নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিদেশে থাকা দুটি বাড়ি ক্রোক ও চারটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন এই নির্দেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ দেন। দুদকের সরকারি পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুদকের উপ-পরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম বিদেশি এই স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধের নির্দেশ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদন অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বাফেলো লেক এভিনিউ এর আবাসিক বাড়ি ও হামবার্গের লেক স্ট্রিটের একটি বাণিজ্যিক ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যার মূল্য ৪ লাখ ৩০ হাজার ইউএস ডলার। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের দুইটি ও মালয়েশিয়ার সি আই এম বি ইসলামী ব্যাংকের দুইটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক হিসেবে কি পরিমান অর্থ রয়েছে তা দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে ইতিপূর্বে বেনজীর এবং তার স্ত্রী-কন্যার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলা তদন্তকালে বিদেশে এসব স্থাবর অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। তদন্তকালীন দুদক আরো জানতে পেরেছে, অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদ উক্ত স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পদ বিক্রয়, হস্তান্তর বা স্থানান্তর করার সম্ভাবনা রয়েছে। এমতাবস্থায় উক্ত সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ করার আদেশ প্রয়োজন।
আদালত শুনানি শেষে নিউইয়র্কের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে স্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধের নির্দেশ এবং মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সেদেশে থাকা বেনজীরের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ৮ মে বেনজিরের কন্যা তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট ক্রোক ও দুটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগে বেনজিরের স্ত্রী জিসান মির্জার দুবাইয়ের ফ্লাট ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত বছর ১২ জুন বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা আটটি ফ্লাট ও ২৫ একর জমি ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগে গত বছর দুই দফায় বেনজীর ও তাঁর পরিবারের নামে গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুরে ৬২১ বিঘা জমি, ১৯টি কোম্পানির শেয়ার, গুলশানে ৪টি ফ্ল্যাট ক্রোকের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। এ ছাড়া ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র, ৩৩টি ব্যাংক হিসাব এবং তিনটি বিও হিসাব (শেয়ার ব্যবসার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট) অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত।
এরও আগে বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও জারি করেন আদালত। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার আগেই বেনজীর পরিবারসহ দেশত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিদেশে থাকা দুটি বাড়ি ক্রোক ও চারটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন এই নির্দেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ দেন। দুদকের সরকারি পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুদকের উপ-পরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম বিদেশি এই স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধের নির্দেশ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদন অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বাফেলো লেক এভিনিউ এর আবাসিক বাড়ি ও হামবার্গের লেক স্ট্রিটের একটি বাণিজ্যিক ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যার মূল্য ৪ লাখ ৩০ হাজার ইউএস ডলার। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের দুইটি ও মালয়েশিয়ার সি আই এম বি ইসলামী ব্যাংকের দুইটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক হিসেবে কি পরিমান অর্থ রয়েছে তা দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে ইতিপূর্বে বেনজীর এবং তার স্ত্রী-কন্যার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলা তদন্তকালে বিদেশে এসব স্থাবর অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। তদন্তকালীন দুদক আরো জানতে পেরেছে, অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদ উক্ত স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পদ বিক্রয়, হস্তান্তর বা স্থানান্তর করার সম্ভাবনা রয়েছে। এমতাবস্থায় উক্ত সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ করার আদেশ প্রয়োজন।
আদালত শুনানি শেষে নিউইয়র্কের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে স্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধের নির্দেশ এবং মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সেদেশে থাকা বেনজীরের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ৮ মে বেনজিরের কন্যা তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট ক্রোক ও দুটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগে বেনজিরের স্ত্রী জিসান মির্জার দুবাইয়ের ফ্লাট ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত বছর ১২ জুন বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা আটটি ফ্লাট ও ২৫ একর জমি ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগে গত বছর দুই দফায় বেনজীর ও তাঁর পরিবারের নামে গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুরে ৬২১ বিঘা জমি, ১৯টি কোম্পানির শেয়ার, গুলশানে ৪টি ফ্ল্যাট ক্রোকের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। এ ছাড়া ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র, ৩৩টি ব্যাংক হিসাব এবং তিনটি বিও হিসাব (শেয়ার ব্যবসার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট) অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত।
এরও আগে বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও জারি করেন আদালত। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার আগেই বেনজীর পরিবারসহ দেশত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক এস. এম. রাশেদুল হাসান।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শেষ দিনের আপিল শুনানি চলছে। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আপিল শুনানি শুরু হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন আজ রোববার। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান সুযোগ নষ্ট করার অভিযোগ তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলো। দলগুলোর এই অভিযোগের কাঠগড়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন দল ইসির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে