
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, লাখ লাখ শহীদের আত্মত্যাগে স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু আমরা সেই অর্জনকে আমাদের দোষে সম্পূর্ণতা দিতে পারিনি।
আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এ কথা বলেন। সকাল ১০টায় এই ভাষণ শুরু করেন তিনি। বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ড তাঁর এই ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করছে।
শিশু, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী, ছাত্র-ছাত্রী, বয়স্ক, বৃদ্ধ, নারী-পুরুষসহ দেশের সমস্ত মানুষকে সালাম দিয়ে ভাষণ শুরু করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আজ জাতির এক বিশেষ দিন। বিজয় দিবস। বাঙালি জাতির বুক ফুলিয়ে দাঁড়াবার দিন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অনেক অস্ত্রকে অগ্রাহ্য করে খালি হাতে রুখে দাঁড়িয়ে সম্মুখ সমরে লড়াই করে নিজেদের জন্য একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উৎসবের দিন। এই দিনে স্মরণ করি লক্ষ লক্ষ শহীদদের, অগণিত শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতী, বৃদ্ধ জনতার আত্মত্যাগকে; যার ফলে স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব হয়েছিল।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘কিন্তু আমরা সেই অর্জনকে আমাদের দোষে সম্পূর্ণতা দিতে পারিনি। সর্বশেষ এবং প্রচণ্ডতম আঘাত হানল এক স্বৈরাচারী সরকার। সে প্রতিজ্ঞা করেই বসেছিল এ দেশের মঙ্গল হতে পারে এমন কিছুই সে অবশিষ্ট থাকতে দেবে না।’
তিনি বলেন, এ বছরের বিজয় দিবস বিশেষ কারণে মহা আনন্দের দিন। মাত্র চার মাস আগে একটি অসম্ভব সম্ভব হয়ে গেল, দেশের সবাই মিলে এক জোটে হুংকার দিয়ে উঠলো, পৃথিবীর ঘৃণ্যতম স্বৈরাচারী শাসককে পালিয়ে যেতে বাধ্য করে আমাদের প্রিয় দেশকে মুক্ত করেছে ছাত্র-জনতার সম্মিলিত অভ্যুত্থান।
এ প্রতিবেদন লেখার সময় প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ চলছিল।

৫ এপ্রিল থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইউনিসেফের কাছ থেকে সংগ্রহ করা টিকা দিয়ে আগামী রোববার থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। হামের টিকা সংগ্রহ করার প্রস্তুতি চলছে। টিকা হাতে পেতে ১ মাস সময় লাগবে।
২০ মিনিট আগে
রাজধানীসহ দেশের সব দোকানপাট, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং শপিং মল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে হোটেল, ফার্মেসি, কাঁচাবাজারসহ অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনীয় সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলো এই সিদ্ধান্তের আওতায় থাকবে না।
৩১ মিনিট আগে
জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন করে সপ্তাহে তিন দিন অফিসের যে পত্রটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, সেটি ঠিক নয় বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
১ ঘণ্টা আগে
দুর্ঘটনার কারণ বিশ্লেষণে দেখা যায়, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে সবচেয়ে বেশি (৪০ দশমিক ৭৫ শতাংশ), এরপর মুখোমুখি সংঘর্ষ (২৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ) এবং পথচারীকে চাপা দেওয়ার ঘটনা (১৩ দশমিক ১৩ শতাংশ)।
২ ঘণ্টা আগে