ঢাকা: অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে করা মামলায় শর্তসাপেক্ষে জামিন পাওয়ার পর কারামুক্ত হলেন সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম। আজ রোববার বেলা সাড়ে ৪টার পর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।
এর আগে সকালে আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করার পর কারাফটকে ভিড় করেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মী ও স্বজনরা। বেলা সোয়া ৩টার দিকে দুটি মাইক্রোবাসে করে রোজিনার স্বজনরা কারা অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৭ মে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময় রোজিনা ইসলামকে পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রেখে হেনস্তা করা হয়। একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে না নিয়ে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়। রাত পৌনে ১২টায় পুলিশ জানায়, রোজিনার বিরুদ্ধে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা করেছেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব ডা. মো. শিব্বির আহমেদ ওসমানী।
১৮ মে সিএমএম আদালতে তোলা হয় রোজিনাকে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান সরদার পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে রোজিনাকে কারাগারে পাঠান।

২০ মে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের পক্ষে জামিন বিষয়ে শুনানি হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক রাষ্ট্রপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ নথি দেখে জামিন বিষয়ে আদেশের জন্য আজ রোববার দিন ধার্য করেন। আজ ঢাকা মহানগর হাকিম বাকি বিল্লাহর ভার্চ্যুয়াল আদালতে পাঁচ হাজার টাকা জামানতে এবং পাসপোর্ট জমা দেওয়ার শর্তে জামিন পান রোজিনা ইসলাম।

উত্তরাঞ্চলের কোটি মানুষের বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। সরকারের তৎপরতার অংশ হিসেবে এ মহাপরিকল্পনার মূল প্রশাসনিক ও কারিগরি দিক বাস্তবায়নের প্রাথমিক কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
১১ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মানুষেরই আগ্রহ রয়েছে উল্লেখ করে ত্রিবেদী বলেন, ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বসলে এসব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
১৪ মিনিট আগে
মন্ত্রী বলেন, ‘পত্রিকায় যেটা এসেছে যে, সারেন্ডারের পরিবর্তে ফোয়ারা —এগুলো একদমই সঠিক না। আমরা কিন্তু আমাদের মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজে এটা নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছি। আপনারা সেই ফেসবুক স্ট্যাটাস অনেকেই নিশ্চয়ই পড়েছেন, না পড়লেও আপনারা পড়বেন, আমাদের বক্তব্য এখানে স্পষ্ট।’
২৫ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন— প্রকল্পের মেয়াদ যৌক্তিক কারণ ছাড়া বাড়ানো যাবে না। যথাযথ কারণ ছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হলে বিলম্বের জন্য দায়ী কর্মকর্তা ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
৪ ঘণ্টা আগে