নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং সংকটের কথা তুলে ধরে খাদ্যশস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সবকিছুতে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমাদের দেশবাসীকে আমি এইটুকু অনুরোধ করব—সবাই যদি একটু সাশ্রয়ী হই, মিতব্যয়ী হই এবং সব ব্যবহারে সবাই যেন একটু সতর্ক হই, তাহলে খুব সমস্যা হওয়ার কথা না। দ্রব্যমূল্য যে বেড়েছে, এটা যে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে এই কথাটা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে হবে।’
আজ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সভার সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যেগুলো আমাদের আমদানি করতে হয় তার তো দাম বেড়ে যাচ্ছে। আমাদের জাহাজভাড়া বেড়ে গেছে। আর তা ছাড়া যেখানে যেখানে উৎপাদন হতো উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে, সেখানে যুদ্ধ এবং করোনার কারণে। তাহলে আমাদের দেশের ভেতরে একটু মূল্যস্ফীতি বা জিনিসের দাম বাড়বে।’
বৈশ্বিক মন্দার মধ্যেও সরকার দেশে দ্রব্যমূল্য অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে অনেকে সমালোচনা করেন। তারপরও বলব আওয়ামী লীগ সরকার আছে বলে তাও কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি। এটা যদি অন্য কেউ থাকত দেশের যে কী অবস্থা হতো, রাস্তায় রাস্তায় মারামারি শুরু হয়ে যেত। কাজেই সেটা হয়নি। আমরা সেই জায়গা থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে পেরেছি।’
উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের মাটি-মানুষ আছে, এই মাটি মানুষ নিয়ে আমাদের উৎপাদন বাড়াতে হবে, মানুষের চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা করতে হবে। যার জন্য আমি জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে ডাক দিয়েছি যে এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। আমাদের খাবার আমরা উৎপাদন করব। আমরা নিজেরা তো ব্যবহার করবই আবার অন্যকেও সহযোগিতা করতে পারব। এবং আমরা তা পারি। আমাদের সেভাবে দেশের মানুষকে বলতে হবে।’
বৈশ্বিক এ মন্দার সময় বেছে বেছে প্রকল্প নেওয়া হবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা এই প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও বাজেট দিতে যাচ্ছি। ভালোই বাজেট মোটামুটি আমরা মনে করি। প্রকল্প নেওয়া ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ঠিক করতে হবে। কোনটা আমার এক্ষুনি প্রয়োজন, সেগুলো আমরা করব। আর যেগুলো এক্ষুনি প্রয়োজন নেই সেগুলো একটু ধীর গতিতে করব। যেন আমাদের অর্থনীতির ওপর চাপটা না আসে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেখানে সারা বিশ্বব্যাপী এই মন্দা এবং বিশ্বব্যাপী একটা দুর্ভিক্ষ অবস্থার দিকে যাচ্ছে সেখানে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। সে জন্য টাকা খরচের ক্ষেত্রে বা সব ক্ষেত্রে আমাদের অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে। অহেতুক আমাদের সম্পদ যেন আমরা ব্যয় না করি। সেগুলো আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে। আমরা যদি খুব ভালোভাবেই হিসাব করে চলতে পারি, তাহলে আমাদের দেশে কোনো সমস্যা হবে না। এটা আমি বিশ্বাস করি।’
বৈশ্বিক সংকটের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনা, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এটা আমাদের অর্থনীতির ওপর বিরাট প্রভাব ফেলেছে। শুধু আমরা না সমস্ত পৃথিবীর উন্নত, অনুন্নত দেশ সব দেশেই সমস্যা। ইউরোপে এখন এমন এমন দেশ আছে যেখানে ১৭ থেকে ৫০ পারসেন্ট পর্যন্ত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়ে গেছে ।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জার্মানির মতো জায়গায় ভোজ্যতেলের অভাব, একমাত্র অলিভ অয়েল ছাড়া কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না। ইংল্যান্ডের মতো জায়গায় সেখানে তেল নির্দিষ্ট করে দেওয়া, এক লিটারের বেশি কেউ নিতে পারবে না। আমেরিকায় ইনফ্লেশন ৮ ভাগের ওপর উঠে গেছে, ১০ ভাগে পৌঁছে যাবে। ১ ডলারের ডিজেল-পেট্রল এখন ৪ ডলারের ওপর উঠে গেছে। সেখানেও এখন মানুষ এক বেলা খেতেই কষ্ট।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘সারা বিশ্বব্যাপীই কিন্তু এই অবস্থা বিরাজমান। তারপরও আমরা আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে পেরেছি।’

করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং সংকটের কথা তুলে ধরে খাদ্যশস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সবকিছুতে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমাদের দেশবাসীকে আমি এইটুকু অনুরোধ করব—সবাই যদি একটু সাশ্রয়ী হই, মিতব্যয়ী হই এবং সব ব্যবহারে সবাই যেন একটু সতর্ক হই, তাহলে খুব সমস্যা হওয়ার কথা না। দ্রব্যমূল্য যে বেড়েছে, এটা যে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে এই কথাটা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে হবে।’
