নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বেসরকারি টেলিভিশনের তিন সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-সম্পর্কিত মামলায় ৪ জেলায় কমপক্ষে ১৩৭ জন সাংবাদিককে আসামি করা এবং সংস্কৃতিকর্মীদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়েরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। গতকাল বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে উদ্বেগ জানিয়েছে আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক প্রতিষ্ঠানটি।
আসক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুতি, সংস্কৃতিকর্মীদের নামে হত্যাচেষ্টা মামলা এবং বেআইনি ‘মব’ (উচ্ছৃঙ্খল জনতার তৎপরতা) সুশাসন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের পর একটি ফেসবুক পেজে সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ঘিরে সংশ্লিষ্ট তিন টিভি সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এর পরপরই তিন সাংবাদিকের চাকরিচ্যুতির ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বগুড়া ও রাজশাহীতে দায়ের হওয়া ৩২টি ফৌজদারি মামলায় অন্তত ১৩৭ জন সাংবাদিককে আসামি করা হয়েছে। এমনকি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনেও মামলা করা হয়েছে।
আসক মনে করে, স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সাংবাদিকদের নির্বিঘ্নে পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে এ ধরনের মামলা কিংবা চাকরিচ্যুতির ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত। এ ধরনের ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংস্কৃতিকর্মীদের বিরুদ্ধেও হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের হয়েছে, যা সংস্কৃতিকর্মীদের প্রতি বিরূপ, বিদ্বেষমূলক আচরণ এবং তাঁদের মধ্যে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা বলেই বিবেচিত হয়। চলচ্চিত্র ও নাট্য অভিনয়শিল্পীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগদানেও বাধা প্রদানের ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিতেও দেখা যায়নি। ২৯ এপ্রিল ঢাকায় একজন অভিনয়শিল্পীকে বেআইনি ‘মব’ কর্তৃক আক্রান্ত হতে দেখা গিয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এ মব পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারের পদক্ষেপ যথেষ্ট বলে দৃশ্যমান নয়।

বেসরকারি টেলিভিশনের তিন সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-সম্পর্কিত মামলায় ৪ জেলায় কমপক্ষে ১৩৭ জন সাংবাদিককে আসামি করা এবং সংস্কৃতিকর্মীদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়েরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। গতকাল বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে উদ্বেগ জানিয়েছে আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক প্রতিষ্ঠানটি।
আসক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুতি, সংস্কৃতিকর্মীদের নামে হত্যাচেষ্টা মামলা এবং বেআইনি ‘মব’ (উচ্ছৃঙ্খল জনতার তৎপরতা) সুশাসন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের পর একটি ফেসবুক পেজে সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ঘিরে সংশ্লিষ্ট তিন টিভি সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এর পরপরই তিন সাংবাদিকের চাকরিচ্যুতির ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বগুড়া ও রাজশাহীতে দায়ের হওয়া ৩২টি ফৌজদারি মামলায় অন্তত ১৩৭ জন সাংবাদিককে আসামি করা হয়েছে। এমনকি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনেও মামলা করা হয়েছে।
আসক মনে করে, স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সাংবাদিকদের নির্বিঘ্নে পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে এ ধরনের মামলা কিংবা চাকরিচ্যুতির ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত। এ ধরনের ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংস্কৃতিকর্মীদের বিরুদ্ধেও হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের হয়েছে, যা সংস্কৃতিকর্মীদের প্রতি বিরূপ, বিদ্বেষমূলক আচরণ এবং তাঁদের মধ্যে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা বলেই বিবেচিত হয়। চলচ্চিত্র ও নাট্য অভিনয়শিল্পীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগদানেও বাধা প্রদানের ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিতেও দেখা যায়নি। ২৯ এপ্রিল ঢাকায় একজন অভিনয়শিল্পীকে বেআইনি ‘মব’ কর্তৃক আক্রান্ত হতে দেখা গিয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এ মব পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারের পদক্ষেপ যথেষ্ট বলে দৃশ্যমান নয়।

আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে এবং হুট করে বিদেশিদের আগমন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাময়িকভাবে অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র
৪২ মিনিট আগে
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড থেকে ১২টি ভুয়া ও কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ অনুমোদন করিয়ে ৪৩৩ কোটি ৯৬ লাখ ১৮ হাজার ৯ টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গভবনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিদেশে পালিয়ে থাকা ব্যক্তিদের দেওয়া হুমকির কোনো মূল্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, যাদের সাহস আছে, তারা দেশে এসে আইনের আশ্রয় নিক। অন্য দেশে পালিয়ে থেকে কথা বললে তার কোনো ভ্যালু নেই।
২ ঘণ্টা আগে