নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শপথ নেওয়ার পর বিচারপতিরা রাজনীতি করেন না। রাজনীতি করতে পারেন না। আজ বুধবার নাইকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন চ্যালেঞ্জ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা আবেদনের শুনানির সময় এসব কথা বলেন আদালত।
আজ এই শুনানি ২১ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের বেঞ্চ শুনানি শেষে তা মুলতবি করেন।
খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী ও কায়সার কামাল শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মেহেদী হাছান চৌধুরী। এ ছাড়া দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
গত ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। পরে ১৭ মে অভিযোগ গঠনের ওই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে বিএনপি চেয়ারপারসনের পক্ষে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।
আজ শুনানির শুরুতে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমরা শঙ্কিত।’ আদালত বলেন, কী হয়েছে, বলুন?
এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘বিচারপতিরা কী শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ? এক বিচারপতি এটা বলেছেন। এ কারণে আমরা শঙ্কিত।’
আদালত বলেন, ‘শপথ নেওয়ার পর বিচারপতিরা রাজনীতি করেন না। রাজনীতি করতে পারেন না। বাইরে কে, কোন প্রসঙ্গে বলছেন, সেই বক্তব্য আদালতে বলে আমাদের মিসগাইড করবেন না। আমাদের প্রতি অনাস্থা থাকলে বলুন।’
এ সময় এজে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আপনাদের প্রতি আমাদের আস্থা আছে।’
তখন আদালত বলেন, ‘আমরা (বিচারপতিরা) প্রহসনের বিচার করলে আল্লাহ আমাদের বিচার করবেন। আর আপনারা আদালতের কাছে মিথ্যা সাবমিশন করলে আল্লাহর কাছে দায়ী থাকবেন।’ এরপর খালেদার পক্ষে এজে মোহাম্মদ আলী শুনানি শুরু করেন।
কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর ওই মামলা করে দুদক।

শপথ নেওয়ার পর বিচারপতিরা রাজনীতি করেন না। রাজনীতি করতে পারেন না। আজ বুধবার নাইকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন চ্যালেঞ্জ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা আবেদনের শুনানির সময় এসব কথা বলেন আদালত।
আজ এই শুনানি ২১ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের বেঞ্চ শুনানি শেষে তা মুলতবি করেন।
খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী ও কায়সার কামাল শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মেহেদী হাছান চৌধুরী। এ ছাড়া দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
গত ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। পরে ১৭ মে অভিযোগ গঠনের ওই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে বিএনপি চেয়ারপারসনের পক্ষে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।
আজ শুনানির শুরুতে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমরা শঙ্কিত।’ আদালত বলেন, কী হয়েছে, বলুন?
এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘বিচারপতিরা কী শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ? এক বিচারপতি এটা বলেছেন। এ কারণে আমরা শঙ্কিত।’
আদালত বলেন, ‘শপথ নেওয়ার পর বিচারপতিরা রাজনীতি করেন না। রাজনীতি করতে পারেন না। বাইরে কে, কোন প্রসঙ্গে বলছেন, সেই বক্তব্য আদালতে বলে আমাদের মিসগাইড করবেন না। আমাদের প্রতি অনাস্থা থাকলে বলুন।’
এ সময় এজে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আপনাদের প্রতি আমাদের আস্থা আছে।’
তখন আদালত বলেন, ‘আমরা (বিচারপতিরা) প্রহসনের বিচার করলে আল্লাহ আমাদের বিচার করবেন। আর আপনারা আদালতের কাছে মিথ্যা সাবমিশন করলে আল্লাহর কাছে দায়ী থাকবেন।’ এরপর খালেদার পক্ষে এজে মোহাম্মদ আলী শুনানি শুরু করেন।
কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর ওই মামলা করে দুদক।

সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
‘বিটিআরসির এনইআইআর সিস্টেমে আমার এনআইডির বিপরীতে ৫২টা ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। এতগুলো ফোন কীভাবে আমার নামে নিবন্ধিত হয়! আমার ও পরিবারের সদস্যদের ধরলে মোট ৫-৭টা হতে পারে। তাই বলে ৫২টা?
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪টি আসনে ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে