ঢাবি সংবাদদাতা

পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) সংস্কার এবং বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নে আট দফা দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আমরণ অনশন করছেন চারজন চাকরি প্রার্থী। আজ শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ তাদের অনশনের প্রায় ৫৮ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হয়েছে। অনশনরত চারজনেরই শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। এর মধ্যে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)-এ চিকিৎসা নিয়ে পুনরায় রাজু ভাস্কর্যের অনশনস্থলে ফিরে এসেছেন।
শনিবার সকালে অনশনরত চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শাহ আলম স্নেহ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. আওরঙ্গজেবের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। সন্ধ্যায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা নেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী মো. সিরাজুস সালেহীন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন। চিকিৎসা শেষে গুরুতর অবস্থা নিয়েই তারা পুনরায় রাজু ভাস্কর্যের অনশনস্থলে ফিরে আসেন।
আজ শনিবার সন্ধ্যায় সরেজমিনে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে দেখা যায়, অনশনরতরা শরীরে স্যালাইন পুশ করা অবস্থায় শুয়ে আছেন। তারা জানান, গ্রীষ্মের তীব্র গরমের মধ্যে গত ৫৮ ঘণ্টার অনশনে তাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার চরম অবনতি হয়েছে। শুধুমাত্র প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তারা এই অনশন অব্যাহত রেখেছেন। পিএসসির পক্ষ থেকে তাদের দাবি পূরণ কিংবা দাবি পূরণের সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না দেওয়া পর্যন্ত তারা অনশন ভাঙবেন না বলে জানিয়েছেন।
অনশনরতদের মধ্য থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. আওরঙ্গজেব বলেন, ‘গত ৫৮ ঘণ্টায় সরকার, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কিংবা পিএসসির কোনো জায়গা থেকে আমাদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হয়নি। গ্রীষ্মের এই তীব্র গরমের দিনে আমাদের শারীরিক এবং মানসিক অবস্থার চরম অবনতি হয়েছে।’
তিনি বলেন, আশার কথা হলো সাধারণ মানুষ আমাদের পক্ষ নিচ্ছে। আজ শনিবার সন্ধ্যার পর বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে চাকরিপ্রার্থী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি দল মিলে কিছু সময়ের জন্য শাহবাগ এলাকা অবরোধ করেছে। এছাড়া দেশের নানা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা আমাদের পক্ষে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে শিগগিরই সবাই জেগে উঠবে এবং তাদের আন্দোলন আরও বৃহত্তর আকার ধারণ করবে।
আওরঙ্গজেব জানান, গতকাল শুক্রবার জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ তাদের নেতা কর্মীরা এসে তাদের কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানিয়েছেন। আজ গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এসে তাদের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন। এছাড়া ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি মহিউদ্দিন খান এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা তাদের খোঁজ খবর রাখছেন। আওরঙ্গজেব পুনর্ব্যক্ত করেন, পিএসসি তাদের দাবি পূরণ কিংবা দাবি পূরণের সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না দেওয়া পর্যন্ত তারা অনশন অব্যাহত রাখবেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টা থেকে এই চারজন চাকরি প্রার্থী পিএসসি সংস্কার এবং বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নের আট দফা দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন শুরু করেন। তাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে আরও অনেক চাকরিপ্রার্থী কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। এই দাবিগুলো আদায়ে তারা এর আগেও একাধিকবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং শাহবাগ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
তাদের আট দফা দাবির মধ্যে রয়েছে: ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন নতুন করে করা; আগে ৪৪তম বিসিএসের ভাইভা শেষ করে তারপর ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া; কমিশনে বসিয়ে খাতা দেখানোর ব্যবস্থা করা; অতি দ্রুত কমিশনের বিজ্ঞ সদস্যদের সংখ্যা ২৫ থেকে ৩০ জনে উন্নীত করা; ভাইভা শেষ হওয়ার পর এবং রেজাল্টের আগে ক্যাডার চয়েজ প্রত্যাহারের সুযোগ প্রদান; ৪৫তম থেকে ৪৭তম বিসিএসের ক্ষেত্রে ভাইভার পূর্বে পুনরায় ক্যাডার চয়েজ পূরণের সুযোগ প্রদান; প্রিলিমিনারির কাট অফ মার্ক এবং প্রিলি, লিখিত ও ভাইভার মার্কস প্রকাশ করা এবং লিখিত পরীক্ষার ন্যূনতম দুই মাস আগে রুটিন ঘোষণা করা; সুপারিশ প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ ও যথাসম্ভব স্বচ্ছকরণ, ভেরিফিকেশনের হয়রানি লাঘবে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গেজেট প্রণয়ন স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষকরণ; এবং ৪৪তম বিসিএসের ক্যাডার পদ বৃদ্ধি ও নন ক্যাডার বিধি’২৩ সংস্কার।

পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) সংস্কার এবং বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নে আট দফা দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আমরণ অনশন করছেন চারজন চাকরি প্রার্থী। আজ শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ তাদের অনশনের প্রায় ৫৮ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হয়েছে। অনশনরত চারজনেরই শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। এর মধ্যে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)-এ চিকিৎসা নিয়ে পুনরায় রাজু ভাস্কর্যের অনশনস্থলে ফিরে এসেছেন।
শনিবার সকালে অনশনরত চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শাহ আলম স্নেহ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. আওরঙ্গজেবের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। সন্ধ্যায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা নেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী মো. সিরাজুস সালেহীন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন। চিকিৎসা শেষে গুরুতর অবস্থা নিয়েই তারা পুনরায় রাজু ভাস্কর্যের অনশনস্থলে ফিরে আসেন।
আজ শনিবার সন্ধ্যায় সরেজমিনে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে দেখা যায়, অনশনরতরা শরীরে স্যালাইন পুশ করা অবস্থায় শুয়ে আছেন। তারা জানান, গ্রীষ্মের তীব্র গরমের মধ্যে গত ৫৮ ঘণ্টার অনশনে তাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার চরম অবনতি হয়েছে। শুধুমাত্র প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তারা এই অনশন অব্যাহত রেখেছেন। পিএসসির পক্ষ থেকে তাদের দাবি পূরণ কিংবা দাবি পূরণের সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না দেওয়া পর্যন্ত তারা অনশন ভাঙবেন না বলে জানিয়েছেন।
অনশনরতদের মধ্য থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. আওরঙ্গজেব বলেন, ‘গত ৫৮ ঘণ্টায় সরকার, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কিংবা পিএসসির কোনো জায়গা থেকে আমাদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হয়নি। গ্রীষ্মের এই তীব্র গরমের দিনে আমাদের শারীরিক এবং মানসিক অবস্থার চরম অবনতি হয়েছে।’
তিনি বলেন, আশার কথা হলো সাধারণ মানুষ আমাদের পক্ষ নিচ্ছে। আজ শনিবার সন্ধ্যার পর বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে চাকরিপ্রার্থী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি দল মিলে কিছু সময়ের জন্য শাহবাগ এলাকা অবরোধ করেছে। এছাড়া দেশের নানা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা আমাদের পক্ষে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে শিগগিরই সবাই জেগে উঠবে এবং তাদের আন্দোলন আরও বৃহত্তর আকার ধারণ করবে।
আওরঙ্গজেব জানান, গতকাল শুক্রবার জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ তাদের নেতা কর্মীরা এসে তাদের কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানিয়েছেন। আজ গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এসে তাদের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন। এছাড়া ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি মহিউদ্দিন খান এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা তাদের খোঁজ খবর রাখছেন। আওরঙ্গজেব পুনর্ব্যক্ত করেন, পিএসসি তাদের দাবি পূরণ কিংবা দাবি পূরণের সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না দেওয়া পর্যন্ত তারা অনশন অব্যাহত রাখবেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টা থেকে এই চারজন চাকরি প্রার্থী পিএসসি সংস্কার এবং বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নের আট দফা দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন শুরু করেন। তাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে আরও অনেক চাকরিপ্রার্থী কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। এই দাবিগুলো আদায়ে তারা এর আগেও একাধিকবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং শাহবাগ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
তাদের আট দফা দাবির মধ্যে রয়েছে: ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন নতুন করে করা; আগে ৪৪তম বিসিএসের ভাইভা শেষ করে তারপর ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া; কমিশনে বসিয়ে খাতা দেখানোর ব্যবস্থা করা; অতি দ্রুত কমিশনের বিজ্ঞ সদস্যদের সংখ্যা ২৫ থেকে ৩০ জনে উন্নীত করা; ভাইভা শেষ হওয়ার পর এবং রেজাল্টের আগে ক্যাডার চয়েজ প্রত্যাহারের সুযোগ প্রদান; ৪৫তম থেকে ৪৭তম বিসিএসের ক্ষেত্রে ভাইভার পূর্বে পুনরায় ক্যাডার চয়েজ পূরণের সুযোগ প্রদান; প্রিলিমিনারির কাট অফ মার্ক এবং প্রিলি, লিখিত ও ভাইভার মার্কস প্রকাশ করা এবং লিখিত পরীক্ষার ন্যূনতম দুই মাস আগে রুটিন ঘোষণা করা; সুপারিশ প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ ও যথাসম্ভব স্বচ্ছকরণ, ভেরিফিকেশনের হয়রানি লাঘবে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গেজেট প্রণয়ন স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষকরণ; এবং ৪৪তম বিসিএসের ক্যাডার পদ বৃদ্ধি ও নন ক্যাডার বিধি’২৩ সংস্কার।

তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
১৫ ঘণ্টা আগে
পোস্টে প্রেস সচিব লিখেছেন, ‘শহীদ বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর থেকে আমার মনে হচ্ছে তিনি (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) ভীষণ একা হয়ে পড়েছেন। একত্রে এই দুই নেতা আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম এক সম্মানিত ও নির্ভরযোগ্য অংশীদারিত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। সহমর্মিতা এবং নীরবে ধৈর্য ধরার ক্ষমতার...
১৬ ঘণ্টা আগে
জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু জানান, রাজধানীতে নিজ বাসায় বর্ষীয়ান এ রাজনীতিকের মৃত্যু হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাদ জোহর টাঙ্গাইল শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালে সারা দেশে অন্তত ৪২৮টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। ২০২৪ সালে গণপিটুনির ১৬৯টি ঘটনায় নিহত হয়েছিল ১৪৬ জন এবং আহত ছিল ১২৬ জন। আর ২০২৫ সালে গণপিটুনিতে ১৬৬ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ৪৬০ জন। ২২০ জনকে আহতাবস্থায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। গণপিটুনির ঘটনায় আহত
১৮ ঘণ্টা আগে