নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চলতি বছরের মে মাসে ৩৮টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় চারজন নিহত এবং ৫৬৯ জন আহত হয়েছেন। একই মাসে অন্তত ১১টি গণপিটুনির ঘটনায় সাতজন নিহত ও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) মে মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি তদারকি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও এমএসএফের সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে মানবাধিকার সংগঠনটি। এতে নানা ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি তুলে ধরে তা নিয়ে গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
এমএসএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। আর বেড়েছে গণপিটুনির মতো ঘটনা। ধর্ষণসহ নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং মতামত প্রকাশের সংবিধানপ্রদত্ত অধিকার প্রয়োগের পথ রুদ্ধ করার মতো বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যু, নির্যাতন, হয়রানি, কারা হেফাজতে মৃত্যু বেড়েছে ও সীমান্তে হতাহতের মতো ঘটনাও বন্ধ হয়নি। সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেই চলেছে।
এমএসএফের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে কারা হেফাজতে ৮ জন মারা গেছে, যা গত মাসের তুলনায় তিনজন বেশি। এই মৃতদের মধ্যে তিনজন কয়েদি এবং এক নারীসহ বাকি পাঁচজন হাজতি রয়েছে। এ ছাড়া একই মাসে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের দুটি ঘটনা ঘটেছে। আর সীমান্তে দুটি হত্যাকাণ্ড ও দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকাগুলোতে ছয়টি ঘটনায় অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে উভয় পক্ষের সীমান্তরক্ষী বাহিনী কর্তৃক আটক বা বাধা প্রদানের ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেদনে এমএসএফ বলেছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রবলভাবে সমালোচিত হলেও এ আইনে মামলার নামে হয়রানি কমেনি। বরং ধারাবাহিকভাবে এর অপব্যবহার বেড়ে চলেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও এমএসএফ কর্তৃক সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, সে মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুটি মামলায় একজন সাংবাদিকসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বেশ কিছু ঘটনায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ২৭ জন সাংবাদিক কাজে বাধা প্রদান, হয়রানি, নির্যাতন, হামলা, প্রাণনাশের হুমকি ও অপহরণচেষ্টার শিকার হয়েছেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং নাশকতার মামলায় দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরেক সাংবাদিক পুলিশ কর্তৃক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। একজন সাংবাদিক সরকারি গাড়ি চাপায় নিহত হয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা; যেমন-ধর্ষণ, হত্যা ও পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা বিগত মাসগুলোর তুলনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বেড়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মে মাসে ৪১৪টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, যা গত মাসের তুলনায় ৪৭টি বেশি। এ মাসে ধর্ষণ হয়েছে ৮৪ টি, যা গত মাসে ছিল ৭১ টি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ হয়েছে ২২ টি, যা এপ্রিল মাসে ছিল ১৪ টি। আর মে মাসে ধর্ষণের পর হত্যা চারজনকে হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষণের শিকারদের মধ্যে চার কিশোরীসহ ১০ জন প্রতিবন্ধীও রয়েছে।
এমএসএফ মনে করে, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে দেশে যথেষ্ট কঠোর আইন থাকা সত্ত্বেও অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা লক্ষণীয় নয়। এ জন্য সমাজে অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষায় সরকারের নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন।

চলতি বছরের মে মাসে ৩৮টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় চারজন নিহত এবং ৫৬৯ জন আহত হয়েছেন। একই মাসে অন্তত ১১টি গণপিটুনির ঘটনায় সাতজন নিহত ও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) মে মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি তদারকি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও এমএসএফের সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে মানবাধিকার সংগঠনটি। এতে নানা ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি তুলে ধরে তা নিয়ে গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
এমএসএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। আর বেড়েছে গণপিটুনির মতো ঘটনা। ধর্ষণসহ নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং মতামত প্রকাশের সংবিধানপ্রদত্ত অধিকার প্রয়োগের পথ রুদ্ধ করার মতো বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যু, নির্যাতন, হয়রানি, কারা হেফাজতে মৃত্যু বেড়েছে ও সীমান্তে হতাহতের মতো ঘটনাও বন্ধ হয়নি। সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেই চলেছে।
এমএসএফের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে কারা হেফাজতে ৮ জন মারা গেছে, যা গত মাসের তুলনায় তিনজন বেশি। এই মৃতদের মধ্যে তিনজন কয়েদি এবং এক নারীসহ বাকি পাঁচজন হাজতি রয়েছে। এ ছাড়া একই মাসে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের দুটি ঘটনা ঘটেছে। আর সীমান্তে দুটি হত্যাকাণ্ড ও দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকাগুলোতে ছয়টি ঘটনায় অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে উভয় পক্ষের সীমান্তরক্ষী বাহিনী কর্তৃক আটক বা বাধা প্রদানের ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেদনে এমএসএফ বলেছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রবলভাবে সমালোচিত হলেও এ আইনে মামলার নামে হয়রানি কমেনি। বরং ধারাবাহিকভাবে এর অপব্যবহার বেড়ে চলেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও এমএসএফ কর্তৃক সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, সে মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুটি মামলায় একজন সাংবাদিকসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বেশ কিছু ঘটনায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ২৭ জন সাংবাদিক কাজে বাধা প্রদান, হয়রানি, নির্যাতন, হামলা, প্রাণনাশের হুমকি ও অপহরণচেষ্টার শিকার হয়েছেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং নাশকতার মামলায় দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরেক সাংবাদিক পুলিশ কর্তৃক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। একজন সাংবাদিক সরকারি গাড়ি চাপায় নিহত হয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা; যেমন-ধর্ষণ, হত্যা ও পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা বিগত মাসগুলোর তুলনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বেড়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মে মাসে ৪১৪টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, যা গত মাসের তুলনায় ৪৭টি বেশি। এ মাসে ধর্ষণ হয়েছে ৮৪ টি, যা গত মাসে ছিল ৭১ টি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ হয়েছে ২২ টি, যা এপ্রিল মাসে ছিল ১৪ টি। আর মে মাসে ধর্ষণের পর হত্যা চারজনকে হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষণের শিকারদের মধ্যে চার কিশোরীসহ ১০ জন প্রতিবন্ধীও রয়েছে।
এমএসএফ মনে করে, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে দেশে যথেষ্ট কঠোর আইন থাকা সত্ত্বেও অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা লক্ষণীয় নয়। এ জন্য সমাজে অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষায় সরকারের নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন।

দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমের জট কমাতে এবং গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৫টি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব টাস্কফোর্সের মাধ্যমে কমিশনের চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রমে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য ঠেকাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্কের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ফোনালাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে গানম্যান (অস্ত্রধারী দেহরক্ষী) পাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তাঁর বাসভবনের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১০০৮ জন শিশু নিহত হয়েছে। সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে সচেতনতার অভাবকে এই মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
৪ ঘণ্টা আগে