নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলমান কঠোর বিধিনিষেধ বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধিনিষেধ অবশ্যই থাকতে হবে। আমরা এখনো করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। আমাদের দেশে করোনা এখনও ঊর্ধ্বমুখী। তাই বিধিনিষেধের মধ্যেই সবকিছু করতে হবে।
রোববার (১ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) মিলনায়তনে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে করোনায় আক্রান্তদের ১ দশমিক ৬ শতাংশ মারা যায়। আমাদের জীবনের জন্য জীবিকার দরকার হয়। আবার জীবিকার জন্য তো জীবনও থাকতে হবে। আমাদের এই দুটো ব্যালেন্স করে চলতে হয়। কিন্তু সবসময় তা রাখা যায় না।
তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে লকডাউন উঠিয়ে দিয়েছিল তবে আবার তারা লকডাউন চালু করেছে। অস্ট্রেলিয়ায় কারফিউ দিয়েছিল। মাস্ক পড়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র, আবারও তা পরতে বলেছে। বিশ্বের অনেক জায়গায় রেস্টুরেন্ট খুলে দেওয়া হয়েছিল, আবারও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেজন্য আমাদেরকেও সাবধানে এগোতে হবে। আগে আমরা সেভাবে টিকা পাইনি যার ফলে সকলকে দিতে পারিনি। এখন প্রত্যেক সপ্তাহে টিকা আসছে। আমরা টিকা দেওয়ার একটা বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।
গার্মেন্টস শ্রমিকদের ঢাকামুখী যাত্রায় স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়নি জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, আমরা দেখেছি ফেরিতে গাদাগাদি করে শ্রমিকেরা ঢাকাতে এসেছেন, এতে সংক্রমণ বাড়বে। আমরা চেষ্টা করবো আগামীতে এ ধরনের ঘটনা যেন আর না হয়। সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, সীমান্ত এলাকায় এরই মধ্যে সংক্রমণ কিছুটা কমে আসছে। দক্ষিণবঙ্গে এখনও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। পূর্ব–দক্ষিণ অঞ্চলে সংক্রমণ বাড়ছে সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা এসব এলাকায়। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি সেবা দেওয়ার জন্য, যতটুকু সম্ভব হাসপাতালের শয্যা বাড়ানো চেষ্টা করছি।
মন্ত্রী বলেন, আগামী ৭ আগস্ট থেকে উপজেলা পর্যায়ে টিকা দেওয়া হবে। এনআইডি না থাকলেও বয়স্করা টিকা পাবেন। গর্ভবতীদেরও টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশে টিকাদান কর্মসূচির যে সক্ষমতা তাতে সপ্তাহে এক কোটি টিকা দেওয়া হবে। টিকা ব্যবস্থা যদি সহজলভ্য হয় তাহলে কোটি কোটি মানুষদের টিকা দেওয়া সম্ভব।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলমান কঠোর বিধিনিষেধ বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধিনিষেধ অবশ্যই থাকতে হবে। আমরা এখনো করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। আমাদের দেশে করোনা এখনও ঊর্ধ্বমুখী। তাই বিধিনিষেধের মধ্যেই সবকিছু করতে হবে।
রোববার (১ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) মিলনায়তনে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে করোনায় আক্রান্তদের ১ দশমিক ৬ শতাংশ মারা যায়। আমাদের জীবনের জন্য জীবিকার দরকার হয়। আবার জীবিকার জন্য তো জীবনও থাকতে হবে। আমাদের এই দুটো ব্যালেন্স করে চলতে হয়। কিন্তু সবসময় তা রাখা যায় না।
তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে লকডাউন উঠিয়ে দিয়েছিল তবে আবার তারা লকডাউন চালু করেছে। অস্ট্রেলিয়ায় কারফিউ দিয়েছিল। মাস্ক পড়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র, আবারও তা পরতে বলেছে। বিশ্বের অনেক জায়গায় রেস্টুরেন্ট খুলে দেওয়া হয়েছিল, আবারও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেজন্য আমাদেরকেও সাবধানে এগোতে হবে। আগে আমরা সেভাবে টিকা পাইনি যার ফলে সকলকে দিতে পারিনি। এখন প্রত্যেক সপ্তাহে টিকা আসছে। আমরা টিকা দেওয়ার একটা বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।
গার্মেন্টস শ্রমিকদের ঢাকামুখী যাত্রায় স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়নি জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, আমরা দেখেছি ফেরিতে গাদাগাদি করে শ্রমিকেরা ঢাকাতে এসেছেন, এতে সংক্রমণ বাড়বে। আমরা চেষ্টা করবো আগামীতে এ ধরনের ঘটনা যেন আর না হয়। সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, সীমান্ত এলাকায় এরই মধ্যে সংক্রমণ কিছুটা কমে আসছে। দক্ষিণবঙ্গে এখনও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। পূর্ব–দক্ষিণ অঞ্চলে সংক্রমণ বাড়ছে সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা এসব এলাকায়। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি সেবা দেওয়ার জন্য, যতটুকু সম্ভব হাসপাতালের শয্যা বাড়ানো চেষ্টা করছি।
মন্ত্রী বলেন, আগামী ৭ আগস্ট থেকে উপজেলা পর্যায়ে টিকা দেওয়া হবে। এনআইডি না থাকলেও বয়স্করা টিকা পাবেন। গর্ভবতীদেরও টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশে টিকাদান কর্মসূচির যে সক্ষমতা তাতে সপ্তাহে এক কোটি টিকা দেওয়া হবে। টিকা ব্যবস্থা যদি সহজলভ্য হয় তাহলে কোটি কোটি মানুষদের টিকা দেওয়া সম্ভব।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে অতীতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি কাটিয়ে উঠতে চায় পুলিশ। কিন্তু ভোটের দিন স্বাধীন ও চাপমুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করা যাবে কি না, তা নিয়ে বাহিনীর ভেতরে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের ভীতি-শঙ্কা।
১০ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যাতে আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল সোমবার জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবী সংগঠন বা অন্য কোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১১ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের গাজায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি কয়েকটি শর্তের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
১২ ঘণ্টা আগে