নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পুলিশ সদর দপ্তরে বসে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ওপর নজর রাখছিলেন পুলিশ প্রধানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। গতকাল সোমবার দুপুরে যখন শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে দেশ ছাড়েন, তখনো সেখানে বসে ছিলেন তাঁরা। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। উত্তেজিত জনতা থানায় থানায় ভাঙচুর আগুন জ্বালিয়ে দেয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধরা হামলা চালায় পুলিশ সদর দপ্তরে। জীবন বাঁচাতে হেলিকপ্টারে করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে যান পুলিশের আইজিপি, ডিএমপি কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তিন দফায় হেলিকপ্টার এসে তাঁদের নিয়ে যায়। বর্তমান তাঁরা এখনো সেখানেই রয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার সকালে পুলিশ সদরে দপ্তর গিয়ে দেখা যায়, সর্বত্র ধ্বংসের চিহ্ন। অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে পুলিশের এই প্রধান কার্যালয়। কোনো ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন ছাড়াই ঢুকে পড়ছেন যে কেউ। ঘুরে ফিরে আবার ফিরে আসছেন। কেউ বাধা দিচ্ছে না।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুলিশের সদরের অভ্যর্থনাসহ পুরোনো ভবনের প্রবেশপথে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। তল্লাশির জন্য কম্পিউটারসহ ভেঙে ফেলা হয় নিরাপত্তার সম্পৃক্ত যন্ত্রপাতি। ভাঙচুর করা হয় নিচ তলা দোতলাসহ কর্মকর্তাদের কক্ষ। তবে পুলিশ প্রধান পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ-আল-মামুনের কক্ষে কোনো হামলা হয়নি। সেখানে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই।
টানা ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর উত্তেজিত মানুষজন ঢাকাসহ সারা দেশে অন্তত ৪৫০ থানায় হামলা হয়। লুট করা হয় অস্ত্র গোলাবারুদ। স্থাপনা ছেড়ে চলে যান পুলিশ সদস্যরা। গা ঢাকা দেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এরপর ভেঙে পড়ে দেশে পুলিশি ব্যবস্থা। এতে অদ্ভুত এক আতঙ্কে ভুগছে নগরবাসী।
মঙ্গলবার সারা দেশে কোথাও কোনো পুলিশ সদস্যদের দায়িত্বপালন করতে দেখা যায়নি। এমনকি পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রধান কার্যালয়, ডিবি কার্যক্রমসহ ঢাকার থানাগুলোতেও কোনো সদস্য ছিল না। অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকা গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাগুলোতে নির্দ্বিধায় ঢুকে পড়ে সাধারণ মানুষ। কোথাও কোথাও লুটপাট করতেও দেখা যায়। একই অবস্থা ঢাকার বাইরে জেলাগুলোতেও।
এদিকে পুলিশবিহীন এই দেশ কীভাবে চলবে তা নিয়ে ইতিমধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে নগরবাসীর মধ্যে। কিন্তু সহসাই পুলিশ সদস্যেরা থানাতে ফিরছেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অধীনস্থ পুলিশ সদস্যরা। বিক্ষুব্ধদের মুখে পুলিশ সদস্যদের ছেড়ে দিয়ে ঊর্ধ্বতনরা পালিয়ে যাওয়ায় কর্মবিরতিতে গেছেন তাঁরা। জীবনের নিরাপত্তা, হত্যার বিচারসহ রাজনীতিতে না জড়ানোর শর্তে কাজে ফিরবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা।
দিনভর এমন আলোচনার মাঝে বিকেলে পুলিশ সদস্যদের দৃঢ় মনোবল ও নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানিয়ে আজ মঙ্গলবার ভিডিও বার্তা দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ–আল–মামুন। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যবৃন্দের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যা এবং দাবির যৌক্তিক সমাধানকল্পে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হচ্ছে। পুলিশের সকল সদস্যকে দৃঢ় মনোবল নিয়ে ধৈর্যসহকারে নিজের নিরাপত্তা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। আশা করছি, সকলের সহযোগিতায় দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠবে।

