নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: ২০২২ সালের মার্চে শুরু হচ্ছে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ। নির্মাণকাজ শেষে পাতালরেলে যাত্রী পরিবহন শুরু হবে ২০২৬ সালে। বৃহস্পতিবার সকালে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম এ এন ছিদ্দিক।
তিনি বলেন, এরই মধ্যে এ প্রকল্পের প্রাথমিক সব কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পের ডিজাইনের কাজ ৭৩ শতাংশ শেষ। ১২টি প্যাকেজের মাধ্যমে মেট্রোরেল-১ নম্বর লাইনের মাধ্যমে ঢাকায় প্রথম পাতাল রেলপথের নির্মাণকাজ করা হবে। প্রথম প্যাকেজে ডিপোর ভূমি উন্নয়ন ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এ জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এর ৬ মাসের মধ্যে রূপগঞ্জের পিতলগঞ্জে ডিপোর কাজ শুরু করা হবে।
এম এ এন ছিদ্দিক আরও বলেন, এই লাইনটি দুটি অংশে বিভক্ত, প্রথম অংশটি পুরোপুরি পাতালপথে, অন্যটি উড়ালপথ। ঢাকার বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত পাতাল অংশের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার। অন্যদিকে কমলাপুর থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত নির্মাণ করা হবে উড়ালপথ, যার দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার। এই রুটের পাতাল ও উড়ালপথে মোট ২১টি স্টেশন থাকবে। প্রকল্পে ব্যয় হবে ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা। এ রুটে প্রতিদিন ৮ লাখ যাত্রী যাতায়াত করতে পারবে। বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর যেতে সময় লাগবে ২০ মিনিট।
এম এ এন ছিদ্দিক আরও বলেন, ঢাকায় পাতালরেলের জন্য ২৫টি ট্রেন কেনা হবে। প্রতিটি ট্রেনে ৮টি করে কোচ থাকবে ৷ একেকটি ট্রেনে একসঙ্গে ৩ হাজার ৮৮ জন যাত্রী পরিবহন করা যাবে। আর পুরো লাইনটি দিয়ে প্রতিদিন ৮ লাখ যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মেট্রোরেল-৬ দিয়াবাড়ি থেকে আগারগাঁও অংশ আগামী বছর জুনের মধ্যে চালুর লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। বর্তমানে মেট্রো কোচগুলো পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হচ্ছে। এই প্রকল্পে সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে ৬৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। দিয়াবাড়ি থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত কাজ হয়েছে সবচেয়ে বেশি, ৮৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

ঢাকা: ২০২২ সালের মার্চে শুরু হচ্ছে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ। নির্মাণকাজ শেষে পাতালরেলে যাত্রী পরিবহন শুরু হবে ২০২৬ সালে। বৃহস্পতিবার সকালে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম এ এন ছিদ্দিক।
তিনি বলেন, এরই মধ্যে এ প্রকল্পের প্রাথমিক সব কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পের ডিজাইনের কাজ ৭৩ শতাংশ শেষ। ১২টি প্যাকেজের মাধ্যমে মেট্রোরেল-১ নম্বর লাইনের মাধ্যমে ঢাকায় প্রথম পাতাল রেলপথের নির্মাণকাজ করা হবে। প্রথম প্যাকেজে ডিপোর ভূমি উন্নয়ন ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এ জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এর ৬ মাসের মধ্যে রূপগঞ্জের পিতলগঞ্জে ডিপোর কাজ শুরু করা হবে।
এম এ এন ছিদ্দিক আরও বলেন, এই লাইনটি দুটি অংশে বিভক্ত, প্রথম অংশটি পুরোপুরি পাতালপথে, অন্যটি উড়ালপথ। ঢাকার বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত পাতাল অংশের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার। অন্যদিকে কমলাপুর থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত নির্মাণ করা হবে উড়ালপথ, যার দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার। এই রুটের পাতাল ও উড়ালপথে মোট ২১টি স্টেশন থাকবে। প্রকল্পে ব্যয় হবে ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা। এ রুটে প্রতিদিন ৮ লাখ যাত্রী যাতায়াত করতে পারবে। বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর যেতে সময় লাগবে ২০ মিনিট।
এম এ এন ছিদ্দিক আরও বলেন, ঢাকায় পাতালরেলের জন্য ২৫টি ট্রেন কেনা হবে। প্রতিটি ট্রেনে ৮টি করে কোচ থাকবে ৷ একেকটি ট্রেনে একসঙ্গে ৩ হাজার ৮৮ জন যাত্রী পরিবহন করা যাবে। আর পুরো লাইনটি দিয়ে প্রতিদিন ৮ লাখ যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মেট্রোরেল-৬ দিয়াবাড়ি থেকে আগারগাঁও অংশ আগামী বছর জুনের মধ্যে চালুর লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। বর্তমানে মেট্রো কোচগুলো পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হচ্ছে। এই প্রকল্পে সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে ৬৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। দিয়াবাড়ি থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত কাজ হয়েছে সবচেয়ে বেশি, ৮৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের কাগজপত্র জমা না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মতো নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
১ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচিতে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
২ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক বিশেষ অধিবেশনে সোমালিয়ার পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
৪ ঘণ্টা আগে