Ajker Patrika

পরীক্ষা না দিয়ে পাস করানোর ধারা বদলাতে কাজ করছে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
পরীক্ষা না দিয়ে পাস করানোর ধারা বদলাতে কাজ করছে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

বিগত সময়ে শিক্ষাব্যবস্থা পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল উল্লেখ করে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, পরীক্ষা ছাড়াই ৯৮ শতাংশ পাস করানোর মতো ধারা থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষার প্রকৃত মান ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার।

আজ শনিবার মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় কাজী শালীমা হক মহিলা ডিগ্রি কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে তাঁকে কলেজ প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত অন্ধকার যুগে একটি দানবীয় শক্তি পরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে। তারা শিক্ষার্থীদের ভুল ইতিহাস শিখিয়ে এবং মেধা ধ্বংসের চক্রান্ত করে জাতিকে পিছিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার সেই ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে মাত্র দুই মাসে দেশের মানুষের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।’

শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘একটি সময় গেছে, যখন পরীক্ষা না দিয়েই ৯৮ শতাংশ পাস করানোর মতো ভয়ংকর ধ্বংসাত্মক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। আমরা সেই ধারা বদলে শিক্ষার প্রকৃত মান ফিরিয়ে আনতে কাজ করছি। শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে বেতন-ভাতা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে, তবে শিক্ষকদেরও নিয়মিত প্রস্তুতি নিয়ে ক্লাসে যেতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি অধিক যত্নশীল হতে হবে।’

দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের খতিয়ান তুলে ধরে সংস্কৃতিমন্ত্রী আরও বলেন, ইতিমধ্যে প্রতিটি উপজেলায় অন্তত দুটি করে খাল খননের কাজ শুরু হয়েছে। এ বছর ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন এবং আগামী কয়েক বছরে ৫০ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া আগামী জুলাই মাস থেকে ফ্যামিলি কার্ড পুরোদমে চালু হবে। কৃষক কার্ডের পাশাপাশি ইমাম-পুরোহিতদের বেতন বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য কার্ড এবং সংস্কৃতিকর্মীদের জন্যও বিশেষ কার্ড প্রবর্তনের বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা রয়েছে।

স্থানীয় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী আশ্বাস দেন, ‘মহম্মদপুরের আমিনুর রহমান কলেজের পাশাপাশি কাজী শালীমা হক মহিলা ডিগ্রি কলেজও সরকারীকরণের বিষয়ে আমি প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। জনগণের স্বার্থই আমার প্রধান অগ্রাধিকার।’

কাজী শালীমা হক মহিলা ডিগ্রি কলেজের সভাপতি নেওয়াজ হালিমা আরলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাগুরা জেলা পরিষদ প্রশাসক আলী আহম্মেদ, মাগুরা জেলা জাতীয়তাবাদী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান খান ও মিথুন রায় চৌধুরী এবং মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহম্মদ শাহনুর জামান।

অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে মন্ত্রী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

৭ দিনের গণভোট প্রচারণার জন্য ১ কোটি টাকা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক: রিফাত রশিদ

দূরপাল্লার বাসযাত্রায় নতুন ভাড়ার তালিকা প্রকাশ, কোন রুটে কত বাড়ল

তেলপাম্পে মিছিল নিয়ে এসে ইউএনওর ওপর হামলা, অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা

বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের জন্য মার্কিন অভিবাসী ভিসা স্থগিত

জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত