
অনলাইনে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ফাইভার একটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস। এই ওয়েবসাইটে কাজ করে ডলার আয় করতেন শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে অংশ নিয়ে গুলিতে নিহত মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। একজন দক্ষ কর্মীকে হারিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে ফাইভার কর্তৃপক্ষ।
বুধবার ফেসবুকে ফাইভারের ফেরিফায়েড পেজ থেকে মুগ্ধকে স্মরণ করে লেখা হয়েছে, ‘অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমরা আমাদের ফাইভার পরিবারের ক্ষতির কথা জানলাম। বাবা-মা ও দুই ভাইকে রেখে গত সপ্তাহে মারা গেছে মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। মীর একজন প্রতিভাবান মার্কেটার ছিলেন, যিনি এসইও এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দক্ষতা দিয়ে ফাইভারে একটি সফল ব্যবসা তৈরি করেছিলেন। তার চেয়েও বড় কথা, তিনি ছিলেন একজন আগ্রহী ভ্রমণপিপাসু, একজন প্রতিভাবান ফুটবলার, একজন বাংলাদেশি স্কাউট এবং একজন সত্যিকারের মানবতাবাদী।’
ফাইভারের পোস্টে আরও লেখা হয়েছে—‘মীরকে মিস করা হবে। তাঁর পরিবার এবং বন্ধুদের জন্য প্রার্থনা।’
গত ১৮ জুলাই রাজধানীর উত্তরায় গুলিতে প্রাণ হারান মুগ্ধ। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি। খেলোয়াড়, গায়ক, সংগঠক হিসেবে ক্যাম্পাসে ছিলেন সুপরিচিত। গণিতে স্নাতক শেষ করে গত মার্চ থেকে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিংয়ের পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) এমবিএ করছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে, মৃত্যুর মাত্র ১৫ মিনিট আগেও টিয়ারশেলের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন একটি সড়কে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পানি ও বিস্কুট সরবরাহ করছিলেন মুগ্ধ।
ঘটনার সময় সঙ্গে থাকা এক বন্ধু জানান, বিকেল ৬টার দিকে রাজউক কমার্শিয়ালের সামনে থেকে পুলিশ গুলি করতে করতে এগিয়ে আসে। এ সময় একটি গুলি মুগ্ধর কপাল দিয়ে ঢুকে ডান কানের নিচ দিয়ে বেরিয়ে যায়। ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

অনলাইনে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ফাইভার একটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস। এই ওয়েবসাইটে কাজ করে ডলার আয় করতেন শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে অংশ নিয়ে গুলিতে নিহত মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। একজন দক্ষ কর্মীকে হারিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে ফাইভার কর্তৃপক্ষ।
বুধবার ফেসবুকে ফাইভারের ফেরিফায়েড পেজ থেকে মুগ্ধকে স্মরণ করে লেখা হয়েছে, ‘অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমরা আমাদের ফাইভার পরিবারের ক্ষতির কথা জানলাম। বাবা-মা ও দুই ভাইকে রেখে গত সপ্তাহে মারা গেছে মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। মীর একজন প্রতিভাবান মার্কেটার ছিলেন, যিনি এসইও এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দক্ষতা দিয়ে ফাইভারে একটি সফল ব্যবসা তৈরি করেছিলেন। তার চেয়েও বড় কথা, তিনি ছিলেন একজন আগ্রহী ভ্রমণপিপাসু, একজন প্রতিভাবান ফুটবলার, একজন বাংলাদেশি স্কাউট এবং একজন সত্যিকারের মানবতাবাদী।’
ফাইভারের পোস্টে আরও লেখা হয়েছে—‘মীরকে মিস করা হবে। তাঁর পরিবার এবং বন্ধুদের জন্য প্রার্থনা।’
গত ১৮ জুলাই রাজধানীর উত্তরায় গুলিতে প্রাণ হারান মুগ্ধ। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি। খেলোয়াড়, গায়ক, সংগঠক হিসেবে ক্যাম্পাসে ছিলেন সুপরিচিত। গণিতে স্নাতক শেষ করে গত মার্চ থেকে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিংয়ের পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) এমবিএ করছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে, মৃত্যুর মাত্র ১৫ মিনিট আগেও টিয়ারশেলের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন একটি সড়কে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পানি ও বিস্কুট সরবরাহ করছিলেন মুগ্ধ।
ঘটনার সময় সঙ্গে থাকা এক বন্ধু জানান, বিকেল ৬টার দিকে রাজউক কমার্শিয়ালের সামনে থেকে পুলিশ গুলি করতে করতে এগিয়ে আসে। এ সময় একটি গুলি মুগ্ধর কপাল দিয়ে ঢুকে ডান কানের নিচ দিয়ে বেরিয়ে যায়। ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে মাঠ প্রশাসনে লটারির মাধ্যমে রদবদল করা হয়েছে এবং এতে কোনো পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই—এমনটি জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ সোমবার এনসিপির চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
৭ মিনিট আগে
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সিল দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জাতির উদ্দেশে ‘বার্তা’ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তাঁর এই বার্তা প্রচার করা হবে।
৪১ মিনিট আগে
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর এয়ার অফিসার্স সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকা সেনানিবাসে বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, বিবিপি
১ ঘণ্টা আগে
আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা সাত দিন ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য। এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে.........
১ ঘণ্টা আগে