নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অফিসের চার দেয়াল ও নেতা–কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে চোখ মেলে বিশ্বপরিস্থিতির দিকে একটু তাকানোর জন্য বিএনপি নেতাদের পরামর্শ দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
বন্দরনগরী চট্টগ্রামের দেওয়ানজি পুকুরপাড়ে নিজ বাসায় আজ মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিদ্যুৎ নিয়ে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এ পরামর্শ দেন।
এর আগে চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন তথ্যমন্ত্রী।
ড. হাছান বলেন, ‘মানুষ এবার পবিত্র ঈদুল আজহা পালনের জন্য স্বস্তিতে নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে পেরেছে। ইসলামি ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মানুষ ঈদুল আজহা উদ্যাপন করেছে। কোরবানির পশুর ক্ষেত্রেও আমরা যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি, সেটি এবার আরও স্পষ্ট হয়েছে। কারণ, ভারতীয় গরু এবার আসেনি বললেই চলে।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের কঠোর অবস্থান ও সিদ্ধান্তের কারণেই সীমান্ত দিয়ে কোনো পশু দেশে ঢুকতে পারেনি, যাতে আমাদের দেশের খামারিরা উপকৃত হয়। এ ক্ষেত্রে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আমাদের দেশ আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর ৯২তম দেশ। কিন্তু আমরা উৎপাদনের দিক দিয়ে পৃথিবীর শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। ধান উৎপাদনে আমরা পৃথিবীতে তৃতীয়, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে চতুর্থ, আলু উৎপাদনে সপ্তম।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের গরু-ছাগল দিয়েই এবার ঈদুল আজহার চাহিদা পূরণ সম্ভব হয়েছে। অনেক গরু-ছাগল বিক্রি না হওয়ায় ফেরতও গেছে। অর্থাৎ, চাহিদার তুলনায় বেশি জোগান ছিল। এগুলো সরকারের নানামুখী নীতির কারণেই সম্ভব হয়েছে।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সমগ্র পৃথিবী, এমনকি অর্থনৈতিকভাবে অনেক সামর্থ্যবান দেশও সাশ্রয়ীভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। প্রধানমন্ত্রী সেভাবেই বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। যারা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিতে পারেনি, বিদ্যুতের দাবিতে কানসাটে মিছিলকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ করেছে, হত্যা করেছে, তাদের বিদ্যুৎ নিয়ে কথা বলারই অধিকার থাকে না। আসলে বিএনপির কাছে কোনো ইস্যু নেই তো, তাই কিছু একটা তো বলতে হবে, সে জন্যই কথা বলে।’
করোনা মহামারি ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পৃথিবীতে অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন পদ্মা সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রেও নানা প্রতিবন্ধকতা ও ষড়যন্ত্র ছিল। সমস্ত প্রতিবন্ধকতা ও ষড়যন্ত্রকে পেছনে ফেলে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পদ্মা সেতু যেমন নির্মিত হয়েছে, পৃথিবীর এই সংকটকালেও সমস্ত প্রতিবন্ধকতা ও সীমাবদ্ধতাকে উপড়ে ফেলে দেশের সমৃদ্ধির পথে অভিযাত্রা অব্যাহত থাকবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ঠিকানায় দেশ পৌঁছাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। পবিত্র ঈদ উপলক্ষে সেই প্রার্থনা আমরা করেছি, আজকেও একই প্রত্যাশা করি।’
চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে তিনটি প্রকল্পে ১১ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যারা এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করছে, এই টাকার সদ্ব্যবহার ও সমন্বিতভাবে কাজ করা তাদের দায়িত্ব। যারা জলাবদ্ধতা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, আমি তাদের সব সময় তাগাদা দিয়ে আসছি।’
নিজেও চট্টগ্রাম শহরে জলাবদ্ধতার মধ্যেই বড় হয়েছেন উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মানুষের প্রত্যাশা ছিল, এবার যেহেতু জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে, গতবারের তুলনায় পানি কম উঠবে। যেহেতু প্রকল্পটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি, মাঝপথে আছে, সে জন্য মানুষ এখনো সুফল পাচ্ছে না। বৃষ্টির মৌসুম শেষ হলে যাতে কাজ শুরু হলে দ্রুত শেষ হবে।’

অফিসের চার দেয়াল ও নেতা–কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে চোখ মেলে বিশ্বপরিস্থিতির দিকে একটু তাকানোর জন্য বিএনপি নেতাদের পরামর্শ দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