আজ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সভার সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যেগুলো আমাদের আমদানি করতে হয় তার তো দাম বেড়ে যাচ্ছে। আমাদের জাহাজভাড়া বেড়ে গেছে। আর তা ছাড়া যেখানে যেখানে উৎপাদন হতো উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে, সেখানে যুদ্ধ এবং করোনার কারণে। তাহলে আমাদের দেশের ভেতরে একটু মূল্যস্ফীতি বা জিনিসের দাম বাড়বে।’
বৈশ্বিক মন্দার মধ্যেও সরকার দেশে দ্রব্যমূল্য অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে অনেকে সমালোচনা করেন। তারপরও বলব আওয়ামী লীগ সরকার আছে বলে তাও কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি। এটা যদি অন্য কেউ থাকত দেশের যে কী অবস্থা হতো, রাস্তায় রাস্তায় মারামারি শুরু হয়ে যেত। কাজেই সেটা হয়নি। আমরা সেই জায়গা থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে পেরেছি।’
উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের মাটি-মানুষ আছে, এই মাটি মানুষ নিয়ে আমাদের উৎপাদন বাড়াতে হবে, মানুষের চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা করতে হবে। যার জন্য আমি জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে ডাক দিয়েছি যে এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। আমাদের খাবার আমরা উৎপাদন করব। আমরা নিজেরা তো ব্যবহার করবই আবার অন্যকেও সহযোগিতা করতে পারব। এবং আমরা তা পারি। আমাদের সেভাবে দেশের মানুষকে বলতে হবে।’
বৈশ্বিক এ মন্দার সময় বেছে বেছে প্রকল্প নেওয়া হবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা এই প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও বাজেট দিতে যাচ্ছি। ভালোই বাজেট মোটামুটি আমরা মনে করি। প্রকল্প নেওয়া ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ঠিক করতে হবে। কোনটা আমার এক্ষুনি প্রয়োজন, সেগুলো আমরা করব। আর যেগুলো এক্ষুনি প্রয়োজন নেই সেগুলো একটু ধীর গতিতে করব। যেন আমাদের অর্থনীতির ওপর চাপটা না আসে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেখানে সারা বিশ্বব্যাপী এই মন্দা এবং বিশ্বব্যাপী একটা দুর্ভিক্ষ অবস্থার দিকে যাচ্ছে সেখানে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। সে জন্য টাকা খরচের ক্ষেত্রে বা সব ক্ষেত্রে আমাদের অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে। অহেতুক আমাদের সম্পদ যেন আমরা ব্যয় না করি। সেগুলো আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে। আমরা যদি খুব ভালোভাবেই হিসাব করে চলতে পারি, তাহলে আমাদের দেশে কোনো সমস্যা হবে না। এটা আমি বিশ্বাস করি।’
বৈশ্বিক সংকটের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনা, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এটা আমাদের অর্থনীতির ওপর বিরাট প্রভাব ফেলেছে। শুধু আমরা না সমস্ত পৃথিবীর উন্নত, অনুন্নত দেশ সব দেশেই সমস্যা। ইউরোপে এখন এমন এমন দেশ আছে যেখানে ১৭ থেকে ৫০ পারসেন্ট পর্যন্ত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়ে গেছে ।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জার্মানির মতো জায়গায় ভোজ্যতেলের অভাব, একমাত্র অলিভ অয়েল ছাড়া কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না। ইংল্যান্ডের মতো জায়গায় সেখানে তেল নির্দিষ্ট করে দেওয়া, এক লিটারের বেশি কেউ নিতে পারবে না। আমেরিকায় ইনফ্লেশন ৮ ভাগের ওপর উঠে গেছে, ১০ ভাগে পৌঁছে যাবে। ১ ডলারের ডিজেল-পেট্রল এখন ৪ ডলারের ওপর উঠে গেছে। সেখানেও এখন মানুষ এক বেলা খেতেই কষ্ট।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘সারা বিশ্বব্যাপীই কিন্তু এই অবস্থা বিরাজমান। তারপরও আমরা আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে পেরেছি।’

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোটের বিষয়ে সারা দেশে প্রচার চালানো হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু এই প্রচার যেন নামকাওয়াস্তে। প্রচারকাজে অংশ নেওয়া ভোটের গাড়ি সুপার ক্যারাভান শুধু শহর এলাকাতেই ঘুরছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এসব গাড়ি না যাওয়ায় বেশির ভাগ ভোটার এই প্রচারণার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল সংক্রান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ১২২টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। মঙ্গলবার ইসির আইন শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মাইনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
৮ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা ও সামাজিক বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বক্তারা। তাঁদের মতে, এই ঝুঁকি মোকাবিলায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ, সক্ষমতা—এমনকি সদিচ্ছারও ঘাটতি স্পষ্ট।
৯ ঘণ্টা আগে
শুনানি শেষে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হককে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে আবেদন করেন তাঁদের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। অন্যদিকে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
১০ ঘণ্টা আগে