
স্থানীয় সরকার, নাকি জাতীয় নির্বাচন আগে হবে—এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে একটি বিরোধ রয়েছে। সরকারের একটি অংশও স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে চায়। তবে বিএনপিসহ কয়েকটি দল আগে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের পক্ষে। আবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন রাজনৈতিক সরকার, নাকি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে—এ নিয়েও বিতর্ক চলছে।
নির্বাচন কমিশনার বেগম তাহমিদা আহমদ বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন কে করবে, সেই প্রশ্নের জবাব তাঁরা পাননি। এ কারণে তাঁরা আগারগাঁওয়ের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে নির্বাচনী আইন ও বিধিসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেছেন।
আজ শনিবার অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে ইসি মাহমিদা আহমেদ বলেন, ‘অনুষ্ঠান নিয়ে অলরেডি কথা হয়ে গেছে, আমরা কাজ করতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলাম। তাই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এখানে কর্মকর্তা যাঁরা আছেন, তাঁদের অধিকাংশেরই চাকরির ২০ বছর হয়ে গেছে। আমাদের সিম্পল একটি প্রশ্ন ছিল যে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন কে করবে। মানে, তার ঘোষণা কে দেবে অথবা উদ্যোক্তা কে। আমরা, নাকি স্থানীয় সরকার? কিন্তু সেই প্রশ্নের উত্তর আমরা পাইনি। এসব নানা কারণেই আমরা আপডেট হওয়ার জন্যই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন।’
অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির সিনিয়র সচিব, অতিরিক্ত সচিব, ডিজি এনআইডিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও খবর পড়ুন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শেষ হয়েছে। ২৫ কার্যদিবসের বৈঠকের মোট ৯৪টি বিল পাস হয়েছে, ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপিত হয়েছে, গঠিত হয়েছে সাতটি কমিটি, আর রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর প্রায় ৪০ ঘণ্টার আলোচনায় অংশ নিয়েছেন ২৮০ জন সংসদ সদস্য।
১৪ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘মাননীয় স্পিকার, এই যে চেয়ারটা আপনি দেখছেন, যে চেয়ারে আমি এখানে বসছি আপনার সামনে, মাননীয় স্পিকার, এই চেয়ারটি কঠিন একটি চেয়ার মাননীয় স্পিকার। এ চেয়ারটি দেখলে মনে হয় বসতে খুব আরাম। আসলে মাননীয় স্পিকার মোটেও আরামের না।’
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সংসদ যাতে কোনোভাবেই ব্যর্থ না হয়, সে বিষয়ে নিজ দল ও বিরোধী দলসহ সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমরা বিতর্ক করব, আলোচনা করব; কিন্তু কোনোভাবেই এই সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।’
১ ঘণ্টা আগে
অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধারের সংখ্যা বৃদ্ধি, গণপিটুনি ও মব সহিংসতার বিস্তার—আইনের শাসনের দুর্বলতাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। সীমান্ত এলাকায় হতাহতের ঘটনা, অপহরণ ও নির্যাতন এবং পার্বত্য অঞ্চলে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনাও নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
২ ঘণ্টা আগে