
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, শিকল ভাঙার উদ্দেশ্য কেবল একটি স্বৈরাচারী বা নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার অবসান নয়; বরং এমন একটি শিকলবিহীন গণতান্ত্রিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে জনগণের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সৃষ্টিশীল শক্তিকে আর কখনো শৃঙ্খলিত করা যাবে না।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে ‘শিকল ভাঙার জুলাই’ শীর্ষক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পরও বাংলাদেশকে বারবার শিকল ভাঙার সংগ্রামে নামতে হয়েছে। কারণ জনগণের কণ্ঠস্বর বারবার দমিয়ে রাখার চেষ্টা হয়েছে। এর ফলে দেশের স্বাভাবিক অগ্রযাত্রা ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রতিবারই জনগণকে রক্ত, প্রাণ ও ত্যাগের বিনিময়ে সেই শিকল ভাঙতে হয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ ধারাবাহিক উন্নয়নের মাধ্যমে বৈশ্বিক শক্তিতে পরিণত হলেও বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বারবার বাধাগ্রস্ত হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের গতি ব্যাহত হয়েছে।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এবারের শিকল ভাঙার আন্দোলনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, আন্দোলনের পর রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালিত হবে, তার রূপরেখা আগেই উপস্থাপন করা হয়েছে। সেই লক্ষ্যেই সরকার এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা যেমন শিকল ভাঙতে পেরেছি, তেমনি একটি শিকলমুক্ত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আমরা অটল প্রতিজ্ঞ।’
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘শিকল ভাঙার জুলাই’ কেবল একটি প্রকাশনা নয়; এটি জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস, আত্মত্যাগ এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। তিনি জানান, সংকলনে মন্ত্রিসভার সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাসহ দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের স্মৃতিচারণ, বিশ্লেষণ ও আলোকচিত্র স্থান পেয়েছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মূল্যবান দলিল হিসেবে বিবেচিত হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ দপ্তর-সংস্থাগুলো আরও প্রকাশনা, তথ্যচিত্র ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণ করছে, যাতে নতুন প্রজন্মের কাছে আন্দোলনের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা যায়।
অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. শাহ আলম, অতিরিক্ত সচিব কে এম আবদুল ওয়াদুদ, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, গণমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের কারাগারে থাকা বিদেশি বন্দীদের সাজা শেষ হলেও ফেরত নেয় না তাদের দেশ। এমনকি মারা গেলেও অনেকের মরদেহ নিতে আগ্রহ দেখায় না। গত দুই বছরে বিভিন্ন কারাগারে ১৭ জন বিদেশি বন্দীর মৃত্যু হলেও কেবল ভারত দুজনের মরদেহ ফেরত নিয়েছে। ফেরত না নেওয়া মরদেহ তিন মাস অপেক্ষা করে যার যার ধর্ম অনুযায়ী দাফন/সৎকার করা হয়।
১১ মিনিট আগে
চলন্ত অবস্থায় বাসে উচ্চগতির ও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার সম্ভাবনা যাচাই এবং দেশের গণপরিবহনে স্যাটেলাইট প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে গণপরিবহনে যাত্রীদের জন্য উন্নত ডিজিটাল সংযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিভিন্ন...
৩ ঘণ্টা আগে
বিশেষ করে, রোহিঙ্গা শিবিরে জন্ম নেওয়া শিশু ও ২০১৭ সালের পর রাখাইন ছাড়তে বাধ্য হওয়া নতুন আগত ব্যক্তিদের এই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার তাগিদ দেওয়া হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ তাদের নিবন্ধনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের পূর্ববর্তী সংখ্যার বাইরের রোহিঙ্গাদের ...
৫ ঘণ্টা আগে
‘ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে পানির অধিকার, কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। ক্রমবর্ধমান বাস্তবতায় দেশের স্বার্থ রক্ষা করে পানি নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করা হবে।’
৫ ঘণ্টা আগে