নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই পাঁচ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি)। এ ক্ষেত্রে দুই সিটিতে একদিনে ও অপর তিন সিটিতে একসঙ্গে একই দিনে ভোট হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।
আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে এসব কথা জানান তিনি।
এ সময় নির্বাচনগুলোতে সরকার থেকে অর্থ বরাদ্দ পেলে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে বলেও জানিয়েছেন এই নির্বাচন কমিশনার। মো. আলমগীর বলেন, ‘যেহেতু আমাদের জাতীয় নির্বাচন আছে এ বছরের ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সে জন্য আমাদের চেষ্টা থাকবে এই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন শেষের দিকে না করে আগেই করা।’
আজ ইসির অনানুষ্ঠানিক সভা হয়েছে। এতে চলতি বছর আসন্ন সিটি নির্বাচনগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। ওই সভার সূত্র ধরে ইসি আলমগীর বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো সিটি নির্বাচনের তফসিল নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে মার্চের পর একসঙ্গে কয়েকটি নির্বাচনের তফসিল দেওয়া হবে।
মো. আলমগীর আরও জানান, যেসব সিটির ক্ষণ গণনা আগে শুরু হবে সেগুলোতে আগে ভোটের আয়োজন করবে ইসি। এ ক্ষেত্রে গাজীপুর, খুলনা ও রাজশাহীর ক্ষণগননা আগেই শুরু হবে। আর বরিশাল ও সিলেটের পরে বিধায় এই দুই সিটির ভোটও পরে আয়োজন করা হবে।
সিটি নির্বাচনগুলোতে সিসি ক্যামেরা ব্যবহার হবে কিনা জানতে চাইলে আলমগীর বলেন, ‘এটা নির্ভর করবে বাজেটের ওপর। আমরা বাজেট চাইব। টাকা পেলে সিসি ক্যামেরা ব্যবহার হবে।’
সরকারের ইচ্ছা অনিচ্ছার ওপর সিসি ক্যামেরা নির্ভর করছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, ‘সিসি ক্যামেরা ভোটের অনুষঙ্গ নয়। আইনে কোথাও বলা নেই সিসি ক্যামেরা রাখতে হবে। এটা বাড়তি ব্যবস্থা এবং পরীক্ষামূলক ছিল। টাকা পেলে সব আসনে না করলেও ঝুঁকিপূর্ণ আসনে করা হবে।’
সিসি ক্যামেরা নিয়ে সরকারের সদিচ্ছার অভাব আছে বলে মনে করেন না মো. আলমগীর। তিনি বলেন, ‘সরকার থেকে আমরা কোনো প্রতিক্রিয়া পাইনি। দলের কেউ মন্তব্য করতেই পারেন। দলের সঙ্গে সরকারের মন্তব্যের রিলেশন করা যাবে না। সরকার আর দল কিন্তু এক নয়।’

আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই পাঁচ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি)। এ ক্ষেত্রে দুই সিটিতে একদিনে ও অপর তিন সিটিতে একসঙ্গে একই দিনে ভোট হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।
আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে এসব কথা জানান তিনি।
এ সময় নির্বাচনগুলোতে সরকার থেকে অর্থ বরাদ্দ পেলে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে বলেও জানিয়েছেন এই নির্বাচন কমিশনার। মো. আলমগীর বলেন, ‘যেহেতু আমাদের জাতীয় নির্বাচন আছে এ বছরের ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সে জন্য আমাদের চেষ্টা থাকবে এই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন শেষের দিকে না করে আগেই করা।’
আজ ইসির অনানুষ্ঠানিক সভা হয়েছে। এতে চলতি বছর আসন্ন সিটি নির্বাচনগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। ওই সভার সূত্র ধরে ইসি আলমগীর বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো সিটি নির্বাচনের তফসিল নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে মার্চের পর একসঙ্গে কয়েকটি নির্বাচনের তফসিল দেওয়া হবে।
মো. আলমগীর আরও জানান, যেসব সিটির ক্ষণ গণনা আগে শুরু হবে সেগুলোতে আগে ভোটের আয়োজন করবে ইসি। এ ক্ষেত্রে গাজীপুর, খুলনা ও রাজশাহীর ক্ষণগননা আগেই শুরু হবে। আর বরিশাল ও সিলেটের পরে বিধায় এই দুই সিটির ভোটও পরে আয়োজন করা হবে।
সিটি নির্বাচনগুলোতে সিসি ক্যামেরা ব্যবহার হবে কিনা জানতে চাইলে আলমগীর বলেন, ‘এটা নির্ভর করবে বাজেটের ওপর। আমরা বাজেট চাইব। টাকা পেলে সিসি ক্যামেরা ব্যবহার হবে।’
সরকারের ইচ্ছা অনিচ্ছার ওপর সিসি ক্যামেরা নির্ভর করছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, ‘সিসি ক্যামেরা ভোটের অনুষঙ্গ নয়। আইনে কোথাও বলা নেই সিসি ক্যামেরা রাখতে হবে। এটা বাড়তি ব্যবস্থা এবং পরীক্ষামূলক ছিল। টাকা পেলে সব আসনে না করলেও ঝুঁকিপূর্ণ আসনে করা হবে।’
সিসি ক্যামেরা নিয়ে সরকারের সদিচ্ছার অভাব আছে বলে মনে করেন না মো. আলমগীর। তিনি বলেন, ‘সরকার থেকে আমরা কোনো প্রতিক্রিয়া পাইনি। দলের কেউ মন্তব্য করতেই পারেন। দলের সঙ্গে সরকারের মন্তব্যের রিলেশন করা যাবে না। সরকার আর দল কিন্তু এক নয়।’

একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের কাগজপত্র জমা না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মতো নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
৩ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচিতে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
৪ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক বিশেষ অধিবেশনে সোমালিয়ার পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
৬ ঘণ্টা আগে