পুলিশ সদর দপ্তরে বসে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ওপর নজর রাখছিলেন পুলিশ প্রধানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। গতকাল সোমবার দুপুরে যখন শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে দেশ ছাড়েন, তখনো সেখানে বসে ছিলেন তাঁরা। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। উত্তেজিত জনতা থানায় থানায় ভাঙচুর আগুন জ্বালিয়ে দেয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধরা হামলা চালায় পুলিশ সদর দপ্তরে। জীবন বাঁচাতে হেলিকপ্টারে করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে যান পুলিশের আইজিপি, ডিএমপি কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তিন দফায় হেলিকপ্টার এসে তাঁদের নিয়ে যায়। বর্তমান তাঁরা এখনো সেখানেই রয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার সকালে পুলিশ সদরে দপ্তর গিয়ে দেখা যায়, সর্বত্র ধ্বংসের চিহ্ন। অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে পুলিশের এই প্রধান কার্যালয়। কোনো ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন ছাড়াই ঢুকে পড়ছেন যে কেউ। ঘুরে ফিরে আবার ফিরে আসছেন। কেউ বাধা দিচ্ছে না।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুলিশের সদরের অভ্যর্থনাসহ পুরোনো ভবনের প্রবেশপথে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। তল্লাশির জন্য কম্পিউটারসহ ভেঙে ফেলা হয় নিরাপত্তার সম্পৃক্ত যন্ত্রপাতি। ভাঙচুর করা হয় নিচ তলা দোতলাসহ কর্মকর্তাদের কক্ষ। তবে পুলিশ প্রধান পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ-আল-মামুনের কক্ষে কোনো হামলা হয়নি। সেখানে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই।
টানা ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর উত্তেজিত মানুষজন ঢাকাসহ সারা দেশে অন্তত ৪৫০ থানায় হামলা হয়। লুট করা হয় অস্ত্র গোলাবারুদ। স্থাপনা ছেড়ে চলে যান পুলিশ সদস্যরা। গা ঢাকা দেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এরপর ভেঙে পড়ে দেশে পুলিশি ব্যবস্থা। এতে অদ্ভুত এক আতঙ্কে ভুগছে নগরবাসী।
মঙ্গলবার সারা দেশে কোথাও কোনো পুলিশ সদস্যদের দায়িত্বপালন করতে দেখা যায়নি। এমনকি পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রধান কার্যালয়, ডিবি কার্যক্রমসহ ঢাকার থানাগুলোতেও কোনো সদস্য ছিল না। অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকা গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাগুলোতে নির্দ্বিধায় ঢুকে পড়ে সাধারণ মানুষ। কোথাও কোথাও লুটপাট করতেও দেখা যায়। একই অবস্থা ঢাকার বাইরে জেলাগুলোতেও।
এদিকে পুলিশবিহীন এই দেশ কীভাবে চলবে তা নিয়ে ইতিমধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে নগরবাসীর মধ্যে। কিন্তু সহসাই পুলিশ সদস্যেরা থানাতে ফিরছেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অধীনস্থ পুলিশ সদস্যরা। বিক্ষুব্ধদের মুখে পুলিশ সদস্যদের ছেড়ে দিয়ে ঊর্ধ্বতনরা পালিয়ে যাওয়ায় কর্মবিরতিতে গেছেন তাঁরা। জীবনের নিরাপত্তা, হত্যার বিচারসহ রাজনীতিতে না জড়ানোর শর্তে কাজে ফিরবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা।
দিনভর এমন আলোচনার মাঝে বিকেলে পুলিশ সদস্যদের দৃঢ় মনোবল ও নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানিয়ে আজ মঙ্গলবার ভিডিও বার্তা দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ–আল–মামুন। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যবৃন্দের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যা এবং দাবির যৌক্তিক সমাধানকল্পে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হচ্ছে। পুলিশের সকল সদস্যকে দৃঢ় মনোবল নিয়ে ধৈর্যসহকারে নিজের নিরাপত্তা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। আশা করছি, সকলের সহযোগিতায় দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠবে।

নির্বাচনের পরিবেশ ভালো আছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারব।’
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাছাইয়ের শেষ দিন গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
১১ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশন বলেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে প্রমাণিত, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ। এসব ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহ
১১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন গণভোটের বিষয়বস্তু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রচার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে