া সহযোগিতা পেয়েছি।’
সিইসি বলেন, ‘মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে বৈঠকে কালো টাকার কথা এসেছে, এটা একেবারে বন্ধ করতে তো পারব না। ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বসেছি সেটাও জানিয়েছি। আমি আশাবাদী, সর্বশক্তি দিয়ে শেষ পর্যন্ত ফাইট করব। দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন যেন হয় সে চেষ্টা করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রবাসীদের ভোটের ব্যবস্থা করব। কানাডা যাব, সেখানে সুবিধা-অসুবিধা জানব। যারা ভোটের দায়িত্বে থাকেন তারা ভোট দিতে পারে না। এবার সে ব্যবস্থা করব— এটা জানিয়েছি। এ ক্ষেত্রে আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটের কথা বলেছি।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন দাবি করেছেন, ভোটের দায়িত্বে ৯৫ শতাংশ সরকারের লোক আর ৫ শতাংশ ইসির। এই দাবির জবাবে সিইসি বলেছেন, ‘আমাদের ৯৫ শতাংশ জনগণের পক্ষে। এটা সৎ উদ্দেশ্যে। অতীতে এটা অপব্যবহার হয়েছে। আমি বলেছি, সরকারকে বাদ দিয়ে ভোট সম্ভব নয়।’
আজ সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে নিজ দপ্তরে সিইসি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ব্রিফিংয়ে বলেন, নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেই আমরা এমন ব্লেম নিতে রাজী নই।
সিইসি বলেন, ‘মার্কিন প্রতিনিধি দল প্রস্তুতি বুঝতে এসেছিলেন। এটা একটা বিশেষ পরিস্থিতি, বিশেষ ধরণের সরকার। প্রধান উপদেষ্টা ফেব্রুয়ারি কথা জানিয়ে আমাদেন চিঠি দিয়েছিলেন। রমজানের আগে ভোটের কথা বলেছেন। আমরা প্রস্তুতি জোরদার করেছি এটা ঠিক তবে প্রস্তুতি আগেই শুরু করেছি।’
নাসির উদ্দিন বলেন, ‘নানা ধরণের টানাপোড়েন আছে। সেজন্য হয়তো সময়টা ঠিক করতে একটু সময় লেগেছে। আমরা চেয়েছি আমাদের ওপর যেন প্রস্তুতি পর্যাপ্ত নয় এই ধরণের ব্লেম না আসে। আমরা কোনো ধরণের ব্লেম নিতে রাজী নই। সেই জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে শুরু করি।’
সিইসি বলেন, ‘আমাদের দলগুলো দেশের স্বার্থ সবার ওপরে। তারা দেশের স্বার্থে, দেশের জন্য কাজ করেন। শেষ পর্যন্ত একটা সমঝোতায় আসবে দেখবেন। গতকাল থেকে প্রধান উপদেষ্টা আবার শুরু করেছেন। এটাও জানিয়েছি। বিশ্বাস করি, একটা সমঝোতা হবে।’
সিইসি আরও বলেন, ‘মব কালচার যেটা উনি জানতে চেয়েছেন। আমি বলেছি, ভোটের এখনো দেরি আছে। যারা মব সৃষ্টি করে তারা ভোটের সময় নিজ নিজ এলাকায় চলে যাবে। ঢাকা শহরই তো ভোটের সময় খালি হয়ে যায়। তাদের আর পাওয়া যাবে না।’
মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স গুজব ও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে বলেছেন জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘আমি বলেছি এই দেশটা গুজবের দেশ। আমি গুজব কানে না নিতে বলেছি। আমরা পুরো নির্বাচন বাতিলের ক্ষমতা ফেরত আনার ব্যবস্থা করেছি।’
সিইসি জানান, বৈঠকে ট্রেসি দাবি করেন, ভোটের দায়িত্বে ৯৫ শতাংশ সরকারের লোক আর ৫ শতাংশ ইসির।
ট্রেসির এমন দাবির জবাবে সিইসি বলেন, ‘আমি বলেছি, সরকার ৯৫ শতাংশ যদি রেজাল্ট নিজের দিকে আনে এটা একটা। আরেকটা হলো আমাদের ৯৫ শতাংশ জনগণের পক্ষে। এটা সৎ উদ্দেশ্যে। অতীতে এটা অপব্যবহার হয়েছে। আমি বলেছি, সরকারকে বাদ দিয়ে ভোট সম্ভব নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাগবে, বাজেট লাগবে, উনাদের সহযোগিতা ছাড়া ভোট সম্ভব নয়। ৯৫ শতাংশ সরকারের লোকবল রেজাল্ট নিজেদের পক্ষে নিচ্ছেন না, কেননা সরকার প্রধান কোনো দলের না। তিনি স্বাধীনভাবে ইসি যেন কাজ করতে পারে, সেই সহযোগিতা করেছেন, সেটাও জানিয়েছি। আমরা সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ ছাড়া সহযোগিতা পেয়েছি।’
সিইসি বলেন, ‘মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে বৈঠকে কালো টাকার কথা এসেছে, এটা একেবারে বন্ধ করতে তো পারব না। ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বসেছি সেটাও জানিয়েছি। আমি আশাবাদী, সর্বশক্তি দিয়ে শেষ পর্যন্ত ফাইট করব। দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন যেন হয় সে চেষ্টা করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রবাসীদের ভোটের ব্যবস্থা করব। কানাডা যাব, সেখানে সুবিধা-অসুবিধা জানব। যারা ভোটের দায়িত্বে থাকেন তারা ভোট দিতে পারে না। এবার সে ব্যবস্থা করব— এটা জানিয়েছি। এ ক্ষেত্রে আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটের কথা বলেছি।’

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাওয়া বৈধ প্রার্থীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই বয়সে তরুণ ও যুবক। মোট প্রার্থীর ৩১ দশমিক ৩১ শতাংশের বয়স ২৫ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শতাংশের হিসাবে তরুণ প্রার্থী সবচেয়ে বেশি জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮২ জন। তাঁদের প্রায় অর্ধেক প্রবাসী বাংলাদেশি। প্রবাসীরা এবারই প্রথম ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন বলেছে, পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার নিবন্ধনে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সাড়া পাওয়া গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
সারা দেশের জেলা আদালত ও উচ্চ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিয়োগে স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস করার সুপারিশ বাস্তবায়ন হয়নি এক বছরেও। বিলুপ্ত বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় হলেও স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস হয়নি।
৭ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর স্ত্রী রহিমা আক্তারের নামে থাকা একটি ১০ তলা ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ গজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
১১ ঘণ্টা আগে