নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকারের উদ্দেশ্য উন্নত জীবন তৈরি এবং সে অনুযায়ী কাজ করা। আজ শনিবার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘দক্ষিণ এশিয়ার নদী-বাস্তুতন্ত্র, মানুষ ও শাসন পরিচালনার সঙ্গে সম্পর্ক’ শীর্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘নদী মায়ের মতো। মাকে মেরে ফেলা যাবে না। মায়ের দুধ পান করে আমরা বড় হয়েছি। তাই মায়ের সঙ্গে বসবাস করতে হবে। আর নদী রক্ষায় শেখ হাসিনা সরকারের নীতি আছে। এই সরকারের উদ্দেশ্য উন্নত জীবন তৈরি এবং সে অনুযায়ী কাজ করা।’
মন্ত্রী বলেন, দেশের বেশির ভাগ নদীর উৎপত্তি চীন ও হিমালয়কেন্দ্রিক। তাই নদীর ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে বিভিন্ন নীতিনির্ধারণ করতে হয় এবং তা মেনে চলতে হয়। নদী রক্ষার জন্য এসব নীতি অনেক দরকার। এর জন্য নদী রক্ষা কমিশনও রয়েছে। নীতির তিন ধরনের বিষয় আছে—রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক আবার টেকনিক্যাল।
নদী রক্ষায় ভূরাজনৈতিক বিষয় যুক্ত থাকে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘নীতি মানে সেখানে ভূরাজনৈতিক বিষয় যুক্ত থাকবে। তবে নদী এগুলো মানে না। বাংলাদেশের বেশির ভাগ নদীর উৎপত্তি বাইরে থেকে। তাই নদী নিয়ে আমাদের বসতে হবে, কথা বলতে হবে।’
ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে এসব নদী নিয়ে বাংলাদেশের আলোচনা হয় জানিয়ে তিনি বলেন, নদী রক্ষার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিছু কিছু নদী নিয়ে ভারতের সঙ্গে নীতিগত জায়গায় আলাপ-আলোচনা হয়।
নদী অনেক সময় ভয়ংকর হয়ে ওঠে জানিয়ে এম এ মান্নান বলেন, এ জন্য পদ্মা নদীকে কীর্তিনাশা নদীও বলা হয়। আবার এ দেশকে বলা হয় নদীমাতৃক। অর্থাৎ, নদী হচ্ছে মায়ের মতো। বাংলাদেশ একই সঙ্গে নদীর দান ও অভিশাপের। সব সভ্যতাই নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম বলেন, পানি সভ্যতার শুরু আগে থেকেই বিদ্যমান। কেউ এটা অনুভব করে না যে নদী কেমন অনুভব করছে। তাই প্রকৃতির বিরুদ্ধে গেলে তার ফল পেতে হবে। তিনি বলেন, একসময় নদীর পানির বিশুদ্ধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ছিল না। এখন নদীর পানি অবিশুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে এই অঞ্চলের নদী নিয়ে ব্রুনাই দারুসসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইফতেখার ইকবাল তাঁর গবেষণা তুলে ধরেন। সেখানে তিনি নদী নিয়ে আবেগ ও রাজনীতির সম্পর্ক বিশ্লেষণ করেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকারের উদ্দেশ্য উন্নত জীবন তৈরি এবং সে অনুযায়ী কাজ করা। আজ শনিবার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘দক্ষিণ এশিয়ার নদী-বাস্তুতন্ত্র, মানুষ ও শাসন পরিচালনার সঙ্গে সম্পর্ক’ শীর্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘নদী মায়ের মতো। মাকে মেরে ফেলা যাবে না। মায়ের দুধ পান করে আমরা বড় হয়েছি। তাই মায়ের সঙ্গে বসবাস করতে হবে। আর নদী রক্ষায় শেখ হাসিনা সরকারের নীতি আছে। এই সরকারের উদ্দেশ্য উন্নত জীবন তৈরি এবং সে অনুযায়ী কাজ করা।’
মন্ত্রী বলেন, দেশের বেশির ভাগ নদীর উৎপত্তি চীন ও হিমালয়কেন্দ্রিক। তাই নদীর ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে বিভিন্ন নীতিনির্ধারণ করতে হয় এবং তা মেনে চলতে হয়। নদী রক্ষার জন্য এসব নীতি অনেক দরকার। এর জন্য নদী রক্ষা কমিশনও রয়েছে। নীতির তিন ধরনের বিষয় আছে—রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক আবার টেকনিক্যাল।
নদী রক্ষায় ভূরাজনৈতিক বিষয় যুক্ত থাকে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘নীতি মানে সেখানে ভূরাজনৈতিক বিষয় যুক্ত থাকবে। তবে নদী এগুলো মানে না। বাংলাদেশের বেশির ভাগ নদীর উৎপত্তি বাইরে থেকে। তাই নদী নিয়ে আমাদের বসতে হবে, কথা বলতে হবে।’
ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে এসব নদী নিয়ে বাংলাদেশের আলোচনা হয় জানিয়ে তিনি বলেন, নদী রক্ষার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিছু কিছু নদী নিয়ে ভারতের সঙ্গে নীতিগত জায়গায় আলাপ-আলোচনা হয়।
নদী অনেক সময় ভয়ংকর হয়ে ওঠে জানিয়ে এম এ মান্নান বলেন, এ জন্য পদ্মা নদীকে কীর্তিনাশা নদীও বলা হয়। আবার এ দেশকে বলা হয় নদীমাতৃক। অর্থাৎ, নদী হচ্ছে মায়ের মতো। বাংলাদেশ একই সঙ্গে নদীর দান ও অভিশাপের। সব সভ্যতাই নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম বলেন, পানি সভ্যতার শুরু আগে থেকেই বিদ্যমান। কেউ এটা অনুভব করে না যে নদী কেমন অনুভব করছে। তাই প্রকৃতির বিরুদ্ধে গেলে তার ফল পেতে হবে। তিনি বলেন, একসময় নদীর পানির বিশুদ্ধতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ছিল না। এখন নদীর পানি অবিশুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে এই অঞ্চলের নদী নিয়ে ব্রুনাই দারুসসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইফতেখার ইকবাল তাঁর গবেষণা তুলে ধরেন। সেখানে তিনি নদী নিয়ে আবেগ ও রাজনীতির সম্পর্ক বিশ্লেষণ করেন।

সস্ত্রীক বাংলাদেশে ফিরে আসতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রী ডিয়ান ডাওকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছান।
২০ মিনিট আগে
২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
৩ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
৩ ঘণ্টা আগে