আজকের পত্রিকা ডেস্ক

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাইকে মানহানির ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, রোববার চৌদ্দগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাইকে মানহানির ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে- জনাব আব্দুল হাই হত্যাসহ ৯টি মামলার আসামি। আমরা সকলকে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কানুকে গলায় জুতার মালা দিয়ে লাঞ্ছিত করেছে স্থানীয় উচ্ছৃঙ্খল লোকজন। গতকাল রোববার দুপুরের দিকে ওই মুক্তিযোদ্ধার নিজ এলাকা চৌদ্দগ্রামের কুলিয়ারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। রাতে তাঁর জুতার মালা পড়া ও এলাকায় ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়ার ১ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা জানায়, মুক্তিযোদ্ধা কানু কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য। আওয়ামী লীগের তৎকালীন স্থানীয় এমপি মুজিবুল হকের সঙ্গে বিরোধের কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দেওয়া হয় ওই সময়। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারও করে মজিবুর হকের নির্দেশে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতারা তখন আব্দুল হাই কানুর বাড়ি একাধিকবার ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছিলেন। রোববার সকালে তাঁকে একা পেয়ে স্থানীয় ১০-১২ জন ব্যক্তি গলায় জুতার মালা দেয়।
ছড়িয়ে হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়—স্থানীয় জামায়াত সমর্থক প্রবাসে থাকা আবুল হাসেমের নেতৃত্বে অহিদ, রাসেল, পলাশসহ ১০-১২ জন আওয়ামী লীগ আমলে তাদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুক্তিযোদ্ধা কানুর গলায় জুতার মালা দিয়ে তাকে এলাকা এমনকি কুমিল্লায় থাকতে পারবেন না বলে হুমকি দিচ্ছেন। এ সময় তিনি জুতার মালা সরিয়ে আর এলাকায় আসবেন না বলেও জানান। এ সময় তাঁর ভিডিও ধারণ ও ছবি নেওয়া হয়।
ওই ব্যক্তিরা বলতে থাকেন ‘এক গ্রাম লোকের সামনে মাফ চাইতে পারবেন কিনা?’ অন্যরা বলতে থাকে, ‘কুমিল্লা আউট, এলাকা আউট, এলাকা ছেড়ে দাও।’
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিকদের বলেন, ‘হঠাৎ আমাকে একা পেয়ে জোর করে ওরা জুতার মালা গালায় দিয়ে ভিডিও করে। বিচার কার কাছে চাইব, মামলা দিয়ে আর কী হবে।’

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাইকে মানহানির ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, রোববার চৌদ্দগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাইকে মানহানির ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে- জনাব আব্দুল হাই হত্যাসহ ৯টি মামলার আসামি। আমরা সকলকে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কানুকে গলায় জুতার মালা দিয়ে লাঞ্ছিত করেছে স্থানীয় উচ্ছৃঙ্খল লোকজন। গতকাল রোববার দুপুরের দিকে ওই মুক্তিযোদ্ধার নিজ এলাকা চৌদ্দগ্রামের কুলিয়ারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। রাতে তাঁর জুতার মালা পড়া ও এলাকায় ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়ার ১ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা জানায়, মুক্তিযোদ্ধা কানু কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য। আওয়ামী লীগের তৎকালীন স্থানীয় এমপি মুজিবুল হকের সঙ্গে বিরোধের কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দেওয়া হয় ওই সময়। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারও করে মজিবুর হকের নির্দেশে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতারা তখন আব্দুল হাই কানুর বাড়ি একাধিকবার ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছিলেন। রোববার সকালে তাঁকে একা পেয়ে স্থানীয় ১০-১২ জন ব্যক্তি গলায় জুতার মালা দেয়।
ছড়িয়ে হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়—স্থানীয় জামায়াত সমর্থক প্রবাসে থাকা আবুল হাসেমের নেতৃত্বে অহিদ, রাসেল, পলাশসহ ১০-১২ জন আওয়ামী লীগ আমলে তাদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুক্তিযোদ্ধা কানুর গলায় জুতার মালা দিয়ে তাকে এলাকা এমনকি কুমিল্লায় থাকতে পারবেন না বলে হুমকি দিচ্ছেন। এ সময় তিনি জুতার মালা সরিয়ে আর এলাকায় আসবেন না বলেও জানান। এ সময় তাঁর ভিডিও ধারণ ও ছবি নেওয়া হয়।
ওই ব্যক্তিরা বলতে থাকেন ‘এক গ্রাম লোকের সামনে মাফ চাইতে পারবেন কিনা?’ অন্যরা বলতে থাকে, ‘কুমিল্লা আউট, এলাকা আউট, এলাকা ছেড়ে দাও।’
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিকদের বলেন, ‘হঠাৎ আমাকে একা পেয়ে জোর করে ওরা জুতার মালা গালায় দিয়ে ভিডিও করে। বিচার কার কাছে চাইব, মামলা দিয়ে আর কী হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে দ্বৈত নাগরিকত্ব–সংক্রান্ত জটিলতায় পড়া অধিকাংশ প্রার্থীর পথ সুগম করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির এক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে এবং কুমিল্লা-৩ আসনে আরেক বিএনপি প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন (ইসি) কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই আপিল শুনানি সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানিতে কমিশন কোনো পক্ষপাত দেখায়নি। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের
৯ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও ওই দলের মুখ্য সমন্বয়ক ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১০ ঘণ্টা আগে
আপিল শুনানির শেষ দিনে বিএনপির আরও দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রার্থিতা পুনর্বহাল বা বাতিল চেয়ে দায়ের করা আপিলের শুনানি শেষে ইসি এ রায় দেয়।
১১ ঘণ্টা আগে