Ajker Patrika

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য তাড়াহুড়ো নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন

বাসস, ঢাকা  
আপডেট : ২২ আগস্ট ২০২৬, ২২: ৫৩
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য তাড়াহুড়ো নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। ছবি: সংগৃহীত

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অগ্রগতি হওয়ার পর উপযুক্ত সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করবেন। তবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।

আজ শনিবার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখব। আমরা একটি ইতিবাচক সম্পর্ক চাই। তবে তা করতে হবে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে।’

পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ঢাকা নয়াদিল্লির সঙ্গে ইতিবাচক ও কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে বাংলাদেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে এ ধরনের সম্পৃক্ততা হতে পারে না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে একটি ইতিবাচক সম্পর্ক চাই। কেন চাইব না? তারা আমাদের প্রতিবেশী। আমাদের একটি কার্যকর সম্পর্ক থাকা উচিত।’

হুমায়ুন কবির আরও বলেন, ‘শুধু ভারতের সঙ্গে নয়, কোনো দেশের সঙ্গেই আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে আপস করে কিছু করতে পারি না।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের সময়সূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, সরকারপ্রধান পর্যায়ে সফরের জন্য তাড়াহুড়ো করার কোনো কারণ নেই।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামীকাল যদি আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারি, তাহলে আগামী সপ্তাহে বা তার পরের সপ্তাহেই আমরা যেতে পারি। এখানে কোনো তাড়াহুড়ো নেই।’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের সফরের জন্য যথাযথ প্রস্তুতি, গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় পূর্বপ্রস্তুতি দরকার।

হুমায়ুন কবির বলেন, দুই দেশের সরকারপ্রধানের বৈঠকের আগে উভয় পক্ষকে প্রয়োজনীয় ভিত্তি তৈরি করতে হবে। ‘আমরা ঠিক সেটিই করছি’।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে এবং বিষয়টি দুই দেশের চলমান সম্পৃক্ততার অংশ।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। তাঁর বিরুদ্ধে করা কয়েকটি মামলার বিচারিক কার্যক্রম ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে এবং আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

‘সুতরাং, এগুলো নতুন কোনো শর্ত বা নতুন ধরনের সম্পৃক্ততার বিষয় নয়; এগুলো চলমান বিষয়’ তিনি বলেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য কথিত অপরাধীদের ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা ও অনুভূতির সঙ্গে সম্পর্কিত।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আরও অনেক অপরাধী ভারতে পালিয়ে গেছে। এটি বাংলাদেশের জনগণের স্বাভাবিক দাবি এবং তাদের অনুভূতির বিষয়। আমরা এই প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে চাই।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত