নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ চলমান একটি মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। জবানবন্দিতে তিনি দাবি করেছেন, গত বছরের ১৮ জুলাই তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের ফোনকলের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশে পুলিশ ‘লেথাল উইপন’ বা প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার শুরু করে।
আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেওয়ার সময় চৌধুরী মামুন বলেন, ‘গত বছরের ১৮ জুলাই তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান আমাকে ফোন করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি লেথাল উইপন ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন।’
সাবেক আইজিপি জানান, সে সময় তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিষয়টি তাঁকে বলি। তিনি আমার রুম থেকে বের হয়ে ডিএমপি কমিশনারসহ সারা দেশে এ নির্দেশনা পৌঁছে দেন। ওই দিন থেকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী লেথাল উইপন ব্যবহার শুরু হয়।’
এ জবানবন্দিতে চৌধুরী মামুন আরও দাবি করেন, আসাদুজ্জামান খান কামাল, আনিসুল হক, ফজলে নূর তাপস, সালমান এফ রহমান, ওবায়দুল কাদের, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, মির্জা আযম, হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেননসহ একাধিক রাজনৈতিক নেতা মারণাস্ত্র ব্যবহারের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে প্ররোচিত করেছিলেন।
উল্লেখ্য, এ মামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও আসামি করা হয়েছে। গতকাল সোমবার পর্যন্ত এ মামলার ৩৫ জন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন।
আরও খবর পড়ুন:

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ চলমান একটি মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। জবানবন্দিতে তিনি দাবি করেছেন, গত বছরের ১৮ জুলাই তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের ফোনকলের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশে পুলিশ ‘লেথাল উইপন’ বা প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার শুরু করে।
আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেওয়ার সময় চৌধুরী মামুন বলেন, ‘গত বছরের ১৮ জুলাই তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান আমাকে ফোন করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি লেথাল উইপন ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন।’
সাবেক আইজিপি জানান, সে সময় তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিষয়টি তাঁকে বলি। তিনি আমার রুম থেকে বের হয়ে ডিএমপি কমিশনারসহ সারা দেশে এ নির্দেশনা পৌঁছে দেন। ওই দিন থেকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী লেথাল উইপন ব্যবহার শুরু হয়।’
এ জবানবন্দিতে চৌধুরী মামুন আরও দাবি করেন, আসাদুজ্জামান খান কামাল, আনিসুল হক, ফজলে নূর তাপস, সালমান এফ রহমান, ওবায়দুল কাদের, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, মির্জা আযম, হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেননসহ একাধিক রাজনৈতিক নেতা মারণাস্ত্র ব্যবহারের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে প্ররোচিত করেছিলেন।
উল্লেখ্য, এ মামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও আসামি করা হয়েছে। গতকাল সোমবার পর্যন্ত এ মামলার ৩৫ জন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন।
আরও খবর পড়ুন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে দ্বৈত নাগরিকত্ব–সংক্রান্ত জটিলতায় পড়া অধিকাংশ প্রার্থীর পথ সুগম করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির এক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে এবং কুমিল্লা-৩ আসনে আরেক বিএনপি প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন (ইসি) কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই আপিল শুনানি সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানিতে কমিশন কোনো পক্ষপাত দেখায়নি। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও ওই দলের মুখ্য সমন্বয়ক ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
২ ঘণ্টা আগে
আপিল শুনানির শেষ দিনে বিএনপির আরও দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রার্থিতা পুনর্বহাল বা বাতিল চেয়ে দায়ের করা আপিলের শুনানি শেষে ইসি এ রায় দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে