নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অন্তর্বর্তী সরকারের ২৫ বছর মেয়াদি জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা (ইপিএসএমপি ২০২৫) অবিলম্বে স্থগিত ও সম্পূর্ণ বাতিলের দাবি জানিয়েছে বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠন। তারা বলছে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে এবং জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়াই জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর ও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এই পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করার আশঙ্কা রয়েছে।
রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আজ রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। বাংলাদেশের প্রতিবেশ ও উন্নয়ন কর্মজোটের (বিডব্লিউজিইডি) উদ্যোগে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোটের (ক্লিন) নেটওয়ার্ক অ্যাডভাইজার মনোয়ার মোস্তফা।
মনোয়ার মোস্তফা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব ছিল, নিয়মিত রাষ্ট্র পরিচালনা নিশ্চিত করা। কিন্তু সেই সীমা অতিক্রম করে একটি দীর্ঘমেয়াদি, বহুমাত্রিক ও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জ্বালানি পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পরিকল্পনা প্রণয়নে অংশগ্রহণমূলক পরামর্শ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মনোয়ার মোস্তফা বলেন, অতীতে দ্রুত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন ব্যবহার করে যেভাবে বিতর্কিত প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, ইপিএসএমপি ২০২৫ সেই একই পথে ভবিষ্যতেও জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর প্রকল্পকে বৈধতা দেওয়ার কাঠামো তৈরি করছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিডব্লিউজিইডির সদস্যসচিব হাসান মেহেদী বলেন, খসড়া এই মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে জনসাধারণ, নাগরিক সমাজ ও স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। কোনো জনশুনানি বা উন্মুক্ত পরামর্শ ছাড়াই জাতীয় পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি চূড়ান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে; যা আগের সরকারের অস্বচ্ছ নীতি প্রণয়নের পুনরাবৃত্তি।
এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (লিড) গবেষণা পরিচালক শিমন উজ্জামান বলেন, নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে নাগরিক সমাজকে উপেক্ষা করে আবারও সমন্বিত জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনার (আইইপিএমপি ২০২৩) মতো একটি বিতর্কিত মহাপরিকল্পনা আনার উদ্যোগ হতাশাজনক।
ইথিক্যাল ট্রেডিং ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশের পরিচালক মুনীর উদ্দীন শামীম বলেন, এই পরিকল্পনার মাধ্যমে নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং এটি এগিয়ে গেলে রপ্তানি খাত গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়বে।
সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে অবিলম্বে ইপিএসএমপি ২০২৫ স্থগিত ও বাতিল, নাগরিক সমাজ ও জনগণের অংশগ্রহণে স্বচ্ছ জাতীয় পরামর্শ প্রক্রিয়া শুরু, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা দ্রুত কমিয়ে বাস্তবসম্মত ১০০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির রোডম্যাপ প্রণয়ন এবং নবনির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক নতুন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ।

অন্তর্বর্তী সরকারের ২৫ বছর মেয়াদি জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা (ইপিএসএমপি ২০২৫) অবিলম্বে স্থগিত ও সম্পূর্ণ বাতিলের দাবি জানিয়েছে বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠন। তারা বলছে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে এবং জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়াই জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর ও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এই পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করার আশঙ্কা রয়েছে।
রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আজ রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। বাংলাদেশের প্রতিবেশ ও উন্নয়ন কর্মজোটের (বিডব্লিউজিইডি) উদ্যোগে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোটের (ক্লিন) নেটওয়ার্ক অ্যাডভাইজার মনোয়ার মোস্তফা।
মনোয়ার মোস্তফা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব ছিল, নিয়মিত রাষ্ট্র পরিচালনা নিশ্চিত করা। কিন্তু সেই সীমা অতিক্রম করে একটি দীর্ঘমেয়াদি, বহুমাত্রিক ও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জ্বালানি পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পরিকল্পনা প্রণয়নে অংশগ্রহণমূলক পরামর্শ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মনোয়ার মোস্তফা বলেন, অতীতে দ্রুত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন ব্যবহার করে যেভাবে বিতর্কিত প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, ইপিএসএমপি ২০২৫ সেই একই পথে ভবিষ্যতেও জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর প্রকল্পকে বৈধতা দেওয়ার কাঠামো তৈরি করছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিডব্লিউজিইডির সদস্যসচিব হাসান মেহেদী বলেন, খসড়া এই মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে জনসাধারণ, নাগরিক সমাজ ও স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। কোনো জনশুনানি বা উন্মুক্ত পরামর্শ ছাড়াই জাতীয় পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি চূড়ান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে; যা আগের সরকারের অস্বচ্ছ নীতি প্রণয়নের পুনরাবৃত্তি।
এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (লিড) গবেষণা পরিচালক শিমন উজ্জামান বলেন, নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে নাগরিক সমাজকে উপেক্ষা করে আবারও সমন্বিত জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনার (আইইপিএমপি ২০২৩) মতো একটি বিতর্কিত মহাপরিকল্পনা আনার উদ্যোগ হতাশাজনক।
ইথিক্যাল ট্রেডিং ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশের পরিচালক মুনীর উদ্দীন শামীম বলেন, এই পরিকল্পনার মাধ্যমে নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং এটি এগিয়ে গেলে রপ্তানি খাত গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়বে।
সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে অবিলম্বে ইপিএসএমপি ২০২৫ স্থগিত ও বাতিল, নাগরিক সমাজ ও জনগণের অংশগ্রহণে স্বচ্ছ জাতীয় পরামর্শ প্রক্রিয়া শুরু, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা দ্রুত কমিয়ে বাস্তবসম্মত ১০০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির রোডম্যাপ প্রণয়ন এবং নবনির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক নতুন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ।

ঋণ ও আয়কর-সংক্রান্ত অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক পিএলসির সাবেক দুই চেয়ারম্যানসহ ১৮ জন পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কমিশনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
১৯ মিনিট আগে
কার্যকরভাবে আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার মৌলিক ভিত্তি বলে মন্তব্য করেছেন বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। তিনি বলেছেন, পরিবর্তনশীল কৌশলগত পরিবেশে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষায়...
৩৫ মিনিট আগে
সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো ভেঙে রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে এবারের গণভোট। একটি মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-তে রায়ের কোনো বিকল্প নেই।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৬৮ আসনে এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাকি আসনগুলোতে ফ্যাসিবাদবিরোধী সৎ ও দক্ষ প্রার্থীদের সমর্থন দেবে বলে জানিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে