নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় সারা দেশের মানুষ স্বস্তি পেয়েছে। তারা হত্যা ও ডাকাতি করেছে, মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে, জনগণের সকল অধিকার খর্ব করেছে। জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে তারা ২ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদন দেখলে বুঝতে পারবেন, কত জঘন্য কাজ আওয়ামী লীগ করেছে।’
আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে ‘মিট দ্য রিপোর্টার্সে’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম এ কথা বলেন। এ সময় জুলাইয়ের ঘোষণাপত্র আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে হবে বলেও জানান তিনি।
শফিকুল আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের শাসনামলে গত ১৫ বছরে সাড়ে ৩ হাজার মানুষ গুমের শিকার হয়েছে। এমনকি বাচ্চা পর্যন্ত গুম হয়েছে। আওয়ামীর কার্যক্রম নিষিদ্ধে পুরো দেশের মানুষ স্বস্তি পেয়েছে।’
এক রাতের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত আসলেও, শেখ হাসিনার পতনের গত ৯ মাসেও কেন আসেনি—এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মানুষকে খুন, গুম ও হত্যা করেছে। এখনো তারা ভয়াবহ মিথ্যাচার করেই যাচ্ছে। এসবের কারণে দেশের জনগণ নিষিদ্ধের দাবি ওঠালে আওয়ামীর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। এটি শুধু জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দাবি নয়, প্রায় সকল বড় দলেরও দাবি ছিল আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হোক।’
১৪ দলের শুধু আওয়ামী নিষিদ্ধ হলো কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, ‘জুলাই গণহত্যায় আওয়ামী লীগের কথা বলা হয়েছে, বাকি দলগুলোর তো সহযোগিতা ছিল না। জাতিসংঘের প্রতিবেদন দেখলে বুঝবেন কীভাবে গণহত্যা চালিয়েছে, আর কারা চালিয়েছে।’
শফিকুল আলম জানান, ‘হত্যার পাশাপাশি আওয়ামী লীগ অর্থ আত্মসাৎ থেকে শুরু করে ব্যাংক ডাকাতি করেছে। ইসলামী ব্যাংক থেকে ৭৫ হাজার কোটি টাকা তারা নিয়ে গেছে। ফার্মার্স ব্যাংক থেকে ২-৩ শ কোটি টাকা নিয়ে গেছে। মানুষ হত্যা করেছে। তারপরও আওয়ামী লীগের বিন্দুমাত্র অনুশোচনা নেই। তারা এখনো পর্যন্ত একের পর এক গুজব ও ভয়াবহ মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।’
শেয়ারবাজারে কারসাজি ও লুটপাটের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘২০১০ সালে শেয়ারবাজারে যে ভয়াবহ ডাকাতি হয়েছে তারা এখনো আইনের আওতায় আসেনি। এ জন্য বিনিয়োগকারীদের আস্থা তলানিতে এসে ঠেকেছে। এখানে যেন ডাকাতির আড্ডাখানা না হয় সে জন্য সরকার চেষ্টা করছে। আমরা দক্ষ লোক দিয়ে শেয়ারবাজারের মিনিংফুল রিফর্ম করতে চাই, যাতে দ্বিগুণ হারে শেয়ারবাজার ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে।’
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় ‘মিট দ্য রিপোর্টার্সে’—এ সভাপতিত্ব করেন রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন। উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ—এর সহসভাপতি গাজী আনোয়ার।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় সারা দেশের মানুষ স্বস্তি পেয়েছে। তারা হত্যা ও ডাকাতি করেছে, মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে, জনগণের সকল অধিকার খর্ব করেছে। জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে তারা ২ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদন দেখলে বুঝতে পারবেন, কত জঘন্য কাজ আওয়ামী লীগ করেছে।’
আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে ‘মিট দ্য রিপোর্টার্সে’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম এ কথা বলেন। এ সময় জুলাইয়ের ঘোষণাপত্র আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে হবে বলেও জানান তিনি।
শফিকুল আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের শাসনামলে গত ১৫ বছরে সাড়ে ৩ হাজার মানুষ গুমের শিকার হয়েছে। এমনকি বাচ্চা পর্যন্ত গুম হয়েছে। আওয়ামীর কার্যক্রম নিষিদ্ধে পুরো দেশের মানুষ স্বস্তি পেয়েছে।’
এক রাতের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত আসলেও, শেখ হাসিনার পতনের গত ৯ মাসেও কেন আসেনি—এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মানুষকে খুন, গুম ও হত্যা করেছে। এখনো তারা ভয়াবহ মিথ্যাচার করেই যাচ্ছে। এসবের কারণে দেশের জনগণ নিষিদ্ধের দাবি ওঠালে আওয়ামীর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। এটি শুধু জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দাবি নয়, প্রায় সকল বড় দলেরও দাবি ছিল আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হোক।’
১৪ দলের শুধু আওয়ামী নিষিদ্ধ হলো কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, ‘জুলাই গণহত্যায় আওয়ামী লীগের কথা বলা হয়েছে, বাকি দলগুলোর তো সহযোগিতা ছিল না। জাতিসংঘের প্রতিবেদন দেখলে বুঝবেন কীভাবে গণহত্যা চালিয়েছে, আর কারা চালিয়েছে।’
শফিকুল আলম জানান, ‘হত্যার পাশাপাশি আওয়ামী লীগ অর্থ আত্মসাৎ থেকে শুরু করে ব্যাংক ডাকাতি করেছে। ইসলামী ব্যাংক থেকে ৭৫ হাজার কোটি টাকা তারা নিয়ে গেছে। ফার্মার্স ব্যাংক থেকে ২-৩ শ কোটি টাকা নিয়ে গেছে। মানুষ হত্যা করেছে। তারপরও আওয়ামী লীগের বিন্দুমাত্র অনুশোচনা নেই। তারা এখনো পর্যন্ত একের পর এক গুজব ও ভয়াবহ মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।’
শেয়ারবাজারে কারসাজি ও লুটপাটের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘২০১০ সালে শেয়ারবাজারে যে ভয়াবহ ডাকাতি হয়েছে তারা এখনো আইনের আওতায় আসেনি। এ জন্য বিনিয়োগকারীদের আস্থা তলানিতে এসে ঠেকেছে। এখানে যেন ডাকাতির আড্ডাখানা না হয় সে জন্য সরকার চেষ্টা করছে। আমরা দক্ষ লোক দিয়ে শেয়ারবাজারের মিনিংফুল রিফর্ম করতে চাই, যাতে দ্বিগুণ হারে শেয়ারবাজার ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে পারে।’
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় ‘মিট দ্য রিপোর্টার্সে’—এ সভাপতিত্ব করেন রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন। উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ—এর সহসভাপতি গাজী আনোয়ার।

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাওয়া বৈধ প্রার্থীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই বয়সে তরুণ ও যুবক। মোট প্রার্থীর ৩১ দশমিক ৩১ শতাংশের বয়স ২৫ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শতাংশের হিসাবে তরুণ প্রার্থী সবচেয়ে বেশি জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮২ জন। তাঁদের প্রায় অর্ধেক প্রবাসী বাংলাদেশি। প্রবাসীরা এবারই প্রথম ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন বলেছে, পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার নিবন্ধনে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সাড়া পাওয়া গেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
সারা দেশের জেলা আদালত ও উচ্চ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিয়োগে স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস করার সুপারিশ বাস্তবায়ন হয়নি এক বছরেও। বিলুপ্ত বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় হলেও স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস হয়নি।
৮ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর স্ত্রী রহিমা আক্তারের নামে থাকা একটি ১০ তলা ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ গজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
১১ ঘণ্টা আগে