বন্দরনগরী চট্টগ্রামের দেওয়ানজি পুকুরপাড়ে নিজ বাসায় আজ মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিদ্যুৎ নিয়ে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এ পরামর্শ দেন।
এর আগে চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন তথ্যমন্ত্রী।
ড. হাছান বলেন, ‘মানুষ এবার পবিত্র ঈদুল আজহা পালনের জন্য স্বস্তিতে নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে পেরেছে। ইসলামি ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মানুষ ঈদুল আজহা উদ্যাপন করেছে। কোরবানির পশুর ক্ষেত্রেও আমরা যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি, সেটি এবার আরও স্পষ্ট হয়েছে। কারণ, ভারতীয় গরু এবার আসেনি বললেই চলে।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের কঠোর অবস্থান ও সিদ্ধান্তের কারণেই সীমান্ত দিয়ে কোনো পশু দেশে ঢুকতে পারেনি, যাতে আমাদের দেশের খামারিরা উপকৃত হয়। এ ক্ষেত্রে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আমাদের দেশ আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর ৯২তম দেশ। কিন্তু আমরা উৎপাদনের দিক দিয়ে পৃথিবীর শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। ধান উৎপাদনে আমরা পৃথিবীতে তৃতীয়, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে চতুর্থ, আলু উৎপাদনে সপ্তম।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের গরু-ছাগল দিয়েই এবার ঈদুল আজহার চাহিদা পূরণ সম্ভব হয়েছে। অনেক গরু-ছাগল বিক্রি না হওয়ায় ফেরতও গেছে। অর্থাৎ, চাহিদার তুলনায় বেশি জোগান ছিল। এগুলো সরকারের নানামুখী নীতির কারণেই সম্ভব হয়েছে।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সমগ্র পৃথিবী, এমনকি অর্থনৈতিকভাবে অনেক সামর্থ্যবান দেশও সাশ্রয়ীভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। প্রধানমন্ত্রী সেভাবেই বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। যারা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিতে পারেনি, বিদ্যুতের দাবিতে কানসাটে মিছিলকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ করেছে, হত্যা করেছে, তাদের বিদ্যুৎ নিয়ে কথা বলারই অধিকার থাকে না। আসলে বিএনপির কাছে কোনো ইস্যু নেই তো, তাই কিছু একটা তো বলতে হবে, সে জন্যই কথা বলে।’
করোনা মহামারি ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পৃথিবীতে অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন পদ্মা সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রেও নানা প্রতিবন্ধকতা ও ষড়যন্ত্র ছিল। সমস্ত প্রতিবন্ধকতা ও ষড়যন্ত্রকে পেছনে ফেলে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পদ্মা সেতু যেমন নির্মিত হয়েছে, পৃথিবীর এই সংকটকালেও সমস্ত প্রতিবন্ধকতা ও সীমাবদ্ধতাকে উপড়ে ফেলে দেশের সমৃদ্ধির পথে অভিযাত্রা অব্যাহত থাকবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ঠিকানায় দেশ পৌঁছাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। পবিত্র ঈদ উপলক্ষে সেই প্রার্থনা আমরা করেছি, আজকেও একই প্রত্যাশা করি।’
চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে তিনটি প্রকল্পে ১১ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যারা এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করছে, এই টাকার সদ্ব্যবহার ও সমন্বিতভাবে কাজ করা তাদের দায়িত্ব। যারা জলাবদ্ধতা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, আমি তাদের সব সময় তাগাদা দিয়ে আসছি।’
নিজেও চট্টগ্রাম শহরে জলাবদ্ধতার মধ্যেই বড় হয়েছেন উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মানুষের প্রত্যাশা ছিল, এবার যেহেতু জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে, গতবারের তুলনায় পানি কম উঠবে। যেহেতু প্রকল্পটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি, মাঝপথে আছে, সে জন্য মানুষ এখনো সুফল পাচ্ছে না। বৃষ্টির মৌসুম শেষ হলে যাতে কাজ শুরু হলে দ্রুত শেষ হবে।’

২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
৬ মিনিট আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
১ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার কোনো আসামি যাতে জামিন, অব্যাহতি বা খালাস না পান, তা নিশ্চিত করাসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
২ ঘণ্টা আগে